শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৪, সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

রাষ্ট্রেরও চরিত্র থাকে

জিল্লুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
রাষ্ট্রেরও চরিত্র থাকে

রাষ্ট্রেরও চরিত্র থাকে

কোনো কোনো সপ্তাহে চারটি আলাদা ঘটনা যেন একটি বড় গল্পের চারটি অধ্যায় হয়ে ওঠে। প্রথমে মনে হয়, এদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। একটি কূটনীতি, একটি বাণিজ্য, একটি যুদ্ধ, আরেকটি নিছক জীবনদর্শন। কিন্তু একটু গভীরে তাকালে দেখা যায়, চারটির কেন্দ্রেই রয়েছে একটি শব্দ-বিচক্ষণতা। রাষ্ট্রের যেমন চরিত্র থাকে, মানুষেরও থাকে। রাষ্ট্র যেমন প্রতিটি প্রস্তাব গ্রহণ করে না, মানুষও তেমনি প্রতিটি শব্দের উত্তর দেয় না। রাষ্ট্র যেমন সব শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখে, কিন্তু কারও অধীন হয় না; মানুষও তেমনি সবার সঙ্গে সৌজন্য বজায় রাখে, কিন্তু সবার জন্য নিজের ভিতরের দরজা খুলে দেয় না। এই সপ্তাহের ঘটনাগুলো যেন সেই পুরোনো সত্যটিকেই নতুন করে মনে করিয়ে দিল।

১. চীন, মালয়েশিয়া এবং সুযোগের রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা যতটা হয়েছে, অর্থনৈতিক আলোচনা ততটা হয়নি। অথচ আধুনিক কূটনীতির সাফল্য আর করমর্দনের ছবিতে মাপা হয় না; মাপা হয় বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, কর্মসংস্থান, বাজার এবং আস্থার অঙ্কে। মালয়েশিয়া শুধু শ্রমবাজার নয়; দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত কেন্দ্র। অন্যদিকে চীন অবকাঠামো, শিল্প, উৎপাদন এবং বিনিয়োগে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার। কিন্তু এই দুটি সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা অন্যত্র। 

বাংলাদেশের সামনে এখন ‘কার সঙ্গে যাব’, এই প্রশ্ন নেই। প্রশ্ন হলো, কীভাবে সবার সঙ্গে সম্পর্ক রেখে নিজের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ করা যায়। একসময় বিশ্বায়ন আমাদের শিখিয়েছিল দক্ষতার ভাষা। এখন ভূরাজনীতি শেখাচ্ছে স্থিতিস্থাপকতার ভাষা। সরবরাহ শৃঙ্খল বদলাচ্ছে, নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠছে, উৎপাদনের মানচিত্র পুনর্লিখিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনের ভিতরেই বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। কূটনীতি কখনো পক্ষ বেছে নেওয়ার শিল্প নয়; কূটনীতি হলো বিকল্প তৈরি করার শিল্প।

২. আমেরিকার জন্মদিন, ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের পরীক্ষা

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস সামনে। ১৭৭৬ সালের সেই ঘোষণাপত্র শুধু একটি দেশের জন্ম দেয়নি; রাষ্ট্র, স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার একটি নতুন রাজনৈতিক ধারণারও জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু আজকের আমেরিকা আর ১৭৭৬ সালের আমেরিকা এক নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের পর আবারও ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি বৈশ্বিক বাণিজ্যকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছে। শুল্ক, প্রযুক্তি, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং নিরাপত্তা এখন একই আলোচনার অংশ।

বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী? অর্থ হলো, আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি কারও ঘনিষ্ঠ হওয়া নয়; বিশ্বাসযোগ্য হওয়া। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানি বাজার। ইউরোপ প্রধান ক্রেতা। চীন বড় বিনিয়োগকারী। ভারত অপরিহার্য প্রতিবেশী। জাপান উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগী। এদের কাউকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ লেখা সম্ভব নয়। ছোট রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার ভারসাম্য। একজন দক্ষ মাঝি বাতাসের সঙ্গে যুদ্ধ করেন না; তিনি শুধু পাল বদলে দেন। রাষ্ট্র পরিচালনাও তেমনি। সময়ের পরিবর্তনকে অস্বীকার করে নয়, বুঝে এগোতে হয়। যে রাষ্ট্র নিজের কম্পাস নিজে ধরে রাখতে পারে, শেষ পর্যন্ত তারাই অন্যদের ভূরাজনীতিকাছে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হয়ে ওঠে।

তবে একটি বিষয় আমাদের কখনো ভুলে গেলে চলবে না। ভূরাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধু বলে কিছু নেই, যেমন স্থায়ী শত্রুও নেই। স্থায়ী থাকে কেবল জাতীয় স্বার্থ। আজ যে দেশ আমাদের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী, কাল সে-ই কোনো বাণিজ্যিক ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিতে পারে। আবার যে দেশ আজ শুল্ক আরোপ করছে, আগামীকাল সে-ই নতুন বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে আসতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই বাস্তবতাকে আবেগ দিয়ে নয়, প্রজ্ঞা দিয়ে বুঝতে হয়।

বাংলাদেশের সামনে আজ একটি বিরল সুযোগ রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আমরা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থান করছি। বঙ্গোপসাগর আজ আর শুধু সমুদ্র নয়; এটি জ্বালানি, বাণিজ্য, নৌ-নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডর। যে রাষ্ট্র এই পরিবর্তন বুঝতে পারবে, ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক মানচিত্রে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

কিন্তু একটি বন্দর নির্মাণের চেয়েও কঠিন কাজ হলো আস্থা নির্মাণ। বিদেশি বিনিয়োগ আসে শুধু কর-সুবিধা দেখে নয়; আসে নীতির ধারাবাহিকতা, আইনের শাসন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর ভর করে। তাই কূটনীতির সাফল্য শেষ পর্যন্ত দেশের ভিতরের সুশাসনের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলেন, ছোট রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার সামরিক শক্তি নয়; তার বিশ্বাসযোগ্যতা। একটি নির্ভরযোগ্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সবাই কাজ করতে চায়। কারণ সেখানে সিদ্ধান্ত হঠাৎ বদলে যায় না, নীতির ধারাবাহিকতা থাকে, আর প্রতিশ্রুতির মূল্য থাকে।

৩. যুদ্ধের সবচেয়ে বড় শিকার

আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধ শুধু সীমান্তে হয় না; মানুষের মনেও হয়। একসময় যুদ্ধ শুরু হতো কামানের গর্জনে। এখন শুরু হয় একটি ভিডিও, একটি পোস্ট, একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্মিত ছবি কিংবা একটি বিভ্রান্তিকর শিরোনাম দিয়ে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত আবারও দেখিয়ে দিয়েছে, তথ্য এখন শুধু সংবাদ নয়; এটি একটি কৌশলগত অস্ত্র।

আমরা এমন এক যুগে বাস করছি, যেখানে তথ্যের অভাব নেই; বরং তথ্যের অতিরিক্ততাই মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। সত্যকে গোপন করার চেয়ে তাকে অসংখ্য শব্দের ভিড়ে হারিয়ে দেওয়া এখন অনেক সহজ। রাষ্ট্রের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষা। বিনিয়োগ আস্থার ওপর দাঁড়ায়, আস্থা দাঁড়ায় বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ওপর। তাই সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং কৌশলগত যোগাযোগ আজ আর বিলাসিতা নয়; জাতীয় সক্ষমতার অংশ।

জর্জ অরওয়েল একসময় লিখেছিলেন, ক্ষমতা শুধু মানুষের ওপর নয়, সত্যের ওপরও প্রতিষ্ঠিত হতে চায়। ডিজিটাল যুগে সেই কথার নতুন অর্থ তৈরি হয়েছে। এখন যে বয়ান তৈরি করতে পারে, সে-ই অনেক সময় বাস্তবতাকেও প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশেরও তাই নিজের গল্প নিজেকেই বলতে হবে। অন্যের ভাষায় নিজের পরিচয় লিখতে গেলে, একসময় নিজের পরিচয়ই অস্পষ্ট হয়ে যায়।

৪. সব আলো পথ দেখায় না

জীবনের একটি বড় শিক্ষা হলো, সব আলো পথ দেখায় না। কিছু আলো শুধু চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। সব শব্দের উত্তর শব্দ দিয়ে দিতে হয় না। কিছু ঝড়ের সবচেয়ে ভালো উত্তর জানালা বন্ধ করে দেওয়া। কিছু দূরত্ব সম্পর্ককে রক্ষা করে। কিছু নীরবতা মর্যাদাকে বাঁচিয়ে রাখে। আজ ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র, সবাই যেন প্রতিনিয়ত প্রতিক্রিয়া জানানোর চাপে আছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের এমন এক সংস্কৃতি তৈরি করেছে, যেখানে নীরবতাকে দুর্বলতা মনে করা হয়। অথচ ইতিহাস বলে, সবচেয়ে পরিণত সিদ্ধান্তগুলো প্রায়ই সবচেয়ে শান্ত পরিবেশেই নেওয়া হয়। বুদ্ধ নীরবতার শক্তি জানতেন। রবীন্দ্রনাথ নিঃসঙ্গতার শক্তি জানতেন। জীবনানন্দ জানতেন, মানুষের সবচেয়ে গভীর সংলাপ অনেক সময় নিজের সঙ্গেই হয়।

রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও তাই। যে রাষ্ট্র প্রতিটি উত্তেজনায় প্রতিক্রিয়া দেখায়, সে একসময় নিজের অগ্রাধিকার হারিয়ে ফেলে। কিন্তু যে রাষ্ট্র জানে কখন কথা বলতে হয়, কখন অপেক্ষা করতে হয়, আর কখন কেবল পর্যবেক্ষণ করতে হয়-দীর্ঘ মেয়াদে তারাই স্থিতিশীল থাকে। আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে তথ্যের গতি আলোর গতির মতো, কিন্তু প্রজ্ঞার গতি এখনো মানুষের বিবেকের ওপর নির্ভরশীল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের যুক্ত করেছে, কিন্তু একই সঙ্গে বিভক্তও করেছে। অ্যালগরিদম আমাদের পছন্দকে এমনভাবে পরিচালিত করে যে আমরা ধীরে ধীরে শুধু নিজের মতের প্রতিধ্বনি শুনতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। ভিন্নমত তখন আর যুক্তি নয়, শত্রু বলে মনে হয়।

এই প্রবণতা শুধু সমাজের জন্য নয়, গণতন্ত্রের জন্যও একটি নীরব ঝুঁকি। কারণ গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি মতের মিল নয়; মতের ভিন্নতাকে ধারণ করার ক্ষমতা। বাংলাদেশের মতো একটি বহুমাত্রিক সমাজে তাই সহনশীলতা শুধু নৈতিক গুণ নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনারও অপরিহার্য শর্ত। আমরা যদি প্রতিটি মতপার্থক্যকে সংঘাতে পরিণত করি, তাহলে উন্নয়নের গতি থেমে যাবে। আর যদি ভিন্নমতকে আলোচনায় রূপ দিতে পারি, তাহলে সেটিই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

শেষ কথা

একজন প্রবীণ কূটনীতিক একবার বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রের পরিপক্বতা বোঝা যায় সে কত জোরে কথা বলে তা দিয়ে নয়; সে কত মনোযোগ দিয়ে শোনে তা দিয়ে।’ এই কথাটির ভিতরে আজকের বাংলাদেশের জন্য একটি বড় শিক্ষা লুকিয়ে আছে। আমাদের এখন শুধু বিশ্বকে বোঝানোর প্রয়োজন নেই; বিশ্ব কীভাবে বদলাচ্ছে, সেটিও মনোযোগ দিয়ে শোনার প্রয়োজন আছে। কারণ ইতিহাস কখনো স্থির থাকে না। যে রাষ্ট্র পরিবর্তনের ভাষা বুঝতে পারে, ভবিষ্যৎও অনেক সময় তার পক্ষেই কথা বলে। চারটি প্রসঙ্গ-চীন ও মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, বিশ্ব সংঘাত এবং নীরবতার দর্শন। আপাতদৃষ্টিতে ভিন্ন, কিন্তু মূল শিক্ষা একটিই। রাষ্ট্র পরিচালনা শেষ পর্যন্ত শক্তির নয়, চরিত্রের পরীক্ষা।

আমরা এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যখন বিশ্বের বড় শক্তিগুলো নিজেদের অবস্থান পুনর্নির্ধারণ করছে। এই পরিবর্তনের ভিতরে বাংলাদেশের সামনে যেমন ঝুঁকি রয়েছে, তেমনি বিরল সুযোগও রয়েছে। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে আমাদের প্রয়োজন আত্মবিশ্বাসী, ভারসাম্যপূর্ণ এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা। সব দরজা খুলে রাখতে হয়, কিন্তু নিজের ঘরের চাবি কখনো অন্যের হাতে তুলে দেওয়া যায় না। মানুষের ক্ষেত্রেও তাই, রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও তাই। শেষ পর্যন্ত ইতিহাস তাদেরই মনে রাখে, যারা সবচেয়ে বেশি আওয়াজ করেনি; বরং সবচেয়ে স্পষ্টভাবে নিজেদের চিনেছিল।

