প্রকাশ : শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩৫

মুকুলের গন্ধে মুখর বরেন্দ্র

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

মুকুলের গন্ধে মুখর বরেন্দ্র

নওগাঁর গাছে গাছে এখন শুধু সোনালি মুকুল। মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ার উপক্রম প্রতিটি আমগাছ। মধু আহরণে আসতে শুরু করেছে মৌমাছিরাও। নতুন করে সেজেছে জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভার আমবাগান। আমবাগানগুলোর প্রায় ৭০ শতাংশ গাছেই এসেছে মুকুল। বাগান মালিক, কৃষি কর্মকর্তা ও আমচাষিরা আশা করছেন বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে জেলায় আমের বাম্পার ফলন হবে। বর্তমানে আমচাষি ও বাগান মালিকরা বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অবশ্য গাছে মুকুল আশার আগে থেকেই গাছের পরিচর্যা করে আসছেন তারা। যাতে করে গাছে মুকুল বা গুটি বাঁধার সময় সমস্যার সৃষ্টি না হয়। এ জেলা ফজলি, খিড়সা, মোহনা, রাজভোগ, আমরূপালি, বারী-৪, গোপালভোগসহ অন্যান্য জাতের আম চাষের উপযুক্ত হওয়ায় চাষিরা নিজ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চারা সংগ্রহ করে আমের বাগান করেছেন।

জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমের চাষ হয় সাপাহার, পোরশা ও পত্নীতলা উপজেলায়। পত্নীতলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর এলাহী জানান, পুরাপুরিভাবে এখনো সব গাছে মুকুল আসেনি। আর সপ্তাহখানেকের মধ্যেই সব গাছেই মুকুল আসবে। ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ কম থাকায় এবার কাক্সিক্ষত ফলনের আশা করছেন চাষিরা। ধীরে ধীরে জেলাজুড়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে আমের বাগান। উৎপাদিত আম মানসম্মত হওয়ায় চাহিদাও বাড়বে অনেক। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামসুল ওয়াদুদ জানান, এবার আগাম মুকুল ফুটেছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে মুকুলগুলো নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আমের মুকুলের পরিচর্যায় উকুননাশক এভোমেট্রিন ও ছত্রাকনাশক মেনকোজেভ বালাইনাশক ¯েপ্র করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। গত মৌসুমে আমের বাজার ভালো থাকায় লাভবান হয়েছিলেন চাষিরা। এ বছর আমবাগান আরও বেড়েছে। এ জেলার বিরাজমান আবহাওয়া ও মাটি আমচাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় আমের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর