শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৩ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৩ ০০:০০

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় \\\'বিজয়ের মহোৎসব\\\' করছে সরকার

নজরুল ইসলাম খান

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় \\\'বিজয়ের মহোৎসব\\\' করছে সরকার

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জনগণের ভোট বর্জনে ভীত হয়ে সরকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় 'বিজয়ের মহোৎসব' করছে। এক ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছা প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের নামে প্রহসনের নাটক মঞ্চস্থ করছে। ইতোমধ্যে ১৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। সরকারি জোটের প্রায় সব নেতাই বিজয়ী হয়ে গেছেন। জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য মহাজোট থেকে সরিয়ে যাদের বিরোধী দল বানানোর চেষ্টা হয়েছিল, সেই জাতীয় পার্টি নির্বাচন বর্জন সত্ত্বেও তাদের কেউ কেউ বিজয়ী হয়ে গেছেন। এ যেন 'বিজয়ের মহোৎসব'। গতকাল সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষ থেকে এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। নজরুল বলেন, একতরফা নির্বাচনের নামে যা হচ্ছে, তা নির্বাচন নয়। এটা গণতন্ত্র ও নির্বাচনের জন্য আত্দবিধ্বংসী কার্যক্রম। একই সঙ্গে 'নির্বাচনী নাটক' বন্ধ করার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়াও সরকারের একতরফা নির্বাচনী কার্যক্রম, সারা দেশে গুম-হত্যাসহ বিরোধী দলের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয় এ সময়।

একতরফা নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্দলীয় সরকারের গণদাবি পাশ কাটিয়ে দেশি-বিদেশি গণতান্ত্রিক দেশ ও শক্তির পরামর্শকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে ক্ষমতালোভী বধির সরকার একতরফা নির্বাচনের হাস্যকর নাটক মঞ্চায়ন করছে। আমরা জনগণকে বলেছি, এই একতরফা নির্বাচন বর্জন করুন।

তিনি আরও বলেন, সরকার বুঝে গেছে যে, জনগণ নির্বাচনে যাবে না। তাই তারা এমন একটি ব্যবস্থা করছে, যাতে জনগণকে নির্বাচনে ভোট দিতে না হয়। সে জন্য তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বিশ্বের কোথাও এত বিপুল সংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হওয়ার নজির নেই। আর দেশের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে কম সংখ্যক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

সারা দেশে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গুম-হত্যা করা হচ্ছে অভিযোগ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, গত এক মাসে দেশব্যাপী তিন শতাধিক নেতা-কর্মী সাদা পোশাকধারী ও র্যাবের পোশাক পরা কিংবা ডিবি পরিচয়ে লোকদের হাতে গ্রেফতার হয়ে নিখোঁজ হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন, এসব গুপ্তবাহিনী কার নিয়ন্ত্রণে। একটি দক্ষ পেশাদার বাহিনীর পোশাক পরে কীভাবে এহেন ন্যক্কারজনক গর্হিত কর্ম সাধিত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে হবে। লক্ষ্মীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন সাবুর বাসায় র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এর বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন তিনি।

থানায় থানায় বিক্ষোভ : বিজয় দিবস উপলক্ষে ঘোষিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে আজকের সমাবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, মহানগর পুলিশ আমাদের সমাবেশ করতে অনুমতি দেয়নি। এমন দেশে আমরা আছি, কোনো গণতান্ত্রিক কার্যক্রম করার সুযোগই দিচ্ছে না সরকার। সমাবেশ করতে পারছি না বলেই থানায় থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে ঢাকায়।

 

 


আপনার মন্তব্য

Bangladesh Pratidin

Bangladesh Pratidin Works on any devices

সম্পাদক : নঈম নিজাম,

নির্বাহী সম্পাদক : পীর হাবিবুর রহমান । ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট নং-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট নং-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত। ফোন : পিএবিএক্স-০৯৬১২১২০০০০, ৮৪৩২৩৬১-৩, ফ্যাক্স : বার্তা-৮৪৩২৩৬৪, ফ্যাক্স : বিজ্ঞাপন-৮৪৩২৩৬৫। ই-মেইল : [email protected] , [email protected]

Copyright © 2015-2020 bd-pratidin.com