শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

মফিজুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন-অগ্রগতি বিশ্বের অনেক দেশের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। বিশ্বে বাংলাদেশকে পরিচিত করার ক্ষেত্রে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে তৈরি পোশাক শিল্প। শুধু গার্মেন্টসের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও বহুমুখী করতে গার্মেন্টস বা তৈরি পোশাকশিল্পের বিকল্প গড়ে তোলাও অত্যন্ত জরুরি। প্রধানত প্রযুক্তিপণ্য, চামড়াজাত দ্রব্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং হালকা প্রকৌশলশিল্পে নজর দিয়ে রপ্তানি আয় বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। তরুণ প্রজন্মের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে গ্লোবাল আউটসোর্সিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও ডিজিটাল সেবায় বিলিয়ন ডলারের বাজার ধরা সম্ভব। হাই-টেক পার্কগুলো ইতোমধ্যে এই খাতের ভিত্তি তৈরি করছে। বাংলাদেশের চামড়ার আন্তর্জাতিক মান বেশ ভালো। বিশ্বমানের ব্র্যান্ডগুলোর জন্য জুতা ও ব্যাগ তৈরি করে গার্মেন্টস খাতের শূন্যস্থান অনেকাংশেই পূরণ করা সম্ভব। দেশীয় চাহিদার ৯৮ শতাংশ মিটিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে। এপিআই পার্ক চালুর মাধ্যমে কাঁচামাল উৎপাদনে স্বাবলম্বী হলে এই খাত আরও প্রসারিত হবে। আম, সবজি, মসলা ও মাছ প্রক্রিয়াজাত করে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানির বিশাল সুযোগ রয়েছে। সাইকেল, মোটরপার্টস, ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম ও গৃহস্থালি সামগ্রী তৈরি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যায়।

আমাদের দেশ ঘনবসতিপূর্ণ। জনসংখ্যা এবং শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেলেও আমরা আমাদের জনসংখ্যা জনসম্পদে রূপান্তর করতে পারছি না। শিক্ষার হার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বেকারত্ব। একটা দেশের যত প্রকার সম্পদ রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হলো সে দেশের জনসংখ্যা। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে পারলেই একটা দেশ উন্নত হতে পারে। জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করার জন্য কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা, দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার, কৃষিভিত্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সম্প্রসারণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার প্রাকৃতিক সম্পদ, উর্বর ভূমি, অনুকূল আবহাওয়া এবং বিপুল কর্মক্ষম জনশক্তি। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে বছরের একটি বড় সময় তীব্র শীত, তুষারপাত বা প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অথচ বাংলাদেশে প্রায় সারা বছরই উৎপাদন, কৃষিকাজ এবং শিল্প কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। এই প্রাকৃতিক সুবিধাকে আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি।

আমাদের দেশে মৌসুমভিত্তিক বিপুল পরিমাণ ফলমূল উৎপাদিত হয়। আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, পেয়ারা, কলাসহ অসংখ্য ফলের প্রাচুর্য রয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাবে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ফল নষ্ট হয়ে যায়। মৌসুমে যে ফলের দাম থাকে পানির দরের মতো, কয়েক মাস পর সেই একই সময়ে বিদেশি আপেল, কমলা বা অন্যান্য ফল আমদানি করতে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে হয়। যদি আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ, খাদ্যসংরক্ষণ এবং ফুড প্রসেসিং শিল্প গড়ে তোলা যায়, তাহলে দেশীয় ফল সারা বছর সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। শুধু দেশের চাহিদাই পূরণ হবে না, বরং আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।

একই কথা কৃষি খাতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আজও আমাদের অনেক কৃষক অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেন। অথচ আধুনিক কৃষির মূল ভিত্তি হলো বিজ্ঞান। মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করে কোন জমিতে কী পরিমাণ পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন, কোন ফসলের জন্য কী ধরনের ব্যবস্থাপনা দরকার এসব নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব। বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থাপনা চালু করতে পারলে উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, উৎপাদন খরচ কমবে এবং কৃষকের আয় বাড়বে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। চীনের বিভিন্ন প্রদেশ, ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, তুরস্ক, সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করে একটি বিষয় খুব স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করেছি বাংলাদেশের সম্ভাবনা অসাধারণ। অনেক দেশ তাদের ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা, প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব কিংবা সীমিত জনশক্তির কারণে নির্দিষ্ট কিছু খাতের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যেখানে কৃষি, শিল্প, মানবসম্পদ, প্রযুক্তি এবং উদ্যোক্তা শক্তি সবকিছুর সমন্বয়ে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।

মালদ্বীপের অর্থনীতি মূলত পর্যটন ও মৎস্য খাতনির্ভর। শ্রীলঙ্কা চা, রাবার এবং সীমিত কিছু কৃষিপণ্যের ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ তেল ও গ্যাসনির্ভর। কিন্তু বাংলাদেশের সামনে সম্ভাবনার ক্ষেত্র অনেক বিস্তৃত। আমাদের রয়েছে উর্বর ভূমি, বিপুল জনসংখ্যা, কৃষি উৎপাদনের সক্ষমতা, সমুদ্রবন্দর, নদীপথ এবং একটি কর্মক্ষম তরুণ প্রজন্ম। এই সম্পদগুলোকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে পারে।

আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানুষ। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বিদেশে অদক্ষ বা স্বল্প দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কর্মসংস্থানের জন্য যান। ভাষাগত সীমাবদ্ধতা এবং পেশাগত দক্ষতার অভাবে তারা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কাঙ্ক্ষিত অবস্থান অর্জন করতে পারেন না। ফলে তাদের শ্রমের প্রকৃত মূল্যও অনেক সময় পাওয়া যায় না। আজ সময় এসেছে মানবসম্পদ উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রাধিকারের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা গেলে বিদেশে উচ্চ আয়ের কর্মসংস্থান যেমন বাড়বে তেমনি দেশেও নতুন শিল্প ও সেবা খাত গড়ে উঠবে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাহাজনির্মাণ শিল্পে আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি দেখিয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে সঠিক পরিকল্পনা, নীতি সহায়তা এবং উদ্যোক্তা উদ্যোগ থাকলে নতুন শিল্প খাতেও আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে সফল হতে পারি। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হলে রাজধানীকেন্দ্রিক উন্নয়নের চাপও কমবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

আমাদের উচিত কৃষিকে শুধু উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কৃষিভিত্তিক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করা। আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ, ফুড প্রসেসিং, প্যাকেজিং এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এতে কৃষকের আয় বাড়বে, খাদ্য অপচয় কমবে, আমদানিনির্ভরতা হ্রাস পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশের সম্ভাবনা অনেক। প্রয়োজন শুধু সঠিক পরিকল্পনা, দক্ষ নেতৃত্ব, বাস্তবভিত্তিক নীতি এবং জাতীয় ঐক্য। আমরা যদি আমাদের সম্পদ, শ্রম, মেধা এবং সুযোগগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি, তবে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল এবং মর্যাদাবান বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। এখন প্রয়োজন সেই ভবিষ্যৎকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহস, দক্ষতা এবং সুদূরপ্রসারী চিন্তা।

লেখক : বাজার বিশ্লেষক ও অর্থব্যবস্থাপনা পরামর্শক

এই বিভাগের আরও খবর
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত
অর্থনৈতিক করিডর
অর্থনৈতিক করিডর
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
রাষ্ট্রেরও চরিত্র থাকে
রাষ্ট্রেরও চরিত্র থাকে
ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
সর্বশেষ খবর
‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের
‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের

১১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পৃথিবীতে টেলিস্কোপের আছড়ে পড়া ঠেকাতে নাসার ৩ কোটি ডলারের মিশন
পৃথিবীতে টেলিস্কোপের আছড়ে পড়া ঠেকাতে নাসার ৩ কোটি ডলারের মিশন

১৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ : ভাঙছে তাপমাত্রার রেকর্ড, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ
ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ : ভাঙছে তাপমাত্রার রেকর্ড, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডা–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু
কানাডা–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে তেহরান-দুবাই ফ্লাইট
আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে তেহরান-দুবাই ফ্লাইট

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না

৩৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব হবে না’
‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব হবে না’

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী: মো. তারেক
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী: মো. তারেক

৫৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ে ক্ষুব্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, তদন্তের নির্দেশ
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ে ক্ষুব্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, তদন্তের নির্দেশ

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির ওরিয়েন্টেশন শুরু
শাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির ওরিয়েন্টেশন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড
নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২৪ দিন পর র‍্যাব ক্যাম্পে নিজেই হাজির অপহৃত ব্যক্তি ইমতিয়াজ
২৪ দিন পর র‍্যাব ক্যাম্পে নিজেই হাজির অপহৃত ব্যক্তি ইমতিয়াজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোর সমুদ্রসৈকতে কুমিরের আক্রমণে পর্যটকের মৃত্যু
মেক্সিকোর সমুদ্রসৈকতে কুমিরের আক্রমণে পর্যটকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

জোতাকে স্মরণ করেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে পর্তুগাল
জোতাকে স্মরণ করেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে পর্তুগাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে নেওয়া ৩২০টি শটের কতটি গোল হয়েছে?
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে নেওয়া ৩২০টি শটের কতটি গোল হয়েছে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য
পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য

২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী
জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক
প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নকআউট পর্বে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষায় কানাডা-দ. আফ্রিকা
নকআউট পর্বে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষায় কানাডা-দ. আফ্রিকা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রিসোর্টের পুলে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু
রিসোর্টের পুলে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

খিলগাঁওয়ে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে জখম
খিলগাঁওয়ে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে জখম

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পেলেন তামিম
এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পেলেন তামিম

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে : ইসি
অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে : ইসি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে নাসার ক্যামেরায় তারার অপরূপ দৃশ্য
২৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে নাসার ক্যামেরায় তারার অপরূপ দৃশ্য

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

চলতি অর্থবছরের ২৭ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩ শতাংশ
চলতি অর্থবছরের ২৭ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩ শতাংশ

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হারারে টেস্টের প্রথম দিনে ব‍্যাটে-বলে পিছিয়ে বাংলাদেশ
হারারে টেস্টের প্রথম দিনে ব‍্যাটে-বলে পিছিয়ে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?
নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প
হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি
মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা
নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর
এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা
ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা
মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই
মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাম বেড়ে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে স্বর্ণের ভরি কত?

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও তীব্র যুদ্ধ
আবারও তীব্র যুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক

শোবিজ

পরীর নতুন প্রজেক্ট
পরীর নতুন প্রজেক্ট

শোবিজ

বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...
বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...

শোবিজ

নওয়াজের জীবনসংগ্রাম
নওয়াজের জীবনসংগ্রাম

শোবিজ

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট

নগর জীবন

রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

প্রথম পৃষ্ঠা

চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

সম্পাদকীয়

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়

সম্পাদকীয়

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

দেশগ্রাম

দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’
দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’

প্রাণের ক্যাম্পাস

বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

দেশগ্রাম

বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং
হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

দেশগ্রাম

হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার

প্রথম পৃষ্ঠা

নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা
মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

দেশগ্রাম

রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ
রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ

মাঠে ময়দানে

নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত

সম্পাদকীয়