লেখক : প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

এই বিভাগের আরও খবর
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত
অর্থনৈতিক করিডর
অর্থনৈতিক করিডর
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
সর্বশেষ খবর
রাজধানীর শাহবাগে ৪০ লাখ জাল টাকাসহ গ্রেফতার ৪
রাজধানীর শাহবাগে ৪০ লাখ জাল টাকাসহ গ্রেফতার ৪

এই মাত্র | নগর জীবন

শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ ষোলোতে কানাডা
শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ ষোলোতে কানাডা

৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জয় মিলেছে, কিন্তু দুর্বলতা কাটেনি ইংল্যান্ডের
জয় মিলেছে, কিন্তু দুর্বলতা কাটেনি ইংল্যান্ডের

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন বিল উত্থাপন
সংসদে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন বিল উত্থাপন

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতায় কানাডা- দক্ষিণ আফ্রিকা
প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতায় কানাডা- দক্ষিণ আফ্রিকা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে টর্চ জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সামরিক অভিযানের স্প্লিন্টারের আঘাতে কাতারের নাগরিক নিহত
সামরিক অভিযানের স্প্লিন্টারের আঘাতে কাতারের নাগরিক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে হারিয়ে চমক দেখাতে চায় জাপান
বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে হারিয়ে চমক দেখাতে চায় জাপান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের
‘স্টিগমা’ মুক্ত হয়ে এনসিপিকে রাজনীতিতে পরিষ্কার অবস্থান তৈরির পরামর্শ মির্জা ফখরুলের

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পৃথিবীতে টেলিস্কোপের আছড়ে পড়া ঠেকাতে নাসার ৩ কোটি ডলারের মিশন
পৃথিবীতে টেলিস্কোপের আছড়ে পড়া ঠেকাতে নাসার ৩ কোটি ডলারের মিশন

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ : ভাঙছে তাপমাত্রার রেকর্ড, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ
ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ : ভাঙছে তাপমাত্রার রেকর্ড, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডা–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু
কানাডা–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে নকআউট পর্ব শুরু

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে তেহরান-দুবাই ফ্লাইট
আগামীকাল থেকে চালু হচ্ছে তেহরান-দুবাই ফ্লাইট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব হবে না’
‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে জামায়াতের নেতৃত্বে কোনো বিপ্লব হবে না’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী: মো. তারেক
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী: মো. তারেক

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ে ক্ষুব্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, তদন্তের নির্দেশ
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ে ক্ষুব্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট, তদন্তের নির্দেশ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির ওরিয়েন্টেশন শুরু
শাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির ওরিয়েন্টেশন শুরু

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড
নাটকীয় ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিতলো আয়ারল্যান্ড

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২৪ দিন পর র‍্যাব ক্যাম্পে নিজেই হাজির অপহৃত ব্যক্তি ইমতিয়াজ
২৪ দিন পর র‍্যাব ক্যাম্পে নিজেই হাজির অপহৃত ব্যক্তি ইমতিয়াজ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোর সমুদ্রসৈকতে কুমিরের আক্রমণে পর্যটকের মৃত্যু
মেক্সিকোর সমুদ্রসৈকতে কুমিরের আক্রমণে পর্যটকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

জোতাকে স্মরণ করেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে পর্তুগাল
জোতাকে স্মরণ করেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে পর্তুগাল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে নেওয়া ৩২০টি শটের কতটি গোল হয়েছে?
বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে নেওয়া ৩২০টি শটের কতটি গোল হয়েছে?

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য
পাখির ভাষার রহস্য উন্মোচনে মার্কিন বিজ্ঞানীর সাফল্য

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী
জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের আগে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক
প্রাইভেটকারে গরু তুলে পালানোর সময় দুই চোর আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নকআউট পর্বে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষায় কানাডা-দ. আফ্রিকা
নকআউট পর্বে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষায় কানাডা-দ. আফ্রিকা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি
পেলে-ম্যারাডোনা-রোনালদো যা পারেননি, তা-ই করে দেখালেন মেসি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই  চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’
‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে’

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
জর্ডানকে হারিয়ে বাংলাদেশের জন্য যে বার্তা দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরান কখনোই শিক্ষা নেবে না, আমরাও ধৈর্য ধরব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা
'বাপ কা বেটা': আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই প্রজন্মের অনন্য এক রূপকথা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব খোকনের

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?
নকআউটে উঠেছে ৩২ দল, কে খেলবে কার বিপক্ষে?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি
এমবাপে-হালান্ড-ভিনি পিছনে : গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে মেসি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
স্কালোনির ‘বেঞ্চ পাওয়ার’: ৯ পরিবর্তন নিয়েও জর্ডানকে ওড়ালো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প
হামলা অব্যাহত রাখলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইরানের ‘অস্তিত্ব মুছে যাবে’: ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি
মেসি-রোনালদো নন, ট্রাম্পের চোখে সেরা ব্রাজিলের কিংবদন্তি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা
ব্রাজিল-জাপানের রেকর্ডে ভাগ বসালো আর্জেন্টিনা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!
ইরানের ১ম সমীকরণ মিস, এখন বাকি মাত্র ২টা লাইফলাইন!

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল
বেঞ্চ থেকে নেমেই ফ্রি কিকে মেসির গোল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?
অপরাজেয় দৌড়: ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা রেকর্ড থেকে এখনো কত পিছনে মেসিরা?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা
নকআউটে রোনালদোদের প্রতিপক্ষ কারা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর
এক কিউআরেই সব পেমেন্ট: যা বললেন গভর্নর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪
হরমুজ প্রণালির কাছে সৌদি তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা
ইতালির স্বপ্নে ২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ মাদারীপুরে হেমায়েত মোল্লা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা
মেসি-জাদুতে জর্ডান বধ, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই
মেসি-নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত, তবে শেষ পর্যন্ত ত্রাতা সেই চেনা জাদুকরই

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’
ভারতে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, আটক ‘মাস্টারমাইন্ড’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাম বেড়ে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম বেড়ে স্বর্ণের ভরি কত?

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত
২২ লাখ টাকা খুইয়ে লিবিয়ায় নিখোঁজ হেমায়েত

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
স্পারসোকে আধুনিক করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

পরীর নতুন প্রজেক্ট
পরীর নতুন প্রজেক্ট

শোবিজ

নওয়াজের জীবনসংগ্রাম
নওয়াজের জীবনসংগ্রাম

শোবিজ

বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...
বাচ্চাদের প্রিয় খালামণি...

শোবিজ

শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক
শাবানার ‘অবুঝ মন’ ৩০ বার দেখেন ওয়াহিদ সাদিক

শোবিজ

বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার
বিদেশি অস্ত্রসহ পাটালি গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও তীব্র যুদ্ধ
আবারও তীব্র যুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড
রামপুরায় হত্যায় তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব
সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি
সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির তদন্ত দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে
অর্থনীতি বহুমুখীকরণে বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে হবে

সম্পাদকীয়

অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়
অফিস সহায়ক চাকরিতে উচ্চশিক্ষিতের ভিড়

সম্পাদকীয়

চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’
দেশের প্রথম এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন প্ল্যাটফর্ম ‘বায়োনাইট’

প্রাণের ক্যাম্পাস

রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক
রাজধানীতে গণপিটুনিতে নিহত যুবক

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

দেশগ্রাম

লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট
লন্ডনের আদলে শিক্ষাবান্ধব বাজেট

নগর জীবন

নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার
নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেপ্তার

প্রথম পৃষ্ঠা

হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার
হয়রানিমূলক ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
অটোচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

দেশগ্রাম

বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা আমলে নিচ্ছি না

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং
হাতের টানে উঠছে কার্পেটিং

দেশগ্রাম

মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা
মেলান্দহে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

দেশগ্রাম

গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ
গ্যাস সংযোগ দাবিতে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ
রোনালদোয় সমস্যা দেখেন না কোচ

মাঠে ময়দানে

নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব
নেইমারের দিকে তাকিয়ে ফুটবলবিশ্ব

প্রথম পৃষ্ঠা

বনদস্যুর উৎপাত
বনদস্যুর উৎপাত

সম্পাদকীয়