১৯ এপ্রিল, ২০২২ ২০:২৩

দেশ এখন গভীর এক সংকটে : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশ এখন গভীর এক সংকটে : মির্জা ফখরুল

ফাইল ছবি

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ এখন গভীর এক সংকটে। এ অবস্থায় দেশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। তাই আসুন-আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করি। 

মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ন টাওয়ারের ওয়াটারফল রেস্তোরাঁয় গণফোরাম একাংশের ইফতার মাহফিলপূর্ব আলোচনায় এ আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মহসীন মন্টুর সভাপতিত্বে জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, জেএসডি নেতা তানিয়া রব, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপিকা দিলারা চৌধুরী, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, প্রেসিডিয়াম সদস্য ফজলুল হায়দার আফ্রিক, মফিজুল ইসলাম কামাল, ফজলুল হক সরকার, পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান সরদার বাবুল চাখারী, পারভিন ভাসানী, নাগরিক ঐক্যের শহিদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম তার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের সকল অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলাটা আজ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা জনদাবি আদায় করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবো ইনশাআল্লাহ।

আ স ম আব্দুর রব বলেন, দেশে আজকে যে সংকট বিরাজ করছে সেটি হচ্ছে জাতীয় সংকট। এটি এককভাবে কোনো ব্যক্তি কিংবা এককভাবে কোনো দলের সংকট নয়। কাজেই এই সংকট নিরসনে দরকার একটি জাতীয় সরকার। যে সরকার দায়িত্ব নিয়ে দেশের ভিতরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া সবগুলো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে বিনির্মাণ করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করবে। অতঃপর সে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ও তাদের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। 

সভাপতির বক্তৃতায় মোস্তফা মোহসীন মন্টু দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে দুঃশাসন হটিয়ে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলি। 

তিনি বলেন, এই সরকারের অধীনে যে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ হবে আত্মঘাতী। কারণ এ সরকার গণতন্ত্র হত্যাকারী, রাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংসকারী ও ভোটাধিকার হরণকারী।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর