যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সাথে সংঘাতের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছিল ইরান। তবে গত ১৫ জুন বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়। এর ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তেহরান ও দুবাইয়ের মধ্যে আবারও সরাসরি ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে। সোমবার থেকে এই রুটে বিমান চলাচল শুরু হবে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
তেহরানের ইমাম খোমেনি বিমানবন্দরের প্রধান রামিন কাশেফাজার জানিয়েছেন, তেহরান-দুবাই রুটে ফ্লাইট আবার চালুর জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের ফ্লাইটের টিকিট ‘সেপেহরান’ এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।
যুদ্ধের সময় দুবাই বিমানবন্দরে বেশ কয়েকবার ড্রোন হামলা হয়েছিল। এর ফলে তখন বিমান চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। যুদ্ধের শুরুর দিকের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যাত্রীদের বসার জায়গার খুব কাছেই একটি ড্রোন আছড়ে পড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন ও মিসাইল ছুড়েছিল ইরান। তবে ইরানের দাবি, তারা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট জায়গায় হামলা করেছে, সাধারণ মানুষের কোনো স্থাপনায় নয়।
যুদ্ধের আগে দুবাই বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দর ছিল। তবে সংঘাতের কারণে সেখানে যাত্রীর সংখ্যা ৬৬ শতাংশ কমে যায়।
গত ১৫ জুন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে যে প্রাথমিক সমঝোতা হয়, তার পর থেকেই পরিস্থিতি শান্ত হতে শুরু করে। যদিও এর মাঝে মাঝে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। তবে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগামী ৬০ দিন এই দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাবে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে