কণ্ঠশিল্পী মিলা ইসলাম বলেন, যখন থেকে ক্যারিয়ার শুরু করেছি, তখন থেকেই আমি পজিটিভ ছিলাম এবং এখনো আমি পজিটিভ। আমি সব সময়ই চেয়েছি মানুষের পছন্দের মিলা আপু হয়ে থাকতে। মিউজিক আমাদের আনন্দের জায়গা। আমি তো খুব একটা স্যাড সং গাই না, সব সময় হ্যাপি গানই গাই। মানুষের লাইফে কত রকমের আপস অ্যান্ড ডাউন বা দুঃখ থাকে। কিন্তু এই মিউজিকের জায়গায় আমি খুব হ্যাপি থাকি এবং বাকি সব কিছু ভুলে যাই। মিউজিক সব সময়ই আমার জীবনের সবচেয়ে প্রায়োরিটি দেওয়ার মতো সুখের একটা জায়গা। মিলার কথায়, আল্লাহর রহমতে আমার কোনো আফসোসের জায়গা নেই। আমাদের জেনারেশনে আমরা যতটুকু কাজ করে এসেছি, এরপর যদি আমি জীবনে আর কোনো গান নাও গাই, তাহলেও সমস্যা নেই। ‘মিলা’ নামটা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে এবং সংগীতাঙ্গনে খোদাই হয়ে গেছে। এখন তো একটা ডিফারেন্ট জেনারেশন এসেছে। এখনকার অনেক গান হয়তো দুই-তিন দিন ট্রেন্ডিংয়ে থেকে হারিয়ে যায়। কিন্তু আমার ১৫ বা ১২ বছর আগের গানগুলো এখনো মানুষ শুনছে, এখনো ট্রেন্ডিংয়ে আছে। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে? আলহামদুলিল্লাহ, যতটুকু পেয়েছি সেটাই অনেক বড়। আক্ষেপ বা দুঃখের কোনো জায়গাই নেই, আমি অনেক হ্যাপি। তিনি বলেন, এই যে ‘কাণ্ডারি চল’ গানটা রিলিজ হলো, এটা নিয়েই এখন ব্যস্ততা। এছাড়া সামনে বেশ কিছু লাইভ কনসার্ট ও শো রয়েছে, সেগুলো নিয়েও কাজ চলছে। মিলা দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের সঙ্গে কাজ করলেন। তার কথায়, ফুয়াদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ডেফিনেটলি সব সময়ই ভালো। এর আগেও তো সব সময় উনার সঙ্গেই কাজ করেছি, আমার অলমোস্ট সব গানই তো ওনার সঙ্গে করা। উনি সব সময়ই আমার জন্য পারফেক্ট।