চার্টার্ড বিমানে করে ২৯ আগস্ট ৯ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ব্রিটেনের হোম অফিস। একই ফ্লাইটে ২৫ পাকিস্তানি নাগরিককেও ইসলামাবাদে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ‘অবৈধ’ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নিয়েছে ব্রিটেন হোম অফিস।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা সরকার আমলে করা ‘ফাস্ট ট্র্যাক রিটার্ন’ চুক্তির আওতায় দ্রুততার সঙ্গে অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরে ফেরত পাঠাচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। গত বছর ১৭ মে ব্রিটিশ অবৈধ অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী মাইকেল টমলিনসন ও তৎকালীন ব্রিটেনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমের করা ‘ফাস্ট ট্র্যাক রিটার্ন’ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছিল। সেই চুক্তি এখনো বলবৎ রয়েছে। এ চুক্তির আওতায় হোম অফিস যখন কোনো অবৈধ অভিবাসী ধরবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য, ট্রাভেল পাস ইস্যুর জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতা চায়। ফাস্ট ট্র্যাক রিটার্ন চুক্তির কারণে এ প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে করতে হয়। এ চুক্তি সম্পন্ন করার পর যুক্তরাজ্যের অবৈধ অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মাইকেল টমলিনসন বলেন, অবৈধভাবে এখানে আসা বা থাকা বন্ধ করার জন্য অবৈধ অভিবাসীদের অপসারণের কাজ ত্বরান্বিত করা আমাদের পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের একটি মূল্যবান অংশীদার এবং আমরা তাদের সঙ্গে এই ইস্যুর পাশাপাশি অন্যান্য বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সম্পর্ক জোরদার করছি। তবে যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ মিশন থেকে এক সূত্র জানায়, মোট ২৫ জন বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিতের জন্য ব্রিটেন হোম অফিস থেকে তথ্য চাওয়া হলেও ১৫ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর বিষয় চূড়ান্ত হয়। তবে শেষ পর্যন্ত আরও ছয়জন ব্রিটেনে আইনি সহায়তা চাওয়ায় মোট ৯ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।