শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ১৬:০৯
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ১৬:১৪

এক ক্লিকেই দেশের লোকসংখ্যা জানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে : পরিকল্পনামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

এক ক্লিকেই দেশের লোকসংখ্যা জানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে : পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ‘ক্লিক করলেই বাংলাদেশের লোকসংখ্যা জানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ চলছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর উদ্যোগে শিগগিরই একটি অ্যাপস চালু করা হবে। ২০ বছর বা তার আগেই ওই অ্যাপসের মাধ্যমে যে কেউ প্রতিদিন, প্রতি মিনিটে দেশের লোকসংখ্যা জানতে পারবে।’    

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের সার্কিট হাউসে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১’ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্ত্তী, জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১ এর প্রকল্প পরিচালক মো. জাহিদুল হক সরদার, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নুরুল আলম নিজামী, স্থানীয় সরকার পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ইয়াসমিন পারভীন তিবরীজি, জেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুর রহমান প্রমুখ।  

প্রধান অতিথি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ ও আইএমএফসহ আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে কোড করে। আমাদের পরিসংখ্যান ব্যুরো এখন বিশ্বমানের। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো স্বীকার করেছে, আমাদের ব্যুরোর তথ্য অনেক এগিয়েছে। এমনকি আইএমএফ তাদের সংখ্যার সঙ্গে আমাদের সংখ্যা মিলিয়ে দেখে প্রায় একই পেয়েছে।’  

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গারা আমাদের দেশের সাময়িক অথিতি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিবেচনায় তাদের আশ্রয় দিয়েছেন। ফলে তাদের প্রতি আমাদের মানবিক হতে হবে। তারা মার খেয়ে পানিতে ভেসে আসছে। তাদের প্রতি আমরা মানবিক আচরণ করবো।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। জনশুমারি ও গৃহগণনা করতে গিয়েও কিছু কিছু ভুল হয়। কিন্তু আমরা এবার খুব ভালোভাবে জনশুমারি ও গৃহগণনা করতে চাই। যারা এ কাজে সম্পৃক্ত হবেন তাদের আগের চেয়ে চারগুণ সম্মানি ভাতা দেওয়া হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে খুব আন্তরিক। জনশুমারি কেবল পরিকল্পনা বিভাগের একার কাজ নয়। এটি সবার কাজ, সবাই মিলে এই কাজকে আমরা সহযোগিতা করবো।’ 

তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষের মধ্যেই আমরা জনশুমারির একটা সংখ্যা নিয়ে আসতে পারবো। সুইডেন, নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডে প্রতিবছর জনশুমারি করা হয়। সেই ব্যবস্থা আমরাও নিয়ে আসবো। অনেকে ক্যালেন্ডার ইয়ার অনুসরণ করতে বলেছেন। আমিও ক্যালেন্ডার ইয়ারের পক্ষে। কারণ আমাদের বছর জুন-জুলাই  হওয়ার কারণে অনেক সময় ব্যতিক্রম লাগে।’  

প্রধান অতিথি বলেন, ‘জনশুমারি ও গৃহগণনায় সব দলের লোকেরা অংশ নিতে পারবে। অনেকে প্রশ্ন করেন নিজ দলের লোকেরা জনশুমারিতে থাকেন। কিন্তু এবারে সব দলের লোকেরাই এ কাজে অংশ নিতে পারবে। আমরা নির্ভুলভাবে এ কাজ করতে চাই। ফলাফল যাই আসুক, আমরা সঠিক তথ্যটাই জনগণের কাছে তুলে ধরতে চাই। কারণ জনগণের জানার অধিকার আছে।’  

 

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার/রেজা মুজাম্মেল   


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর