প্রেম চিরন্তন, প্রেম শাশ্বত, জীবনে প্রেম আসে নীরবে। প্রেমিকযুগল হাতে হাত রেখে মনের গভীরে প্রেমের আবির মেখে হারিয়ে যায় ভালোবাসার মহাসমুদ্রে। জীবনে প্রেম বারবার আসতে পারে। তবে প্রথম প্রেমের স্মৃতি চিরন্তন। সেই প্রেমের কথা তুলে ধরেছেন - আলাউদ্দীন মাজিদ

শাকিব-অপুর মিরপুর মাজারে
শাকিব খানের প্রথম প্রেম অপু বিশ্বাস। ২০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ ছবিতে জুটি বাঁধেন শাকিব খান-অপু বিশ্বাস। প্রথম ছবিতেই প্রেমের ঝড় ওঠে দুজনের হৃদয়ে। শাকিব গেয়ে ওঠেন ‘আমি তোমার হতে চাই এটা মিথ্যে কোনো গল্প নয়’। দুজনের প্রেম যখন তুঙ্গে তখনই ২০০৮ সালে গোপনে প্রথমে মিরপুরের একটি মাজারে তারপর শাকিবের গুলশানের বাসায় বিয়ের বাঁধনে বাঁধা পড়েন তাঁরা। একসময় ঘরভাঙা ঝড় এসে তছনছ করে দেয় তাঁদের অনেক সাধের প্রেমের বাগান। ২০১৭ সালে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন দুজন।
![প্রথম বিয়ে [Click and drag to move] ](https://cdn.bd-pratidin.com/public/news_images/share/photo/shares/Print/2026/06/June/29-06-2026/BP-26'06'29-1A.jpg)
‘অবুঝ মন’ দেখে শাবানার প্রেমে পড়েন ওয়াহিদ সাদিক
১৯৭২ সালে মুক্তি পায় শাবানা অভিনীত ‘অবুঝ মন’ ছবিটি। এ ছবিটি দেখে ব্যবসায়ী ওয়াহিদ সাদিক প্রেমে পড়ে যান বিউটিকুইন শাবানার। আর তাই তিনি নাকি একটানা ৩০ বার ছবিটি দেখেন। এরপর শাবানার বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। শাবানাও নাকি সাদিককে দেখে পছন্দ করে ফেলেন। শুরু তাদের প্রেমপর্ব। অবশেষে ১৯৭৪ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তাঁরা।
![প্রথম বিয়ে [Click and drag to move] ](https://cdn.bd-pratidin.com/public/news_images/share/photo/shares/Print/2026/06/June/29-06-2026/BP-26'06'29-1AA.jpg)
ববিতার বিরহে জাফর ইকবাল গাইলেন ‘সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী’
১৯৭৬ সালে ‘একমুঠো ভাত’ ছবিতে জুটি বাঁধেন ববিতা-জাফর ইকবাল। এ ছবিতে কাজ করতে গিয়ে শুরু হয় তাঁদের মন দেওয়া-নেওয়া। সবার আশা ছিল বাস্তব জীবনেও তাঁরা জুটি বাঁধবেন। না, তা আর হয়নি। এ সম্পর্ক ভাঙার জন্য ববিতাই নাকি দায়ী ছিলেন। চলচ্চিত্র জগতে তাঁদের প্রেমকাহিনির চর্চা এখনো হয়। ববিতাকে হারিয়ে বিরহকাতর জাফর গেয়ে ওঠেন ‘সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী, হয়ে কারও ঘরনি, জেনে রেখো প্রেম কভু মরেনি।’
![প্রথম বিয়ে [Click and drag to move] ](https://cdn.bd-pratidin.com/public/news_images/share/photo/shares/Print/2026/06/June/29-06-2026/BP-26'06'29-1AAA.jpg)
ফেরদৌস ওয়াহিদ মেয়েটিকে দেখলে অন্ধ হয়ে যেতেন
আমাদের বয়সটা খুবই কম ছিল। একটি মেয়ে আমাদের বাসায় বেড়াতে আসত। আমরা একই পাড়ায় থাকতাম। আমার সামনে যখন আসত তখন আমি বোধকরি অন্ধ হয়ে যেতাম। তাকে আমি আমার প্রস্তাব দিতে পারিনি। ভাবতাম যদি সে আমাকে খারাপ কিছু ভাবে। তাকে আর ভালো লাগার কথা বলার সাহস পাইনি।
![প্রথম বিয়ে [Click and drag to move] ](https://cdn.bd-pratidin.com/public/news_images/share/photo/shares/Print/2026/06/June/29-06-2026/BP-26'06'29-1AAAA.jpg)
মিমকে দেওয়া চিঠি ছিল রক্ত দিয়ে লেখা
ক্লাস এইটে পড়ি। সে ছিল ক্লাসমেট। কোচিং সেন্টারের সিঁড়িতে সে প্রতিদিনই দাঁড়িয়ে থাকত। শুরুতে অপলক তাকিয়ে থাকার মধ্যেই সবকিছু সীমাবদ্ধ ছিল। এর কিছুদিন পর সে চিঠি দেওয়া শুরু করল। চিঠি নিতে না চাইলে সিঁড়ি থেকে সে একচুলও নড়ত না। কী আর করা, বাধ্য হয়ে তার চিঠি নিতাম। কিন্তু তা নিজের কাছে রাখতাম না। আমার এক বান্ধবী সেই ছেলেটিকে পছন্দ করত। তাকেই সব চিঠি দিয়ে দিতাম। এরপর এক দিন অন্যরকম এক চিঠি দিল। সে চিঠি ছিল রক্ত দিয়ে লেখা! এটা দেখে চমকে গিয়েছিলাম।