Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১২ জুলাই, ২০১৯ ১১:৩৮

রাবির হলে সিট দখলমুক্ত করতে একাট্টা প্রাধ্যক্ষ পরিষদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

রাবির হলে সিট দখলমুক্ত করতে একাট্টা প্রাধ্যক্ষ পরিষদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো ক্ষতাসীনদের অবৈধ দখলমুক্ত করতে একাট্টা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ পরিষদ। হলের সিট অবৈধ দখলরোধে প্রশাসন ও ছাত্রনেতাদের সঙ্গে একটি ত্রিমাত্রিক সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে আগামী কোরবানি ঈদে হল ছুটি কমিয়ে আনার ব্যাপারেও আলোচনা করেছেন প্রাধ্যক্ষরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রাধ্যক্ষ পরিষদের এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে একাধিক হল প্রাধ্যক্ষ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হলগুলোতে আমরা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে শিক্ষার্থী তুলতে পারছি না। ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের ব্যানারে এক হলের শিক্ষার্থী অন্য হলে থাকছে। আবার দেখা যাচ্ছে, প্রথম বর্ষের কোনও শিক্ষার্থী অবৈধভাবে হলে থাকছে, আর হলে সিট বরাদ্দ পাওয়া চতুর্থ বর্ষ কিংবা মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা মাসের পর মাস ভাড়া দিয়েও সিটে উঠতে পারছে না। এই কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসন ও ছাত্রনেতাদের সঙ্গে একটি ত্রিমাত্রিক সভা হতে পারে।

সভায় প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক সাবিনা সুলতানার সভাপতিত্বে বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষরা বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

এ সময় মতিহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুসতাক আহমেদ রাবিতে ক্রমবর্ধমান উড়োচিঠি পাঠিয়ে ব্যক্তি, প্রাতিষ্ঠানক ও একাডেমিক সুনাম ও মর্যাদাহানির বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব করেন। 

অধ্যাপক মুসতাক আহমেদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করে প্রাধ্যক্ষ পরিষদ। প্রাধ্যক্ষ পরিষদের সদস্যরা মনে করছে- প্রতিহিংসা, লোভ, ব্যক্তি স্বার্থসিদ্ধির অভিলাষ থেকে একশ্রেণির খোলসধারী প্রগতিশীল শিক্ষকদের ফাটল সৃষ্টির অনুপ্রবেশকারী অসহিষ্ণু হয়ে এই ধরনের অপকর্মে জড়িত। তারা বর্তমান সরকারের উন্নয়নকাজকে বাধাগ্রস্ত করতেই উড়োচিঠি আমদানি করছে। এই শ্রেণি শিক্ষক কমিউনিটির মানমর্যাদাকে পক্ষান্তরে সমাজে হেয় করছে। এছাড়াও সভার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যবধর্ন তরান্বিত করা বিষয়ক রাস্তাঘাট, জঙ্গল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা বিষয়ে আলোচনা করে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।  

এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম বলেন, হলের সিট দখলমুক্ত ও ঈদে হল ছুটি কমানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমরা সভায় আলোচনা করেছি। গত রোজা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে আবাসিক হল বেশিদিন বন্ধ থাকায় এবার শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আবাসিক হল বন্ধের পরিমাণ কমানোর জন্য আমরা প্রস্তাব রাখবো।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য