শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ আপডেট: ০২:০৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

জটিলতা কাটল না জুলাই সনদে

♦ জরুরি বৈঠক দলগুলোর সঙ্গে, স্বাক্ষর কাল, কয়েকটি দলের অনুপস্থিতির শঙ্কা ♦ ফেব্রুয়ারিতে ভোট, নো কম্প্রোমাইজ : প্রধান উপদেষ্টা ♦ আপনার সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সুসম্পর্ক বজায় থাকুক : সালাহউদ্দিন ♦ নভেম্বরেই গণভোট দিতে হবে : তাহের ♦ অস্পষ্টতা রাখলে সফল হবে না : এনসিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
জটিলতা কাটল না জুলাই সনদে

আগামীকাল জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। সব রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষরের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশের জন্য জাতীয় সনদে পরিণত হবে এটি। তবে শেষ মুহূর্তেও জুলাই জাতীয় সনদের বিভিন্ন বিষয়ে একমত হতে পারেনি দলগুলো। বেশ কিছু দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না বলে গতকাল ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে জানিয়েছে। কয়েকটি দল স্বাক্ষরের ব্যাপারে ধোঁয়াশা রেখে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দিয়েছে। দুই দিনের ইতালি সফর শেষে গতকাল সকালে ঢাকায় পা রাখেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিকালেই জুলাই সনদের সবশেষ অবস্থা জানতে ঐকমত্য কমিশনের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সন্ধ্যায় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আকস্মিক জরুরি বৈঠক আহ্বান করা হয়। প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে বৈঠকে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, এবি পার্টি, বাম গণতান্ত্রিক জোট, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দল অংশ নেয়।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। সবাইকে নিয়ে উৎসব-মুখরভাবে নির্বাচন করতে চায় সরকার। এমন একটি নির্বাচন করে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। যে অসম্ভবকে আপনারা সম্ভব করেছেন সেটা শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসে না, পৃথিবীর রাজনৈতিক ব্যবস্থার ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে। আপনারা কঠিন কঠিন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং সমাধানে এসেছেন।’

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আমরা চাই না প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর মধ্যে কোনো রকমের ভারসাম্য নষ্ট হোক। আমরা সেটি অ্যাফোর্ড (সামলে নেওয়া) করতে পারব না এই মুহূর্তে। আমরা চাই, আপনার সাথে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সুসম্পর্ক বজায় থাকুক। রাষ্ট্র একটা ব্যালান্সড অবস্থায় থাকতে হবে। আমরা নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো রকমের ঝুঁকির মধ্যে যেতে চাই না। যেতে পারব না। সেটা আমরা অ্যাফোর্ড করতে পারব না।’

বৈঠক শেষে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব, তবে নোট অব ডিসেন্ট যেগুলো আছে তা উল্লেখ থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সব প্রস্তাবে যদি সবাই একমত হতো, তাহলে আলোচনার প্রয়োজন পড়ত না। আমরা আশা করি ১৭ অক্টোবর জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটি জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। যে কোনো উপায়েই হোক ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন হতে হবে। জুলাই সনদে স্বাক্ষর হলেও পরবর্তীতে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে তাদেরই এর আইনি ভিত্তি দিতে হবে। এ সনদের আইনি ভিত্তি জাতীয় সংসদের ওপর নির্ভর করবে।’

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব। এটা নিয়ে এখনো অনেক মতানৈক্য আছে। আমরা অনুরোধ করেছি মতানৈক্য দূর করে নোট অব ডিসেন্ট যাতে একটু কমিয়ে আনা যায়।’

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘গণভোট আর জাতীয় নির্বাচন আলাদা বিষয়; এক দিনে করার প্রস্তাব উদ্ভট আলোচনা। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নভেম্বরে গণভোট দিতে হবে।’

তাহের বলেন, ‘বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের বিষয়ে আগে দ্বিমত করলেও এখন আগ্রহ দেখাচ্ছে। এজন্য বিএনপিকে ধন্যবাদ।’

তিনি বলেন, ‘যেসব বিষয়ে আমরা এক জায়গায় আসছি এবং এনসিসি সিদ্ধান্ত দিয়েছে, সেসব একটা প্যাকেজ করে তার ওপর গণভোট হবে। এখন গণভোট কখন হবে এ নিয়ে আবার আমাদের ভিতরে কিছুটা ডিফারেন্স। আমরা বলেছি গণভোট হচ্ছে রিফর্মস কমিশন কমিটির জন্য। এটা আলাদা বিষয় আর জাতীয় নির্বাচন একটি আলাদা বিষয়।’

জামায়াত নেতা বলেন, ‘নির্বাচনের আগেই ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্ত জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে এবং তার আলোকে জাতীয় নির্বাচনে আপার হাউসের ভোট হবে। যদি এটা নির্বাচনের দিনেই হয় যা কেউ কেউ চাচ্ছে, নির্বাচন একসঙ্গে তাহলে তো আপার হাউস নির্বাচন দিন পর্যন্ত আর পাস হইল না।’ তিনি বলেন, ‘এক দিনে জাতীয় ও গণভোট হলে ভোট কাস্টিং একেবারেই অপ্রতুল হবে। কারণ সেদিন গণভোটের কোনো গুরুত্বই থাকবে না।’ তাহের বলেন, ‘আশা করি ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যাব এবং এতে অনিশ্চয়তা দেখি না।’

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘আমরা দাবি জানিয়েছি জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট এক দিনেই হতে হবে। আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব। প্রধান উপদেষ্টা মূলত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করায় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এ বৈঠক ডেকেছিলেন। তিনি আবারও নিশ্চিত করেছেন যে আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন হবে।’ রাশেদ খান বলেন, ‘অবশ্যই জুলাই সনদে সবার স্বাক্ষর করতে হবে। যারা স্বাক্ষর করবে না, তারা জাতির কাছে আজীবন দায়ী থাকবে।’

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘১৭ অক্টোবর বাসদ, বাসদ মার্কসবাদী, সিপিবিসহ বাম গণতান্ত্রিক জোটের পাঁচটি দল জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করবে না।’ তিনি বলেন, ‘কথা ছিল যেসব বিষয়ে সব দলের মধ্যে ঐকমত্য হবে, সেগুলো নিয়েই জুলাই জাতীয় সনদ হবে। এখন দেখলাম বিভিন্ন দলের অসংখ্য নোট অব ডিসেন্টসহ জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাহলে এ সনদ বাস্তবায়ন হবে কীভাবে? এ ছাড়া আমরা যেসব বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলাম, সেগুলো জুলাই সনদে বিবেচনা করা হয়নি।’ এ ব্যাপারে আজ সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের বিষয়টি বিবেচনাধীন। সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াসংক্রান্ত কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতার কারণে শেষ মুহূর্তে সংশয় তৈরি হয়েছে। জাতিকে অস্পষ্ট রেখে কোনো উদ্যোগ সফল করা সম্ভব নয়। আমরা জুলাই ১৬ তারিখে যে খসড়াটি পেয়েছি, সেখানে নোট অব ডিসেন্টের বিষয়গুলো পরিষ্কার করা হয়নি।’ এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘গণভোটের ব্যাপারে আমরা যে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছি, সেই গণভোটের প্রশ্ন এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। গণভোটের দিন-তারিখসহ বিষয়গুলো জাতির কাছে এবং আমাদের কাছেও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আমাদের মূল লক্ষ্য জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথ পরিষ্কার করা, তার পরই আমরা সনদ স্বাক্ষরের দিকে অগ্রসর হব।’ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, ‘শুক্রবার হতে যাওয়া জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করব কি না অনিশ্চিত। এক দিন সময় আছে অর্থাৎ আজ (বৃহস্পতিবার) আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বলেছি নোট অব ডিসেন্ট থাকতে পারবে না। যেসব দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে তারা আগে এগুলো প্রত্যাহার করবে তার পরে স্বাক্ষর। জুলাই সনদ স্বাক্ষরের আর এক দিন বাকি আছে, আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। যদি সম্ভব হয় স্বাক্ষর করব। আমরা বলেছি নির্বাচন ও গণভোট যেন একই দিনে না হয়। আর নভেম্বরের মধ্যে গণভোট দিতে প্রধান উপদেষ্টাকে আমরা অনুরোধ করেছি।’

 

যে কলমে সই করা হবে সেগুলো জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘জুলাই সনদ সই হয়ে গেলেই শেষ হয়ে যাবে না। এটা মস্তবড় একটা অধ্যায় শেষ হলো। কিন্তু আরও বহু অধ্যায়ের সূত্রপাত শুরু করবে। কাজেই সেভাবেই আমরা এগোব, যাতে এটা কোথাও হারিয়ে না যায়। পাঠ্যবইসহ নানান জায়গায় এটা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করতে হবে।’ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘যে দলিলগুলো আপনারা তৈরি করেছেন সেগুলো হারিয়ে যাবে না। আমি যত দিন পারি চেষ্টা করব এগুলো যেন প্রত্যেকের কাছে যায়। যেন সবার মনের মধ্যে থাকতে পারে কেন আমরা একমত হতে পেরেছি। একমত হওয়া এক জিনিস, এটাকে সঞ্চারিত করা এক জিনিস। এ সঞ্চারণের দায়িত্ব আমাদের নিতে হবে সরকার হিসেবে, আমরা প্রক্রিয়া শুরু করব। বিষয়গুলো জনগণের কাছে প্রচার করার মতো ভাষায় প্রচার করতে হবে। আমি বলে রেখেছি, আপনারা যে বিতর্কগুলো করেছেন এগুলো অমূল্য সম্পদ। এগুলোকে বিষয়ভিত্তিকভাবে ভিডিও করে, বই করে আমাদের কাছে থাকবে, যাতে হারিয়ে না যায়। সমাজমাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রচার করলে সবার কাছে পরিষ্কার হবে।’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘যে অসম্ভবকে আপনারা সম্ভব করেছেন সেটা শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসে না, পৃথিবীর রাজনৈতিক ব্যবস্থার ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে। আপনারা কঠিন কঠিন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং সমাধানে এসেছেন। নিজেরা সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন, একটা ঐকমত্যে পৌঁছাতে পেরেছেন। এজন্য আজকে জুলাই সনদ রচনা হয়েছে। সেজন্য আমি একা নই, জাতির সবাই অভিভূত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আজকে যে পয়েন্টে এসেছি, সেটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড। মানুষ চিরদিন স্মরণ করবে, বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে গর্ববোধ করবে। আমি একজন ব্যক্তি হিসেবে গর্ববোধ করছি যে এ কাজের সঙ্গে আমি শরিক ছিলাম, অংশীদার ছিলাম। যে অসম্ভব কাজ আপনারা করলেন এটা যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ইতিহাসের স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার মতো একটা দিন।’ প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ছাত্র-জনতার যে অভ্যুত্থান তার পরে এটাই মনে হয় সঠিকভাবে রচিত হলো। কাজেই জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠানে সারা জাতি শরিক হবে। যে কলমে সই করা হবে সেগুলো জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে। যে যে কলম দিয়ে সই করবেন তার তার মুহূর্ত জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে। কারণ কেউ ভুলতে পারবে না আপনাদের। এটা এমন একটা ঘটনা, আমরা যেহেতু ঘটনার ভিতরে আছি বলে অনুভব করতে পারছি না। বাইরে গিয়ে যদি দাঁড়াতে পারতাম তাহলে মনে হতো বিশাল একটা কাজ। মাসের পর মাস বৈঠক করে হয়তো মনে করেছেন এটা অসমাপ্ত থেকে যাবে। এটা অসমাপ্ত থেকে যায় নাই। সন্তোষজনকভাবে আপনারা সমাপ্তিতে এনেছেন। আপনারা ভেবেচিন্তে নিয়মকানুন বের করেছেন যাতে সবাই সনদে সই করতে পারেন। এটা জাতির জন্য একটা মস্তবড় সম্পদ রয়ে গেল। এজন্য আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা সবাই যে পরিশ্রম করেছেন, তা জাতি হিসেবে সবাই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’

এই বিভাগের আরও খবর
শেষ ষোলোর প্রথম দল স্বাগতিক কানাডা
শেষ ষোলোর প্রথম দল স্বাগতিক কানাডা
যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ অস্থায়ী অভিবাসীদের
যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ অস্থায়ী অভিবাসীদের
অর্থবিল আজ কাল পাস হবে বাজেট
অর্থবিল আজ কাল পাস হবে বাজেট
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
আর্জেন্টিনাকে হুঁশিয়ারি ভোজিনিয়োর
আর্জেন্টিনাকে হুঁশিয়ারি ভোজিনিয়োর
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
শেষ ষোলোতে খেলবে কারা
শেষ ষোলোতে খেলবে কারা
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সর্বশেষ খবর
হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট
হালান্ডকে আটকে নকআউটে চমক দিতে চায় আইভরি কোস্ট

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের
জাপানকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না আনচেলত্তি, পেনাল্টির প্রস্তুতিও ব্রাজিলের

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ
ব্যর্থতার দায় নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের পদত্যাগ

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন হুগো ব্রুস
বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন হুগো ব্রুস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালি হাতে ফিরলেও ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে জর্ডান
খালি হাতে ফিরলেও ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে জর্ডান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার
নকআউট পর্বে জিতবে কারা, যা বলছে সুপারকম্পিউটার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি
নখের সমান চিপে ১০০ বিলিয়ন ট্রানজিস্টর, নতুন প্রযুক্তিতে আইবিএমের বড় অগ্রগতি

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

পুরো দেশ আমার সঙ্গে শট নিয়েছিল : ইউস্তাকিও
পুরো দেশ আমার সঙ্গে শট নিয়েছিল : ইউস্তাকিও

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর শাহবাগে ৪০ লাখ জাল টাকাসহ গ্রেফতার ৪
রাজধানীর শাহবাগে ৪০ লাখ জাল টাকাসহ গ্রেফতার ৪

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ ষোলোতে কানাডা
শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ ষোলোতে কানাডা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জয় মিলেছে, কিন্তু দুর্বলতা কাটেনি ইংল্যান্ডের
জয় মিলেছে, কিন্তু দুর্বলতা কাটেনি ইংল্যান্ডের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন বিল উত্থাপন
সংসদে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন বিল উত্থাপন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতায় কানাডা- দক্ষিণ আফ্রিকা
প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতায় কানাডা- দক্ষিণ আফ্রিকা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সামরিক অভিযানের স্প্লিন্টারের আঘাতে কাতারের নাগরিক নিহত
সামরিক অভিযানের স্প্লিন্টারের আঘাতে কাতারের নাগরিক নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে হারিয়ে চমক দেখাতে চায় জাপান
বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে হারিয়ে চমক দেখাতে চায় জাপান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের
‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পৃথিবীতে টেলিস্কোপের আছড়ে পড়া ঠেকাতে নাসার ৩ কোটি ডলারের মিশন
পৃথিবীতে টেলিস্কোপের আছড়ে পড়া ঠেকাতে নাসার ৩ কোটি ডলারের মিশন

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ : ভাঙছে তাপমাত্রার রেকর্ড, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ
ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ : ভাঙছে তাপমাত্রার রেকর্ড, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডা–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু
কানাডা–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে তেহরান-দুবাই ফ্লাইট
আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে তেহরান-দুবাই ফ্লাইট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না

৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব হবে না’
‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব হবে না’

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী: মো. তারেক
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী: মো. তারেক

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ে ক্ষুব্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, তদন্তের নির্দেশ
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ে ক্ষুব্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, তদন্তের নির্দেশ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির ওরিয়েন্টেশন শুরু
শাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির ওরিয়েন্টেশন শুরু

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড
নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?
নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি
মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা
নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর
এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা
ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’
ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই
মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা
মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাম বেড়ে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে স্বর্ণের ভরি কত?

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার
হিজবুল্লাহ যোদ্ধার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ইসরায়েলি কমান্ডার

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি
হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ দিনে মেসি, রোনালদোদের যত রেকর্ড
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ দিনে মেসি, রোনালদোদের যত রেকর্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত

প্রথম পৃষ্ঠা

শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক

শোবিজ

স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

পরীর নতুন প্রজেক্ট
পরীর নতুন প্রজেক্ট

শোবিজ

বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...
বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...

শোবিজ

নওয়াজের জীবনসংগ্রাম
নওয়াজের জীবনসংগ্রাম

শোবিজ

আবারও তীব্র যুদ্ধ
আবারও তীব্র যুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি
সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

প্রথম পৃষ্ঠা

অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়

সম্পাদকীয়

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

দেশগ্রাম

হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

সম্পাদকীয়

নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট

নগর জীবন

নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা
মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

দেশগ্রাম

দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’
দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’

প্রাণের ক্যাম্পাস

বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

দেশগ্রাম

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং
হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

দেশগ্রাম

বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত

সম্পাদকীয়

রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ
রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ

মাঠে ময়দানে