শিরোনাম
প্রকাশ : ২ আগস্ট, ২০২১ ১৮:২৪
প্রিন্ট করুন printer

বিএনপিপন্থিদের ফুলেল শুভেচ্ছা প্রত্যাখ্যান করলেন রাবি উপ-উপাচার্য

রাবি প্রতিনিধি

বিএনপিপন্থিদের ফুলেল শুভেচ্ছা প্রত্যাখ্যান করলেন রাবি উপ-উপাচার্য
Google News

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নতুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান উল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থিদের কর্মকর্তারা ফুলেল শুভেচ্ছা দিতে এলে তা প্রত্যাখ্যান করার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার দুপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে এ ঘটনা ঘটে।

শোকের মাস চলার কারণে ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেননি বলে দাবি করছেন উপ-উপাচার্য।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম বলেন, এখন শোকের মাস চলছে। যে মাসে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে, সেই মাসে কারো ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আজকে বিএনপিপন্থি কিছু অফিসার আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। আমি তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেছি কিন্তু ফুলের তোড়া গ্রহণ করিনি।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ করতে গিয়ে নিয়োগপত্রপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছিলেন জাতীয়তাবাদী অফিসার্স পরিষদের সদস্যরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী অফিসার সমিতির আহ্বায়ক একেএম নজরুল ইসলাম শেলীর নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সদস্য ফুল নিয়ে রুটিন উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান। বিষয়টি জানতে পেরে সাড়ে ১২টার দিকে সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের শেষ কর্মদিবসে এডহকে নিয়োগপত্রপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা প্রশাসন ভবনে প্রবেশ করেন। তাঁরা উপচার্যের কনফারেন্স কক্ষে বিএনপিপন্থি অফিসারদের শোকের মাসে ফুল নিয়ে আসার কারণ জানতে চান। সেখানে উচ্চবাচ্য শুরু করলে প্রক্টর লিয়াকত আলী এসে তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ফুলের তোড়াটি নিয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে পুড়িয়ে দেয়।

এডহকে নিয়োগপ্রাপ্ত রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান সুমন বলেন, এখন শোকের মাস চলছে। ঠিক এই মুহূর্তে বিএনপি-জামাতের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত অফিসরেরা রুটিন উপাচার্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিতে গিয়েছিলেন। আমরা বিষয়টি দেখে আর্দশগত জায়গা থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানাই। উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে গিয়ে আমরা ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করি। পরে প্রক্টর স্যার আমাদের আশ্বাস দেন ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করা হবে না।

এ ব্যাপারে জাতীয়তাবাদী অফিসার্স পরিষদের আহ্বায়ক একেএম নজরুল ইসলাম শেলী বলেন, আমরা আগেই অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নিয়েছিলাম। সাধারণত সৌজন্য সাক্ষাতে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। সে বিবেচনায় আমরা ফুল নিয়ে এসেছি। এখানে আসার পর উপ-উপাচার্য তাঁর সচিবের মাধ্যমে জানান, তিনি ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন না। তাই আমরা তো ফুলের তোড়া সরিয়ে রাখি।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর