বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে উঠেছে কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই। দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে এসে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।
শুরুর দিকে দুই দলই কিছুটা সতর্ক ফুটবল খেললেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণের গতি বাড়ায় কানাডা। মাঝমাঠের দখল নিয়ে তারা বারবার দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে। কর্নার ও প্রান্তভাগের আক্রমণ থেকে কয়েকটি ভালো সুযোগও তৈরি হয়।
ম্যাচের বাইশতম মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া দারুণ এক সুযোগ নষ্ট করেন কানাডার এক রক্ষণভাগের খেলোয়াড়। একেবারে অরক্ষিত অবস্থায় বল পেলেও ঠিকভাবে মাথা ছোঁয়াতে না পারায় সহজ সুযোগ হাতছাড়া হয়। পরে আরও কয়েকটি আক্রমণে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ ও গোলরক্ষক দৃঢ়তা দেখিয়ে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকাও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার কানাডার রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে। দূরপাল্লার শট, প্রান্ত দিয়ে ওঠা আক্রমণ এবং কর্নার থেকে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও কানাডার গোলরক্ষক আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সব সামাল দেন।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে কানাডা সবচেয়ে বড় সুযোগটি পায়। কর্নার থেকে জোরালো মাথার আঘাতে বল প্রায় জালে ঢুকেই যাচ্ছিল। কিন্তু গোলরেখায় দাঁড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার এক ডিফেন্ডার অসাধারণ দক্ষতায় বল ফিরিয়ে দেন। ফিরতি বল থেকেও কানাডার আরেকটি শট গোলরক্ষকের গায়ে লেগে ফিরে যায়। পরপর দুই দফায় নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দলকে স্বস্তি এনে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়েরা।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে ছিল কানাডা। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ, গোলরক্ষকের দৃঢ়তা এবং গোলরেখায় অবিশ্বাস্য প্রতিরোধের কারণে বিরতিতে কোনো দলই এগিয়ে যেতে পারেনি। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিডি-প্রতিদিন/এআইডি