বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথমবার খেলতে এসেই বাজিমাত করেছে কেপভার্দে। পৃথিবীর অন্যতম ছোট দেশটি ‘এইচ’ গ্রুপে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়েকে রুখে দিয়েছে ড্র করে। এর মধ্যে আবার স্পেন বিশ্বকাপে ফেবারিট দল। আরেক প্রতিপক্ষ সৌদি আরবের বিপক্ষে ড্র করে অপরাজিত দল হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। মজার বিষয় হচ্ছে, শেষ বত্রিশেও তারা লড়বে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে। তাও আবার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অভিষেক আসরে তিন চ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে খেলাটাও গর্বের ব্যাপার।
গ্রুপে দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে রুখে দিয়েছে। নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও কি তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। না ড্র করার সুযোগ নেই। এক দলকে জিততেই হবে। ৪ জুলাই কেপভার্দে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে। কী ঘটবে ম্যাচে? যদি জরিপ চালানো যায়, তাহলে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, শতকরা ৯৯ ভাগ লোক বলবে আর্জেন্টিনা হেসেখেলে জিতবে। বাকি এক পার্সেন্ট হয়তো বলবে পচা শামুকেও তো পা কাটে। না, কেপভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়ো রীতিমতো হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, ‘আমরা পচা শামুক নই, রক্ত-মাংসে গড়া মানুষ বলেই তো বিশ্বকাপ খেলছি। আর্জেন্টিনা নিঃসন্দেহে অনেক অনেক শক্তিশালী দল। মেসি ছাড়াও বড় বড় তারকা রয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে ধরে নেওয়া হয়েছে আমরা গোলে ভেসে যাব।’ এখানেই থেমে থাকেননি কেপভার্দের গোলরক্ষক। মেসিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আসুন আমরা আপনাদের মাঠে স্বাগত জানাই। আপনারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বলে আমরা তো মাঠে দাঁড়িয়ে আপনাদের চেহারা দেখব না। সেরাটা দিয়েই লড়ব। ম্যাচ শেষে দেখা যাবে কে হাসে কে কাঁদে। ৯০ সালে আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে উদ্বোধনী ম্যাচে লড়েছিল। ম্যাচে কী ঘটেছিল মনে আছে। তুচ্ছ-তাচ্ছিল করা ক্যামেরুন জিতে যায়। সুতরাং, হুঁশিয়ারি করে দিচ্ছি এবং মেসিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বলছি রেফারির শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।