Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৫৩

কৃষি সংবাদ

ডিসি বাংলোয় ড্রাগন ফলের বাগান

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

ডিসি বাংলোয় ড্রাগন ফলের বাগান

রাঙামাটি ডিসি বাংলোতে ড্রাগন ফলের ব্যাপক ফলন হয়েছে। অপরূপ সুন্দর লতানো গাছে এখন কাঁচা-পাকা ড্রাগন ফলের সমারোহ। রসে ভড়া টসটসে ড্রাগন ফল দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি খেতেও অনেক মজাদার। নাইট-কুইন ফুলের মতো মধ্য রাতে ড্রাগন ফলের ফুল ফোটে। সকাল হওয়ার আগেই এ ফুল ফলে রূপান্তরিত হয়। তাই সচরাচর ড্রাগন ফলের ফুল দেখার সৌভাগ্য হয় না অনেকেরই।  জানা গেছে, তৎকালীন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক ও বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. সামসুল আরেফিন সখের বসে বিদেশি প্রজাতির ড্রাগন ফলের বাগান করেছিলেন রাঙামাটি ডিসি বাংলো এলাকায়। এখন সে বাগানে ড্রাগন ফলে ভরপুর। সঠিক পরিচর্যার কারণে গাছগুলো বেশ সতেজ রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব সামসুল আরেফিন জানান, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক থাকাকালীন বৃক্ষমেলা থেকে একটি ড্রাগন ফলের গাছ সংগ্রহ করে ডিসি বাংলো বাগানে লাগিয়েছিলাম। পরে আরও গাছ সংগ্রহ করি। রাঙামাটি ডিসি বাংলো ড্রাগন ফলের বাগানে মোট ১০টি গাছ স্থান পায়। সে সময় গাছগুলোর সঠিক পরিচর্যার কারণে অনেক তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠে। কয়েকটা গাছে ফলও আসে। ড্রাগনের ফুল ফোটে রাত ১১টায়। আর ফুল ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ঢেকে দিতে হয়। ঢেকে না দিলে ফুল হবে, কিন্তু ফল হবে না। এটা করতে হয় শুধু এক রাতের জন্য। ফল পাকতে সাধারণত এক থেকে দেড় মাস সময় লাগে। সাধারণত বাউ ড্রাগন ফল দুই রঙের হয়ে থাকে। সাদা ও লাল রঙের। তবে লাল ড্রাগন ফলটি খেতে খুব সুস্বাদু। এ ফলের অনেক ঔষধি গুণও রয়েছে। এ ছাড়া পুষ্টিকর, মিনারেল ও ভিটামিন সমৃদ্ধ। বিদেশি জাতের এ ফলটি বাংলাদেশে অনেকটাই দুর্লভ। তবে এখন অনেক অঞ্চলে এ ড্রাগনের ফলের চাষ হয়ে থাকে। তাছাড়া আবহাওয়া, মাটি ও পরিবেশের ভারসাম্যকে কাজে লাগিয়ে পাহাড়ে ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে তোলা সম্ভব। এ ব্যাপারে রাঙামাটি জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক পবন কুমার চাকমা জানান। পার্বত্যাঞ্চলে ড্রাগন ফলের বাগান এখন ব্যাপক আকারে হচ্ছে। পাহাড়ি মাটিতে এ ফলের চাষাবাদ ভালো হচ্ছে। গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল থেকে ধারণা করা হচ্ছে পাহাড়ের ড্রাগন ফলের উৎপাদনও অনেক হতে পারে। সঠিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা গেলে এ ফল উৎপাদনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় কৃষকরাও ড্রাগন ফলের উৎপাদনের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধশালী হতে পারে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর