শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:৫১

কৃষ্ণা রানীকে চাপা দেওয়া বাসের চালক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষ্ণা রানীকে চাপা দেওয়া বাসের চালক আটক

রাজধানীর বাংলামোটরে বিআইডব্লিউটিসির সহব্যবস্থাপক কৃষ্ণা রায় চৌধুরীর পা হারানোর ঘটনায় অভিযুক্ত বাসচালক মোরশেদকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই। রবিবার রাতে রাজধানীর মিরপুর কাজীপাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের গাড়ির চালক। গত ২৭ আগস্ট দুপুরে ওই গাড়িই ফুটপাথে উঠিয়ে দিয়ে কৃষ্ণা রায়ের পা বিচ্ছিন্ন করে দেন মোরশেদ। গতকাল পিবিআই সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন এসপি মো. বশির আহমেদ।

তিনি বলেন, মিডিয়াম ক্যাটাগরির যানবাহন চালানোর লাইসেন্স ছিল ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের বাসচালক মোরশেদের। তবু তিনি ৪০ সিটের ভারী মিনিবাস চালানোর জন্য প্রথমবারের মতো স্টিয়ারিংয়ে হাত দেন। প্রথম দিনেই তিনি বাংলামোটর মোড়ে ফুটপাথে কৃষ্ণা রায়কে চাপা দেন। বাসের চাপায় ওই নারীর বাঁ পা হারাতে হয়েছে। মোরশেদের কাছে ভারী যানবাহন চালানোর কোনো লাইসেন্স নেই। মিডিয়াম ক্যাটাগরির লাইসেন্স নিয়েই তিনি ট্রাস্ট সার্ভিসেস পরিবহনের চাকরি নেন। দুর্ঘটনার পর পালিয়ে প্রথমে মিরপুরের ইব্রাহিমপুরে তার বাসায় যান। পাঁচ দিন আগে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে চলে যান। তিনি মোবাইলের সিম পরিবর্তনও করেন। পরদিন পত্রিকায় তিনি দেখতে পান এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এরপর তিনি কৌশল বদলে রাতের বেলা প্রতিবেশী কিংবা অন্য কারও বাড়িতে ঘুমাতেন। পিবিআই কর্মকর্তারা মোরশেদকে ধরতে গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালান। টের পেয়ে মোরশেদ মিরপুরের কাজীপাড়ায় এসে গা ঢাকা দেন। রবিবার রাতে সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মোরশেদ আগে বাসের হেলপার ছিলেন। পরে ওই কাজ ছেড়ে প্রাইভেট কার চালাতেন। এরপর ২৭ আগস্ট ট্রাস্ট পরিবহনের বাস চালানো শুরু করেন। প্রথম ট্রিপে ডিওএইচএস থেকে শাহবাগে বাস চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এর পরই ঘটে যায় ওই দুর্ঘটনা। এ ঘটনায় কৃষ্ণার স্বামী রাধে শ্যাম চৌধুরী বাদী হয়ে ২৮ আগস্ট হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা করেন।


আপনার মন্তব্য