শিরোনাম
২১ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:০৪
বিবিসি বাংলা’র প্রতিবেদন

বিপিএলে কোন তারকা কোন দলে ও কারা অধিনায়ক

অনলাইন ডেস্ক

বিপিএলে কোন তারকা কোন দলে ও কারা অধিনায়ক

দেশের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসর আজ শুক্রবার শুরু হয়েছে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, ফরচুন বরিশাল, খুলনা টাইগার্স, মিনিস্টার ঢাকা আর সিলেট সানরাইজার্স-এই ছয়টি দল বিপিএলের চলতি আসরে অংশ নিচ্ছে।

ঢাকা, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিপিএলে বরাবরই ফেভারিট-দল সাজানো থেকে শুরু করে অধিনায়ক এবং কোচ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এই তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি তারকা খোঁজার চেষ্টা করে থাকে। তবে এই তিন দলের সঙ্গে এবারে যোগ হয়েছে বরিশাল।

খুলনা টাইগার্স ও সিলেট সানরাইজার্স বরং এবারে তুলনামূলকভাবে সাদামাটা দল গঠন করেছে। তবে এই দুই দলে ভারসাম্য আছে এবং ম্যাচ জেতাতে পারেন এমন পরীক্ষিত ক্রিকেটার আছে টিমে।

মাশরাফি, তামিম, রিয়াদের মিনিস্টার ঢাকা
অধিনায়ক-মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ

কোচ-মিজানুর রহমান

মিনিস্টার ঢাকা স্থানীয় সিনিয়র তারকা ক্রিকেটারদেরকে দলে টেনেছে। দেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তুজা, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং তামিম ইকবাল তো আছেনই, অভিজ্ঞ পেস বোলার রুবেল হোসেন, জাতীয় দলে খেলা আরাফাত সানী, শামসুর রহমান, জহুরুল ইসলাম অমি এবং শুভাগত হোমও আছেন এই স্কোয়াডে।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডে টেস্ট ক্রিকেটে ভালো পারফর্ম করা ইবাদত হোসেন আছেন দলে, আরও আছেন শফিউল ইসলাম।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা আন্দ্রে রাসেলও খেলবেন ঢাকার দলে। এবারে তিনি বিপিএল আসছেন সবচেয়ে দামি ক্রিকেটারের তকমা নিয়ে, প্রায় সোয়া দুই কোটি টাকা পাচ্ছেন তিনি।

রাসেল ছাড়া ঢাকার বিদেশি ক্রিকেটার বেশিরভাগই আফগানিস্তানের-কাইস আহমেদ, নাজিবুল্লাহ জাদরান, ফাজাল হক ফারুকী, মোহাম্মদ শাহজাদ আছেন এই দলে।

দলটির কোচের দায়িত্ব পালন করবেন মিজানুর রহমান। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাথেও সম্প্রতি কাজ করেছেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশের যুব দলের হেড কোচ ছিলেন মিজানুর রহমান।

যদিও আসর শুরুর দুইদিন আগে মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ দেখা গেছে, তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মতো আসরে মাশরাফি-রিয়াদের উপস্থিতি দলটিকে অভিজ্ঞতার দিক থেকে এগিয়ে রাখবে।

তামিম ইকবাল বিপিএল দিয়েই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ফিরেছেন। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলেননি তামিম। মাঝে নেপালে এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগে খেলতে গিয়ে চোট পেয়ে ফেরত আসেন তিনি।

দেশি-বিদেশীদের সমন্বয়ে শক্তিশালী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স
অধিনায়ক- ইমরুল কায়েস
কোচ-মোহাম্মদ সালাউদ্দিন

দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলে ইমরুল কায়েস আসা যাওয়ার মধ্যেই থাকেন। কখনও কখনও গণমাধ্যমে আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন যে জাতীয় দলে যথেষ্ট সুযোগ পাননি তিনি। তবে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ইমরুল কায়েস এখনও ভরসার নাম।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। এর আগেও তার অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দল।

একই সাথে এই দলের কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনও বিপিএলে সফল কোচ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে দেশি ও বিদেশি ক্রিকেটারদের একটা সমন্বয় লক্ষ্য করা গেছে।

দেশের ক্রিকেটের তারকাদের মধ্যে লিটন দাস, মুস্তাফিজুর রহমান আর মুমিনুল হক আছেন এই দলে।

বিদেশি ক্রিকেটারদের তালিকাটাও বেশ শক্তিশালী। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ম্যাচ উইনার হিসেবে পরিচিতি আছে এমন খেলোয়াড় আছেন দলে-মঈন আলী, ফ্যাফ ডু প্লেসি এবং সুনীল নারাইন।

এছাড়া ক্যামেরন ডেলপোর্ট ও কারিম জানাতও আছেন দলে। ডেলপোর্টের বিপিএল অভিজ্ঞতা আছে এবং কারিম জানাত সম্প্রতি আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপে আরও শক্তি যোগ করেছেন। দ্রুত রান তোলার সুনাম আছে এই আফগানের।

দেশের উইকেটে বিশেষত ঢাকায় ও সিলেটে, মুস্তাফিজুর রহমান বেশ কার্যকরী টি-টোয়েন্টি বোলার। তার সাথে নারাইন ও মইন আলী একাদশে থাকলে কুমিল্লার বিপক্ষে রান তোলা মুশকিল হবে প্রতিপক্ষের জন্য।

একই সাথে বাংলাদেশের উইকেটের সাথে মানিয়ে নিয়ে ব্যাট করার সামর্থ্য রাখেন দীর্ঘদিন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলা ফ্যাফ ডু প্লেসি ও মঈন আলী।

ড্রাফট থেকে দলে টানা আরও দুই বিদেশী কুশল মেন্ডিস এবং ওশান টমাসও বাংলাদেশের কন্ডিশনে ক্রিকেট খেলে অভ্যস্ত।

খুলনার শক্তি লঙ্কান ক্রিকেটাররা
অধিনায়ক-মুশফিকুর রহিম
কোচ-ল্যান্স ক্লুজনার

বিপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রানের মালিক মুশফিকুর রহিম। তিনি এই টুর্নামেন্টের একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার, যদিও অধিনায়ক হিসেবে তেমন সফলতা পাননি। কিন্তু যে দলেই খেলেছেন তাকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে সেই দল।

এবারেও কোচ ল্যান্স ক্লুজনার দলের সাথে কাজ শুরু করেই মুশফিকুর রহিমের কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশংসা করেছেন। ১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের টুর্নামেন্ট সেরা সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ল্যান্স ক্লুজনারের দলে পেস বোলিং অলরাউন্ডারের প্রাধান্য লক্ষ্যণীয়।

শ্রীলঙ্কার থিসারা পেরেরার সঙ্গে আছেন বাংলাদেশের সৌম্য সরকার ও ফরহাদ রেজা।

স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার সোহরাওয়ার্দী শুভ ও মেহেদি হাসান, শ্রীলঙ্কার সেকুগে প্রসন্ন এবং জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা দলের শক্তি বাড়িয়েছেন

পেস বোলিং সামলাবেন কামরুল ইসলাম রাব্বি-যিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে অন্যতম সফল বোলার। গত বছর তিনি ঘরোয়া একদিনের টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশী উইকেট পাওয়াদের তালিকায় ছিলেন, ব্যাট হাতেও খারাপ নন। তার সঙ্গে থাকবেন আফগানিস্তানের নাভীন উল হক।

২০১৯-২০ মৌসুমে খুলনা টাইগার্স প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলেছিল।

বাংলাদেশি ম্যাচ উইনার আছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সে
অধিনায়ক-মেহেদী হাসান মিরাজ
কোচ-পল নিক্সন

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সে তেমন নামকরা বিদেশি ক্রিকেটার নেই। তবে যারা আছেন তারা বিপিএলে এর আগে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছেন।

বিশেষত রায়াদ এমরিট-ক্যারিবিয়ান এই ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তেমন পরিচিতি পাননি, তবে পাকিস্তান সুপার লিগ এবং ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিতভাবেই একাদশে জায়গা পেয়েছেন তিনি।

বাকি বিদেশি ব্যাটসম্যানরাও নিজ নিজ দেশের টি-টোয়েন্টি আসরে সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।

উইল জ্যাকস কাউন্টি দল সারের ক্রিকেটার-২০২০ সালের ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগে ১৫০ স্ট্রাইক রেটে ৩০৯ রান তুলে টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছিলেন। সারে সেই মৌসুমে রানার আপ হয়েছিল, আর এতে বড় অবদান রেখেছিলেন এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

কেনার লুইস এসেছেন জ্যামাইকা থেকে। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে পাওয়ার-প্লেতে দ্রুত রান তোলায় সুনাম আছে এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের।

বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে চট্টগ্রামে আরও আছেন ইংল্যান্ডের বেনি হাওয়েল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের চ্যাডউইক ওয়ালটন। এই দলের স্থানীয় ক্রিকেটাররাও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কার্যকরী -জাতীয় দলের আফিফ হোসেন এবং শামীম হোসেন পাটোয়ারী আছেন টিমে।

শরিফুল ইসলাম আছেন পেস বোলিং বিভাগে, তার সাথে আছেন যুব বিশ্বকাপে ভালো বল করা মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের পেস বোলিং কোচের দায়িত্বে আছেন শন টেইট।

স্পিন বোলিং বিভাগে আছেন নাসুম আহমেদ ও তার ছোটবেলার 'ক্রিকেট গুরু' এনামুল হক জুনিয়র।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া সাব্বির রহমান ইতোমধ্যে বলেছেন, দলের হয়ে বিপিএলে পারফর্ম করে তিনি জাতীয় দলে ঢোকার সুযোগ তৈরি করতে চান।

অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান আকবর আলীও আছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সে।

সাকিব আল হাসান ও খালেদ মাহমুদ সুজনের ফরচুন বরিশাল
অধিনায়ক-সাকিব আল হাসান
কোচ-খালেদ মাহমুদ সুজন

জাতীয় দলের তো বটেই, বিপিএলেও সবচেয়ে সফল ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। এর আগে হওয়া সাতটি আসরের মধ্যে তিন বারই টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

সাকিব নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফরচুন বরিশালের। তবে শুধু অধিনায়কের দায়িত্বই নয়, কাকে দলে নেবেন, কোচ কে হবে এসব দায়িত্বও সাকিবের কাঁধেই দিয়েছে ফরচুন বরিশালের মালিকপক্ষ।

খালেদ মাহমুদ সুজনের সাথে এর আগে জাতীয় দল, বিপিএলের ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজ এবং ঘরোয়া লিগে আবাহনী লিমিটেডে কাজ করেছেন সাকিব।

অতীতে কাজের অভিজ্ঞতা থেকেই সাকিব নিজেই সুজনকে ফোন করে এই দায়িত্ব নেয়ার প্রস্তাব করেছিলেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের এই টিম ডিরেক্টর।

কাগজে কলমে বেশ শক্তিশালী দল গড়েছে ফরচুন বরিশাল। ক্রিস গেইল আছেন, আছেন ডোয়াইন ব্রাভো ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা স্পিনার মুজিব উর রহমান।

মুজিব, ব্রাভো ও সাকিবের মতো ক্রিকেটাররা দেশের ধীরগতির উইকেটে ভালো সুবিধা আদায় করতে পারেন। একই সাথে এই দলে কিছু তরুণ বাংলাদেশি ক্রিকেটার আছেন, যাদের ওপর বরিশাল নির্ভর করতে পারবে।

ব্যাটিংয়ে আছেন জাতীয় দলে খেলা নাজমুল হোসেন শান্ত, তরুণ ক্রিকেটার তৌহিদ হৃদয় ও হার্ড হিটার মুনীম শাহরিয়ার। এছাড়া আছেন দেশের নিয়মিত টেস্ট ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম।

তবে স্পিন আক্রমণে আছেন ইংল্যান্ড থেকে আসা জেক লিনটট। এই বাহাতি স্পিনার ২৭ বছর বয়সে পেশাদার ক্রিকেট খেলা শুরু করে এরই মধ্যে ৩৮ ম্যাচে ৪৪ উইকেট নিয়েছেন।

মুজিব উর রহমান আফগানিস্তানের হয়ে খেলার কারণে শুরুর দিকে কিছু সময় বিপিএল মিস করবেন, তখন জেক লিনটট হয়ে উঠতে পারেন তার ভালো বিকল্প।

তবে ফরচুন বরিশালের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে ব্যাটিং অর্ডার সাজানো-বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানই টপ অর্ডারে ব্যাট করতে পছন্দ করেন এই স্কোয়াডের।

এই দলে পরামর্শক হিসেবে আছেন বিকেএসপির ক্রিকেট প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম।

সিলেট সানরাইজার্সের সমস্যা ও সম্ভাবনা
অধিনায়ক-মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত
কোচ-মারভিন ডিলন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ফাস্ট বোলার মারভিন ডিলন এই প্রথম বিপিএলের কোচের দায়িত্ব পেলেন।

ডিলন বোলিং আক্রমণে পাচ্ছেন তারই দেশের কেসরিক উইলিয়ামসকে। আর তাসকিন আহমেদ এবং আল আমিন হোসেনের মতো ফাস্ট বোলারও আছেন সিলেটের স্কোয়াডে।

তবে ব্যাটিং লাইন-আপের দিক থেকে সিলেট এবারের বিপিএলের অনেক দলের তুলনায় পিছিয়ে। এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতদের সাথে বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে আছেন ইংল্যান্ড থেকে আসা রাভি বোপারা। বোপারা বিপিএলে অভিজ্ঞ-ব্যাটিং দক্ষতার সাথে বল হাতেও ভূমিকা রাখতে পারেন এই অলরাউন্ডার।

ব্যাটসম্যানদের তালিকায় আরও আছেন মোহাম্মদ মিঠুন এবং অলক কাপালি। আর বিদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কলিন ইনগ্রাম এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেন্ডল সিমন্স।

সিলেট সানরাইজার্সের ব্যাটিং কোচ জুলিয়ান উডকে নিয়ে বেশ উৎসাহ দেখা যাচ্ছে ক্রিকেটারদের মধ্যে। তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয় আকষর্নীয় দিক হার্ড হিটিং ব্যাটিং নিয়ে কাজ করেন।

সিলেট দলের স্পিন আক্রমণে আছেন সোহাগ গাজী, জুবায়ের হোসেন লিখন এবং নাজমুল ইসলাম। তারকার ছড়াছড়ি না থাকলেও সামগ্রিকভাবে দলে ভারসাম্য আছে সিলেটের।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর