শিরোনাম
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৫৮
আপডেট : ৩১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:০৩
প্রিন্ট করুন printer

সোনামণির কোমল ত্বকের যত্ন হোক শতভাগ নিরাপদ প্রসাধনী

অনলাইন ডেস্ক

সোনামণির কোমল ত্বকের যত্ন হোক শতভাগ নিরাপদ প্রসাধনী

মায়ের কোল জুড়ে যখন আসে তার ফুটফুটে সোনামণি তখন তার মত আনন্দ বোধহয় আর কিছুতেই নেই। নবজাতকের জন্মের পর মায়ের পুরো পৃথিবীটাই থাকে তার সন্তানকে ঘিরে। তার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও যত্ন নিশ্চিত করাই তখন মায়ের প্রধান লক্ষ্য হয়ে ওঠে।  

মায়েদেরকে যে বিষয় গুলো নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয় তা হল বাচ্চার খাবার ও ত্বকের যত্ন। নবজাতকের জন্য বুকের দুধের যেমন কোন বিকল্প নেই ঠিক তেমনি তার কোমল ত্বকের যত্নে যেটাই ব্যবহার করা হোক না কেন, অবশ্যই তা হতে হবে ১০০ ভাগ নিরাপদ। সাধারণত শিশুদের ত্বক হয় খুবই নরম ও কোমল, তাই প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চেয়ে শিশুদের ত্বক স্বভাবতই অনেক বেশি স্পর্শকাতর। তাই শিশুর ত্বকে প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে একটু বেশীই যত্নের প্রয়োজন হয়। 

সময়ের সাথে সাথে বাচ্চাদের ত্বকের প্রাকৃতিক আত্মরক্ষামূলক বাধা বিকশিত হয়, তাই শুরুর বছরগুলিতে তাদের ত্বকে নিরাপদ এবং কোমল প্রোডাক্টগুলি ব্যবহার করা উচিত। একারণে সঠিক পণ্য ব্যবহার না করলে শিশুর ত্বকে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেজন্য আপনার সোনামণির জন্য একটি পণ্য ব্যবহার করার আগে বেশ কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখা উচিত। 

বাজারে আজকাল যে সমস্ত প্রসাধন সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে, তার বেশীরভাগেই রয়েছে প্যারাবেন নামক কেমিক্যাল এর উপস্থিতি। 

হিন্দুস্তান টাইমস-এর তথ্য অনুযায়ী, প্যারাবেন প্রসাধনীতে ব্যবহৃত হয় প্রিজারভেটিভ হিসেবে, যা প্রসাধনীর পচন রোধে সাহায্য করে। প্যারাবেন ব্রেস্ট ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধির কারণ হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে এমনটাই মন্তব্য করেছেন। এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে বেশ কিছু প্যারাবেন এর চরিত্র ইস্ট্রোজেন হরমোনের মত। শিশুদের ত্বক নাজুক হওয়ায় প্যারাবেনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার আশংকা অনেক বেশি থাকে। এমনকি প্যারাবেন এর সাথে ইস্ট্রোজেন হরমোন উৎপাদনের প্রতিক্রিয়ার কারণে শিশুদের শরীরে খুব মারাত্মক ধরনের এলার্জি হতে পারে। 

বর্তমানে অনেকে প্রসাধন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বাজারে তাদের পণ্য বিপণন করছে। যাদের মধ্যে গুণগত মানের দিকটায় সতর্কতা মেনে পণ্য উৎপাদন করছে ম্যারিকো বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য ব্র্যান্ড প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি। শিশুর কোমল ত্বকের নিরাপদ সুরক্ষার কথা বিবেচনায় রেখে প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি নিয়ে এসেছে শতভাগ প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ও শতভাগ নিরাপদ উপাদান সমৃদ্ধ, পিএইচ ব্যালেন্সড, রং মুক্ত, প্যারাবেন মুক্ত এবং সেফ কসমেটিক্স অস্ট্রেলিয়া কর্তৃক মেডসেফ প্রত্যায়িত পণ্য। ১০০ ভাগ নিরাপদ উপাদানে তৈরি পণ্যগুলোতে রয়েছে ১০০ ভাগ প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার যা শিশুর কোমল ত্বককে সুরক্ষা দেয়। প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি শিশুদের জন্য তৈরি করছে ফেস ক্রিম, র‍্যাশ ক্রিম, বেবি ওয়াশ, বেবি লোশন, বেবি পাউডার এবং বেবি সোপ। বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করার পর থেকেই বাজারে সেফ বেবি কেয়ার পণ্যের ঘাটতি পূরণ করে চলেছে এই ব্র্যান্ডটি। 

