শিরোনাম
শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০০ টা

দর্শনার্থীর ভিড় ফুলের বাড়িতে

মহিউদ্দিন মোল্লা, কুমিল্লা

দর্শনার্থীর ভিড় ফুলের বাড়িতে

বাড়িতে ১২ রকমের ফুল, ৭০ রকমের ফলের গাছ ও ১৫ রকমের সবজির চাষ করা হয়েছে। ফুল তার সৌন্দর্য মেলে ধরেছে। গাঁদা, হাসনাহেনা, রজনিগন্ধা, গোলাপ ফুল ঘ্রাণ ছড়িয়েছে। বেশি সৌন্দর্য ছড়িয়েছে চার ধরনের গাঁদা ফুল। বাড়ির সৌন্দর্য দেখতে আশপাশের লোকজন ভিড় করছে প্রতিদিন। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খটকপুর গ্রামে এই বাড়ির অবস্থান। তিন বিঘার বাড়িটির মালিক প্রবাসী ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান। বাড়ির নাম ‘খলিল হাউস’। তবে স্থানীয়রা বাড়িটিকে ‘ফুলবাড়ি’ নাম দিয়েছেন। এ বাড়ির ফুল, ফল ও সবজি চাষ দেখে পাশের গ্রামের অনেকে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। বাড়িটিতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির গেট থেকে ফুলের পসরা বসেছে। ফুলের গায়ে ঘুরে ঘুরে বসছে মৌমাছি। ফলের বাগান থেকে ভেসে আসছে পাখির ডাক। ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডুপ্লেক্স বাড়িটির সৌন্দর্য বাড়িয়েছে ফুলের বাগান। বাড়ির সামনের হেলিপ্যাড, পানির ফোয়ারা, সুইমিং পুল, বৈঠকখানার পাশে ফুলের মেলা বসেছে। বাড়ির পশ্চিম অংশে আম, জাম, মাল্টা, ডালিম, সফেদা, তেঁতুল, আমলকীসহ বিভিন্ন ফলের বাগান। সঙ্গে রয়েছে বিষমুক্ত লাউ, কুমড়া, বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাল শাক, ডাটা শাকসহ বিভিন্ন রকমের সবজির চাষ।

বাড়িটি দেখতে আসা কালিপদ দেবনাথ ও জাবেদ খান বলেন, গ্রামে এত সুন্দর বাড়ি নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। ফুলের বাগান বাড়ির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। বাড়ির মালিক স্থানীয় ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বলেন, বিদেশে ব্যবসা করলেও আমার মন গ্রামে পড়ে থাকে। তাই নিজ গ্রামে বাড়িটি করি। গ্রামে শহরের সুবিধা নিশ্চিতের চেষ্টা করেছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে ফুল, ফল ও সবজির চাষ করেছি। নিজেরা বিষমুক্ত সবজি খেতে পারছি, সঙ্গে আত্মীয়দের দিতে পারছি। স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার ভুঁইয়া বলেন, চার বছর আগে প্রবাসী মালিক বাড়িটি সাজাতে পরামর্শ চান। সে নিরিখে আমরা পরামর্শ দেই। এ বাড়ির ফুল, ফল গাছ ও সবজি চাষ দেখে অনেকে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।

সর্বশেষ খবর