শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৮:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

ইলিয়াস কাঞ্চন একা নন, হুঁশিয়ারি রাশেদ-ফারুকের

অনলাইন ডেস্ক

ইলিয়াস কাঞ্চন একা নন, হুঁশিয়ারি রাশেদ-ফারুকের
রাশেদ খান ও ফারুক হাসান

নিরাপদ সড়ক চাই-এর চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে সারাদেশে মামলা করার হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। এর জবাবে তার পক্ষে রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান ও ফারুক হাসান।

সংগঠনটির ফেসবুকভিত্তিক প্লাটফর্ম ‘কোটা সংস্কার চাই’ গ্রুপে পৃথক পোস্ট দিয়ে এবং লাইভে এসে দুজনে এ হুঁশিয়ারি দেন।

চলতি মাসের ১২ তারিখে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ সদস্য এবং সাবেক নৌ-মন্ত্রী শাজাহান খানের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন নিরাপদ সড়কের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রামরত চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।

মানহানির মামলায় ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে বিবাদীর বিরুদ্ধে সমন জারির পর সেদিনই সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খানের সংগঠন শ্রমিক ফেডারেশন বৈঠক করে দেশব্যাপী ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। একইসঙ্গে সারাদেশে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে।

ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার কয়েকটি জেলায় সমাবেশে করে শ্রমিকরা। এ সময় ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তারা। শ্রমিকরা তাকে ওই মানহানির মামলা প্রত্যাহারের আলটিমেটামও বেঁধে দেন।

এ পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুকে ‘কোটা সংস্কার চাই’ গ্রুপে বুধবার দেয়া পোস্টে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্মআহ্বায়ক ফারুক হাসান বলেন, ‘শাহাজান খানের পেছনে তার পালিত শ্রমিকেরা থাকলে, ইলিয়াস কাঞ্চনের পেছনে রয়েছেন এদেশের লাখো কোটি তরুণ! ইলিয়াস কাঞ্চনকে একা ভাববেন না।’

আগের দিন মঙ্গলবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে একই সংঠনের আরেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেন, ‘শাজাহান খানের জন্য ৭০ লাখ শ্রমিক রাস্তায় নামলে ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দেশের সব শিক্ষার্থী নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের মতো আবারও সড়কে নামবে।’

পরে ‘কোটা সংস্কার চাই’ নামে ফেসবুক গ্রুপে লাইভে এসে এ বিষয়ে আরও বক্তব্য দেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠনের নেতা রাশেদ খান।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

আমার যৌবনের ২৫ বছর ফিরিয়ে দেবে কে?

অনলাইন ডেস্ক

আমার যৌবনের ২৫ বছর ফিরিয়ে দেবে কে?
প্রতীকী ছবি

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের করা এক মামলার তদন্তে মূল আসামির নাম ও বাবার নামের সাথে মিল থাকায় অভিযুক্ত করা হয় আরেক ব্যক্তিকে। পরে সেই ব্যক্তি উচ্চ আদালতে আবেদন করলে দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করে। দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত নিয়ে ওই ব্যক্তির অভিযোগ প্রমাণিত না হলে তার ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারতো। তবে ওই ব্যক্তিকে শেষ পর্যন্ত কারাভোগ করতে না হলেও অনেকেই এরকম ক্ষেত্রে ভাগ্য তেমন সুপসন্ন হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে এরকম একটি আলোচিত মামলা ছিল জাহালমের ঘটনাটি, যিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের ভুল তদন্ত এবং এক ব্যাংক কর্মকর্তার ভুল সাক্ষ্যের কারণে তিন বছর কারাদণ্ড ভোগ করেন। পরে মানবাধিকার কমিশনের তদন্তে বেরিয়ে আসে যে জাহালম নিরপরাধ। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে সব মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মুক্তি পান জাহালম।

কোনো অপরাধ না করেও জীবনের একটা লম্বা সময় কেটেছে কারাগারে - সিনেমার কাহিনীর মত শোনালেও এরকম ঘটনা কিন্তু মাঝেমধ্যেই ঘটে থাকে আমাদের আশেপাশে। তদন্তে অনিচ্ছাকৃত বা ইচ্ছাকৃত ভুল, মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা বিচারিক প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হওয়া - এরকম নানা কারণে আদালত অনেকসময় ভুল রায় দিয়ে থাকেন, যার ফল ভোগ করতে হয় নিরপরাধ কোন ব্যক্তিকে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে বিনা অপরাধে কারাভোগ করার কয়েকটি আলোচিত ঘটনা তুলে ধরে বিবিসি বাংলা এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

বিনা অপরাধে ১৩ বছর কারাভোগ, অতঃপর মৃত্যু
দু’হাজার তিন সালে সাতক্ষীরায় দু’জন পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন ওবায়দুর রহমান, যিনি আবেদ আলী হিসেবে বেশি পরিচিত। ২০০৬ সালে আদালত ওই মামলায় আবেদ আলীসহ আরো দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এরপর ২০১১ সালে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে এবং আবেদ আলীকে খালাস দেয়। কিন্তু উচ্চ আদালত খালাস দিলেও রাষ্ট্র পক্ষ সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন এবং পরবর্তী চার বছর ধরে শুনানি চলে মামলার।

দু’হাজার আঠারো সালের এপ্রিলে আদালত খালাস বিভাগের রায় বহাল রেখে সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু আদালতের সিদ্ধান্তের পরও মুক্তি পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি আবেদ আলীর। সেই বছরের অক্টোবর মাসের যে দিন আবেদ আলীকে কারাগার থেকে খালাস করার রায়ের কপি কারাগারে গিয়ে পৌঁছায়, ওই দিন তার কিছুক্ষণ আগে মারা যান আবেদ আলী। তিনি যে নির্দোষ, মৃত্যুর আগে সেই স্বীকৃতিটা পেলেও মুক্ত অবস্থায় একদিনও তিনি পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পারেননি।

১৯৯২ সালে বাসে ডাকাতির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবুল মিয়া যখন গ্রেফতার হন, তার বয়স তখন ১৮ বছর। এরপর ২০১৭ সালে তিনি যখন বেকসুর প্রমাণিত হন এবং তাকে খালাস দেয়া হয়, সেসময় তার বয়স ৪৩। অর্থাৎ, নিজের জীবনের কৈশোরের একাংশ, তারুণ্য এবং যৌবনের একটা বড় অংশ কাটিয়েছেন জেলে। মজার ব্যাপার হলো, যে মামলায় ২৫ বছর কারাভোগ করেছেন বাবুল মিয়া, সেই মামলায় দোষী প্রমাণিত হলেও তার সর্বোচ্চ শাস্তি হত ১০ বছর।

বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণেই মূলত এই দীর্ঘসময় কারাগারে থাকতে হয় বাবুল মিয়াকে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উঠে আসে যে, ১৯৯৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২৪ বছরে বিচার চলাকালীন সময়ে মামলার সাক্ষীদের অধিকাংশই সাক্ষ্য দিতে আসেননি। মামলার বাদী এবং তদন্ত কর্মকর্তাও কখনো আদালতে উপস্থিত হননি বলেও উঠে আসে প্রকাশিত খবরে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, জেল থেকে বের হয়ে বাবুল মিয়া সাংবাদিকদের সামনে একটি প্রশ্ন রেখেছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সামর্থ্য ছিল না কারো। প্রশ্নটি ছিল: ‘আমার যৌবনের ২৫ বছর ফিরিয়ে দেবে কে?’

স্ত্রী-কন্যা হত্যার মিথ্যা অভিযোগে ২০ বছর জেলে
নিজের স্ত্রী ও দেড় বছরের কন্যা হত্যার অভিযোগে দুই হাজার সালে আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয় বাগেরহাটের শেখ জাহিদকে। ওই বছর শেখ জাহিদ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন, যেটির শুনানি শেষে ২০০৪ সালে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি রাখেন।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিপরীতে আসামি জাহিদ আবারো আবেদন করেন, যেই আবেদনের সুরাহা হয় ২০২০ সালের অগাস্টে। আদালত শেখ জাহিদকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় কারাবাসের পুরোটা সময়ই ফাঁসির আসামির জন্য নির্ধারিত ‘কনডেমড সেল’-এ দিনযাপন করতে হয় শেখ জাহিদকে। ৩০ বছর বয়সে শাস্তির মেয়াদ শুরু করা ওই ব্যক্তি যখন খুলনা কারাগার থেকে মুক্তি পান, তখন তার বয়স ৫০ বছর।

আসামির বাবার নামের সাথে মিল, ৫ বছর কারাগারে
গত সপ্তাহে কাশিমপুর কারাগার থেকে আরমান নামের এক ব্যক্তিকে খালাস করা হয়, যিনি ২০১৬ সাল থেকে কারাগারে ছিলেন। দু‌’হাজার পাঁচ সালে বিস্ফোরক আইনে করা একটি মামলায় একজন আসামির বাবার নাম আর মিরপুরের বাসিন্দা আরমানের বাবার নাম একই।

ওই মামলায় একজন আসামিকে ২০১২ সালে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। ওই আসামি সে সময় পলাতক ছিলেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলো অনুযায়ী, শুধুমাত্র বাবার নাম এক থাকার কারণে ২০১৬ সালে মিরপুর থেকে আরমানকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

পরে এই বিষয়ে আরমানের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে রিট করা হয় এবং চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত আরমানকে খালাস করার রায় দেন। এই ঘটনায় আরমানকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার এবং আরমানকে আটকের ঘটনার দায় নিরূপণে নতুন করে তদন্তের সিদ্ধান্ত দেন আদালত।

বহুল আলোচিত জাহালমের কারাভোগ
দু’হাজার ষোল সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যখন জাহালমকে গ্রেফতার করা হয়, তখন তিনি নরসিংদীতে এক পাটকলে কাজ করছিলেন। এরপর ঠিক তিন বছর পূর্ণ হবার দু'দিন আগে হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তি পেয়ে বাড়িতে ফেরেন তিনি।

মানবাধিকার কমিশনের তদন্তে প্রমাণিত হয় যে তিনি নির্দোষ হয়েও জেল খাটছিলেন। একটি ব্যাংক থেকে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল আবু সালেক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ওই ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জাহালমকেই আবু সালেক বলে চিহ্নিত করে সাক্ষ্য দিলে জাহালমকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।

কার দোষে জাহালমের কারাভোগ করতে হলো - তা নির্ণয় করতে পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি গঠন করে দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই তদন্তের ফলাফল আজো দিনের আরো দেখেনি।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

বিচারকদের আর্থিক বিচারিক এখতিয়ার বাড়িয়ে বিল পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিচারকদের আর্থিক বিচারিক এখতিয়ার বাড়িয়ে বিল পাস
ফাইল ছবি

দেওয়ানি মামলা বিচারের ক্ষেত্রে নিম্ন আদালতের বিচারকদের আর্থিক বিচারিক এখতিয়ার পাঁচ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা নির্ধারণ করে ‘দ্য সিভিল কোর্টস (সংশোধন), ২০২১’ বিল সংসদে পাস হয়েছে। ২০১৬ সালে আইন করে সিভিল কোর্টগুলোর বিচারিক এখতিয়ার বাড়ানো হলেও হাইকোর্ট তা স্থগিত করে দেয়। ফলে নতুন করে আইন সংশোধন করা হচ্ছে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের একাদশ তথা শীতকালীন অধিবেশনে আজ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর আনীত জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। গত ১৯ জানুয়ারি বিলটি সংসদে উত্থাপিত হয়। 

বিলে পাঁচ কোটি টাকার কম মূল্যমানের কোনও মামলায় যুগ্ম-জেলা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কোনও আপিল বা কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন থাকলে তা জেলা জজ আদালতে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে পাঁচ কোটি টাকার কোনও আপিল হলে হাইকোর্টে যাওয়া লাগতো। আইন সংশোধনের ফলে জেলা জজ সেই আপিল শুনানি করতে পারবেন।

আগে বিকল্প বিরোধের ক্ষেত্রে একজন সহকারী জজ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের (সম্পত্তি বা অর্থে যে অংকের টাকা নিয়ে বিরোধ) মামলা নিষ্পত্তি করতে পারতেন। এখন সেই এখতিয়ার বাড়িয়ে ১৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজের বিচারিক এখতিয়ার চার লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা এবং আপিল শুনানির ক্ষেত্রে জেলা জজের এখতিয়ার পাঁচ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে।

বিলে ২০১৬ সালের ওই সংশোধন রহিত করে একটি ধারা সংযোজন করা হয়েছে। সরকার ২০১৬ সালেও টাকার অংকে বিচারিক এখতিয়ার একই পরিমাণ বাড়িয়ে আইন সংশোধন করেছিল। কিন্তু তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদন হলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সরকারের ওই গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত করে দেয়। 

এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালের বিলটি নিয়ে উচ্চ আদালতের সঙ্গে সরকারের ‘আউট অব কোর্ট’ সেটেলমেন্ট হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, তারা নতুন করে আইন প্রণয়ন করবে। তখন হাইকোর্ট জানিয়েছে তারা নতুন আইন দেখে আগের বিষয়টির বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের সংশোধনী উচ্চ আদালতে বাতিল হওয়ার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট প্রশাসনিক জটিলতাসহ বিচারপ্রার্থী জনগণের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে সরকার আইনটি সংশোধন আবশ্যক মনে করছে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪৪
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:২৯
প্রিন্ট করুন printer

দেশ উন্নত হওয়ায় মানুষ ভোটে আগ্রহ হারিয়েছে : ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশ উন্নত হওয়ায় মানুষ ভোটে আগ্রহ হারিয়েছে : ইসি সচিব
ইসি সচিব মো. আলমগীর। ফাইল ছবি

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, ভোটদানের প্রতি নাগরিকদের অনীহা রয়েছে। হয়তো দেশ উন্নত হ‌ওয়ার সাথে সাথে মানুষও ভোটদানে আগ্রহ হারিয়েছে। বুধবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্পর্কে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন সম্পর্কে ইসি সচিব বলেন, ভালো নির্বাচন হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে নির্বাচন হয়েছে। তবে দুটি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হয়েছে, সে দুটি স্থগিত রয়েছে। অভিযোগ পেলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে। তবে আগের তুলনায় এই নির্বাচনে কম সহিংসতা হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি‌ও কম। 

তিনি বলেন, কোনো কোনো কেন্দ্র ৫০ থেকে ৮০ ভাগ ভোট পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কোনো কেন্দ্রে আবার ৫ ভাগ ভোটও পড়তে পারে।

বিএনপির অভিযোগ সম্পর্কে মো. আলমগীর বলেন, বিএনপির অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ নেই। উপযুক্ত প্রমাণসহ অভিযোগ করা হলে বিষয়টা ভেবে দেখা হবে, ভিডিও থাকলে ভালো হয়।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:২৭
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:৩২
প্রিন্ট করুন printer

৪৩তম বিসিএসে আবেদনের সময় বাড়ল

অনলাইন ডেস্ক

৪৩তম বিসিএসে আবেদনের সময় বাড়ল
ফাইল ছবি

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার অনলাইন আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে পেছানো হয়েছে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ।

বুধবার পিএসসির কমিশনের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন গণমাধ্যমকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘৪৩তম বিসিএসের আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি আবেদন কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সেটি পরবর্তী দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। ইউজিসির পাঠানো আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আবেদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। এটি আগামী ৬ আগস্ট নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও এ সময়ে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা শুরু করা হবে।’

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:২৬
প্রিন্ট করুন printer

ভোট দেয় প্রশাসন, আর দেখে জনগণ : সংসদে রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক

ভোট দেয় প্রশাসন, আর দেখে জনগণ : সংসদে রুমিন ফারহানা
ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে সিটি নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়েছে জাতীয় সংসদেও। এ প্রসঙ্গ আজ বুধবার সংসদে আইন প্রণয়নের আলোচনায় উঠে আসে। এসময় সংশোধনী প্রস্তাবে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ভোট দেয় প্রশাসন। আর দেখে জনগণ। 

তিনি আরও বলেন, ভোটটা সুষ্ঠু করে করলেই হয়। কারও থেকে ভোট শিখতে হবে না। ভোট কীভাবে দিতে হয়, সেটা সবাই জানে। ভোটটা দিতে দিলেই হয়।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৭৩৫টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৮৮৬টি বুথে ইভিএম’র মাধ্যমে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর