বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায়ের জেরে উরুগুয়ের ফুটবলারদের জন্য বরাদ্দকৃত চার্টার্ড ফ্লাইটটি বাতিল করে দিয়েছে দেশটির সরকার। বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল হওয়ার ফুটবলারদের এখন একযোগে দেশে ফিরেত পারছেন না। তাদের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে আলাদা বিমানে দেশে যেতে হবে।
স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের আগে কৌশল ও প্রশিক্ষণের পদ্ধতি নিয়ে খেলোয়াড়দের তোপের মুখে পড়া উরুগুয়ের কোচ মার্সেলো বিয়েলসা দলের দ্রুত বিদায়ের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। এমনকি ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনেও তিনি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন।
বিয়েলসা বলেন, উরুগুয়ের ফুটবলের জন্য আমি কিছুই রেখে যেতে পারিনি। কারণ কোনো দেশে তিন বছর কাজ করার সময় একজন কোচ যে ধরনের সমর্থনই দিন না কেন, কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না পেলে তার কোনো প্রভাবই স্থায়ী হয় না।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চতুর্থ স্থান বা কোপা আমেরিকায় তৃতীয় স্থান—এগুলোর কোনোটিই শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসেনি। এবারের পারফরম্যান্সের কথা তো আর নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে আমার মেয়াদের সময়কে কীভাবে মনে রাখা হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি আসলে কিছুই রেখে যেতে পারিনি।
বিশ্বকাপে কোনো দলের কোচ হিসেবে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার ঘটনা বিয়েলসার জন্য এটিই দ্বিতীয়বার। এর আগে ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা তার অধীনে গ্রুপ পর্ব পার হতে ব্যর্থ হয়েছিল। তবে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে চিলিকে শেষ ষোলোয় পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি। যা বিশ্বকাপে তার কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্য।
বিডি প্রতিদিন/আরকে