প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো দেশের যেকোন সুপার শপ, নিকটস্থ দোকানে ও শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মসমূহে পাওয়া যাচ্ছে। লাখো মায়েরা প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি-এর পণ্যের উপর আস্থা রেখেছেন। ব্র্যান্ডের সেফ পণ্য ব্যবহার ও সুপারিশের অভিজ্ঞতাই এই আস্থার ভিত্তি। তাই নিঃসন্দেহে আপনিও অবিচল আস্থা রাখতে পারেন প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি-এর পণ্যগুলোর উপর। 

প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগৃহীত ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ 
পৃথক গ্রাহক জরিপের উপর ভিত্তি করে
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:  https://justforbaby.co/products  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:১৭
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেঁপে

অনলাইন ডেস্ক

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেঁপে

পেঁপে স্বাদে অতুলনীয়। পেঁপে খেলে ওজন কমে, ত্বক পরিষ্কার হয়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর নানা উপকারী উপাদানে ভরপুর পেঁপে খেলে একদিকে স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকে, তেমনি চুল আর ত্বকের জন্যও উপকারী। খাবারে তাই পেঁপে রাখাটা জরুরি।

ওজন কমায় পেঁপে
মাঝারি আকারের একটি পেঁপেতে মাত্র ১২০ ক্যালরি থাকে। এ ছাড়া এর যে পাচক তন্তু থাকে, তা হজমে সহায়তা করে।

ডায়াবেটিসে উপকারী
পেঁপে খেতে মিষ্টি স্বাদের হলেও এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। এক কাপ টুকরো করা পেঁপেতে ৮ দশমিক ৩ গ্রাম চিনি থাকে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধক উপাদান আছে পেঁপেতে।
চোখের জন্য দরকারি
পেঁপেতে আছে ক্যারোটিনাইডস নামের উপাদান, যা চোখের জন্য উপকারী। পেঁপেতে টমেটো বা গাজরের চেয়েও বেশি ভিটামিন এ আছে। এ ছাড়া চোখের মিউকাস মেমব্রেনকে সবল করতে ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে যে ধরনের উপাদান দরকার, পেঁপেতে তা অধিক পরিমাণে থাকে।


ত্বকের সুরক্ষায়
ভিটামিন ‘এ’ আর প্যাপিন নামের উপাদান আছে পেঁপেতে, যা শরীরের ত্বকের মৃত কোষগুলো সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। শরীরের নিষ্ক্রিয় প্রোটিন ভেঙে ফেলে এবং কম মাত্রায় সোডিয়াম ত্বককে আর্দ্র রাখে।

হজমি গুণ
পেঁপেতে প্যাপিন এনজাইম থাকায় তা খাদ্যের বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এটি মাংস নরম করতেও ব্যবহৃত হয়। এতে তন্তু ও পানির পরিমাণ বেশি থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:১৮
প্রিন্ট করুন printer

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় আদা

অনলাইন ডেস্ক

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় আদা

আদা খাবারে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের দেহের সুস্থতার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এছাড়াও কাঁচা আদায় রয়েছে দারুণ সব উপকারিতা। আসুন আদার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেই।

হজমের সমস্যা রোধে: রক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা দারুণ কার্যকর। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে খেলে বাড়বে হজম শক্তি। আদার মধ্যে ডাইজেসটিভ ট্রাক্টের প্রদাহ কমানোর ক্ষমতা রয়েছে। এটি পাচক রস নিঃসরণ করতে সাহায্য করে।  

বমি রোধে: অনেক সময় আমাদের দেহে অস্থিরতা কাজ করে, তখন কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করে না। বমি বমিভাব বা বমি হয়ে যায়। এমন সময় আপনি যদি আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করেন। তাহলে তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন। 
ক্ষতস্থান পূরণ করতে: দেহের কোথাও ক্ষতস্থান থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে আদা। এতে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট, যা যেকোনো কাটাছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো করে। পেশি ব্যথায় আদা কার্যকর। 

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য উপকারী। প্রতিদিন মাত্র ২ গ্রাম আদার গুঁড়ো ১২ সপ্তাহ ধরে খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১০ ভাগ কমে। পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে ১০ ভাগ।

আদা ক্যান্সাররোধী: আদার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক উপাদান। এটি কোলনের ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে সাহায্য করে। ওভারির ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আদা। সুতরাং ক্যান্সার এর অনেক ভাল প্রতিরোধক।

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতায়: আদা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে। এছাড়া যারা গলার চর্চা করেন তাদের গলা পরিষ্কার রাখার জন্য আদা খুবই উপকারী।

পেটের রোগ নিরাময়ে: আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:২৩
প্রিন্ট করুন printer

শরীরচর্চা জরুরি, তবে খেয়াল রাখতে হবে এই দিকগুলো

অনলাইন ডেস্ক

শরীরচর্চা জরুরি, তবে খেয়াল রাখতে হবে এই দিকগুলো

করোনা আবহে জিমে গিয়ে এক্সারসাইজ করতে এখনও ভয় পাচ্ছেন বহু মানুষ। বিকল্প উপায় হিসেবে, মর্নিং ওয়াককেই বেছে নিচ্ছেন অনেকে। কিন্তু বাড়তি ওজন রাতারাতি কমানোর জন্য শুরুতেই স্পিড বাড়িয়ে দৌড়ঝাঁপ করতে নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

কারণ! বহু মানুষ শুরুতেই স্পিড বাড়িয়ে দৌড়ঝাঁপ করতে গিয়ে নিজের শরীরের ক্ষতি করে বসেন। যেমন এক দু’দিন পরেই হাঁটুতে যন্ত্রণা শুরু হয়। এমনকি পায়ের ব্যথায় কয়েকদিন ঠিকমতো হাঁটাচলা করতেও পারেন না অনেকে। তাই বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এক্সারসাইজের প্রয়োজনীয়তা যেমন আছে, তেমনই শরীরের বিশ্রামও দরকার। সেকারণে শুরুর দিকে ৩০ মিনিট করে এক্সারসাইজের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। কিছুক্ষণ হাটার পর, তারপর আবার দৌড়াতে বলছেন। এমনকি প্রতি তৃতীয় সপ্তাহে শরীরকে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও দিতে বলছেন তারা।

শুধু তাই নয়। দৌড়ঝাঁপের পর যোগাসনের কথাও বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বাড়িতেই লাঞ্জেস, প্ল্যাঙ্কস, স্কোয়াটস, পুশ আপ-এর মাধ্যমে মাসেল এবং জয়েন্টের ব্যথাও কমাতে পারেন বলে তারা জানাচ্ছেন। এছাড়াও দৌড়ঝাঁপ করার জন্য ভাল মানের জুতা ব্যবহার করার কথাও তারা বলছেন। 

অন্যদিকে শুধু এক্সারসাইজ নয়, শরীর সুস্থ রাখতে এবং জয়েন্ট পেইন কমাতে প্রয়োজন ভিটামিন ডি। রোদ থেকে পেলেও, বেশিরভাগ ভারতীয়দের শরীরে ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি১২ -এর পরিমাণ কম থাকে। তাই ৪০ ঊর্ধ্ব হলে অবশ্যই ডায়েটের ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৫০
প্রিন্ট করুন printer

ডায়াবেটিস কমায় ধনেপাতা

অনলাইন ডেস্ক

ডায়াবেটিস কমায় ধনেপাতা

ধনেপাতা বেশির ভাগ মানুষের কাছেই প্রিয় একটি মসলা। চাটনি থেকে শুরু করে তরকারি, সব কিছুতে যেমন স্বাদ বাড়ায়, তেমনই শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ধনেপাতা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের মোক্ষম দাওয়াই। 

ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল, যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। 

কীভাবে খাবেন?

রেসিপি ১: ফ্রাইয়িং প্যানে এক চা চামচ ধনে বীজ এবং অর্ধেক চা চামচ জিরা মাঝারি আঁচে গরম করে নিন। তার মধ্যেই এক চা চামচ পোস্ত এবং মধু মিশিয়ে নিন। এরপর তা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে সারারাত রেখে, তারপর খেতে পারেন। 

রেসিপি ২: প্রথমেই একটি পাত্রে এক চা চামচ ছোলার ডাল, ৩টি শুকনো মরিচ, ৩ চা চামচ ধনে বীজ গরম করে নিন। তারপর সেটা সরিয়ে পিঁয়াজ এবং টমেটো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবারে মিশ্রণটা ঠান্ডা হওয়ার পর, একটি ব্লেন্ডারে ধনে গুঁড়োর সঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে এক চা চামচ গুড় এবং এক চা চামচ তেঁতুল মিশিয়ে নিন। পানি এবং লবণ দিয়ে চাটনি তৈরি করে নিন। আরও একটি পাত্রে তেল গরম করে সামান্য সরিষা বীজ এবং কারিপাতা ভেজে নিন। এরপর চাটনির উপর দিয়ে সাজিয়ে নিন। 

রেসিপি ৩: একটি প্যানে এক চা চামচ ঘি গরম করে নিন। তাতে ধনে গুড়ো দিয়ে ভাল করে ফ্রাই করুন। এর মধ্যে সামান্য মাখনও দিতে পারেন। তারপর কয়েক টুকরো কাজু এবং আমন্ড ছোট ছোট টুকরো করে গুড়ো করে নিন। এরপর এই মিশ্রণের মধ্যে গ্রেটেড নারিকেল, ড্রাই ফ্রুটস মিশিয়ে পাঞ্জিরি তৈরি করতে পারেন। এই তিনরকমের রেসিপির যেকোনও একটি ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:০০
প্রিন্ট করুন printer

সহজে চুলপড়া রোধ করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

সহজে চুলপড়া রোধ করবেন যেভাবে
প্রতীকী ছবি

নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বেশির ভাগ মানুষই চুল পড়ার সমস্যায় জর্জরিত। কিছু ক্ষেত্রে চুল পড়ার বিষয়টা জিনগত হলেও নানা শারীরিক সমস্যা, দূষণ, মানসিক চাপও এর জন্য বহু ক্ষেত্রে দায়ী। দৈনিক ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়ে যাওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু যদি দৈনিক তার থেকেও বেশি চুল পড়তে শুরু করে, তবে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। তাই ঠিক সময়ে চুলের পরিচর্যার দিকে একটু বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

চুলের যত্ন নিতে গেলেই যে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে কিংবা তা খরচ সাপেক্ষ হবে, তা কিন্তু নয়। কম খরচে, সামান্য কিছু ঘরোয়া জিনিসও হয়ে উঠতে পারে আপনার চুল পরিচর্যার উপকরণ। চলুন দেখে নেওয়া যাক সেই উপকরণগুলো:-

অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা যেমন ত্বকের জন্য ভাল, তেমনই চুলের জন্যও উপকারী। এটি চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া মাথার ত্বকের চুলকানি ভাব দূর করে এবং এই ত্বকের স্বাভাবিক পিএইচ-এর মাত্রা সংরক্ষণে সাহায্য করে। আর খুসকি দূর করতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

একটি বড় মাপের অ্যালোভেরা পাতা নিয়ে তার ভিতরের শাঁস বের করে নিতে হবে। তারপর ওই শাঁস ভাল করে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন এটি ব্যবহার করুন।

মেথি: চুল পড়া আটকাতে মেথি খুব ভাল কাজ করে। এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড চুলের গোড়া মজবুত করে চুল উজ্জ্বল এবং লম্বা করতে সাহায্য করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন?

এক কাপ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে তা বেটে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর ওই পেস্ট চুলে এবং মাথায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। পারলে একটা শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ব্যবহারের কোনও প্রয়োজন নেই। টানা ১ মাস সপ্তাহে ২ দিন করে এটি ব্যবহার করলে আপনি পেয়ে যাবেন উজ্জ্বল, ঘন, লম্বা চুল।

আমলকী: আমলকীতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান, যা চুল পড়া বন্ধ করতে দারুণ কাজ করে। মাথার ত্বক ভাল রাখতে এবং দ্রুত চুল বাড়াতে আমলকীর জুড়ি মেলা ভার।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

এক কাপ নারিকেল তেলের মধ্যে ৪ থেকে ৫টি শুকনো আমলকী নিয়ে তা ফুটিয়ে নিন। তেল কালো হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ফোটাতে থাকুন। এরপর তা নামিয়ে নিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এবার ওই তেল দিয়ে মাথায় মাসাজ করে ৩০ মিনিট মতো রেখে দিন। তার পর শ্যাম্পু এবং পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২ বার এটি ব্যবহার করুন।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর