শিরোনাম
প্রকাশ : ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৮:২৯

জীবন বাঁচে না মামলার ভয় করে লাভ কী: গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

জীবন বাঁচে না মামলার ভয় করে লাভ কী: গয়েশ্বর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আদালত ও সরকার যদি সমভাবে এক বিশ্বাসে একমতে চলে, সেখানে সাধারণ মানুষের বিচার পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। এসব কথা বললে আদালত অবমাননার মামলা হবে। যেখানে জীবন বাঁচে না সেখানে মামলার ভয় করে লাভ কী? যে চিকিৎসা দিলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেই চিকিৎসার জন্য সম্মতি দেবো কেন? খালেদা জিয়ার চিকিৎসা জরুরি। সেই চিকিৎসার জন্য দেশে-বিদেশে যেখানেই হোক মুক্ত অবস্থায় দিতে হবে।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে শনিবার 'বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আজকের বাস্তবতা ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি কোন পথে?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ। বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, তাঁতী দলের যুগ্ম আহবায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, কৃষকদলের মিয়া মো. আনোয়ার প্রমুখ। দলের সদস্য সচিব হাজী মজিবুর রহমান সভা সঞ্চলনা করেন। 

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমার মনে হয় সহ্য ধৈর্যের একটা সীমা থাকে। সেই ধৈর্যের সীমা শেষ পর্যায়ে অর্থাৎ আমাদের পেছনে দেয়াল আর পেছনে যাওয়ার জায়গা নেই। তাই আমাদের এখন সতর্ক হতে হবে। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রকে মুক্ত করার জন্য, দেশকে মুক্ত করার জন্য, সর্বোপরি গণতন্ত্রের মাতা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য যেখান থেকে ডাক আসুক আমাদের চলে যাওয়া দরকার। আমার মনে হয় মানুষ সেই জন্য অপেক্ষা করছে এবং সেই ডাক যদি আসে সেই ডাকে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেবে।

বিএনপির স্থানীয় কমিটির এই সদস্য বলেন, দিবসের পর দিবস আসবে। এ পর্যন্ত অনেক দিবস নির্ধারিত হয়েছে। আসুন আমরা আরেকটা দিবস নির্ধারণ করি। যে দিবস হবে বাংলাদেশকে রক্ষা করার দিবস, যে দিবস হবে দেশের গণতন্ত্র মুক্তি দিবস, যে দিবস হবে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার দিবস।

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব

 


আপনার মন্তব্য