শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫৩
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৪২
প্রিন্ট করুন printer

যশোর পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে না : সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর

যশোর পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে না : সিইসি

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। সোমবার দুপুরে যশোরের কেশবপুরে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

নূরুল হুদা বলেন, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভায় নির্বাচন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে এ পৌরসভায় নির্বাচন করতে চায় কমিশন। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই তা হতে পারে।

এর আগে তিনি সেখানকার নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর, কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম আরাফাত হোসেনসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। তবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি কেশবপুর পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিইসি বলেন, উচ্চ আদালতের আদেশ থাকলে সেই আদেশের কপি আমাদের হাতে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমাদের কিছু করার থাকে না। অনেক সময় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা সাথে সাথেই আমরা টেলিভিশনের মাধ্যমে জানতে পারি। তখন মনে মনে প্রস্তুতি নেই কী করতে হবে সে ব্যাপারে। এরপর আদেশের কপি পাওয়ার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হয়।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে যশোর পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নতুন আদেশ পেতে সময় লাগবে। সে কারণে ২৮ ফেব্রুয়ারি এ পৌরসভায় নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। উচ্চ আদালত স্থগিত করায় এতদিন নির্বাচনের কোনো কার্যক্রম করা যায়নি। টাইম লস হয়ে গেছে। প্রার্থীদেরও ১৪-১৫ দিন টাইম দিতে হয়।

কে এম নূরুল হুদা বলেন, মার্চেও যশোর পৌরসভার নির্বাচন করা সম্ভব নয়। কারণ ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু হবে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনটি সম্পন্ন করা যেতে পারে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি আরও বলেন, দেশে শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে। ৬০ শতাংশের ওপরে ভোট পড়ছে। মিডিয়াতেই দেখানো হচ্ছে কেন্দ্রে ভোটারদের উপচে পড়া ভিড়। নারীরা দীর্ঘ লাইন দিয়ে ভোট দিচ্ছেন। ফলে নির্বাচন সঠিক, প্রতিযোগিতামূলক হচ্ছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর সব স্থানেই নির্বাচনে কিছু সহিংস ঘটনা ঘটে। প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হলে মানুষের মধ্যে সহনশীলতার অভাব দেখা দেয়। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা দ্রুত প্রশমনও করে। ফলে নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে না, মানুষ ভোট দিচ্ছে না, প্রতিযোগিতামূলক হচ্ছে না-এসব কথা মানতে আমি একেবারেই রাজি না।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর