শিরোনাম
২৯ জুন, ২০২২ ১৮:০০

সিলেটে বন্যার প্রভাবে শ্রীমঙ্গলে পর্যটন ব্যবসায় ধস

দীপংকর ভট্টাচার্য লিটন, শ্রীমঙ্গল

সিলেটে বন্যার প্রভাবে শ্রীমঙ্গলে পর্যটন ব্যবসায় ধস

সিলেটে বন্যার প্রভাবে শ্রীমঙ্গলে পর্যটন ব্যবসায় ধস

সিলেটে আকস্মিক বন্যায় ধস নেমেছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার পর্যটন ব্যবসায়। এ উপজেলায় বন্যা না হলেও গত দুই সপ্তাহ ধরে কোনো পর্যটকই এখানে আসছেন না। বাতিল করে দিচ্ছেন আগাম বুকিং দেওয়া রুম। তাই খালি পড়ে আছে এখানকার অধিকাংশ রিসোর্ট, হোটেল-মোটেলগুলো। এতে করে আবারো আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, পর্যটন শিল্পকে ঘিড়ে এখানে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক রিসোর্ট, হোটেল-মোটেল। করোনা মহামারির কারণে প্রায় দীর্ঘ দুই বছর এসব রিসোর্ট, হোটেল-মোটেল বন্ধ ছিল। এতে লাখ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। গত তিন-চার মাস আগে বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় আবারো পর্যটকরা এখানে আসতে শুরু করেছিলেন।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, তারা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। চেষ্টা করছিলেন ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার।

শ্রীমঙ্গল শান্তিবাড়ী ইকো কটেজের মালিক লিংকন জানান, ‘সিলেটে বন্যা হওয়ায় পর্যটকরা তাদের বুকিং বাতিল করে দিচ্ছেন। গত ১৫ দিন ধরে তার কটেজটি খালি পড়ে আছে।’

গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ’র জিএম আরমার খান বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলে কোনো বন্যা হয়নি। তবুও আমরা বুকিং পাচ্ছি না। সিলেট মানেই তো শ্রীমঙ্গল নয়, শ্রীমঙ্গল একটি আলাদা উপজেলা। এখন বর্ষা মৌসুমে পর্যটকরা এখানে এসে প্রকৃতির অবারিত সৌন্দর্য অবলোকন করতে পারবেন।’

পর্যটন সেবা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের মালিক সেলিম আহম্মেদ বলেন, এখন পর্যন্ত ঈদের একটি বুকিং হয়নি। মানুষ মনে করছে সিলেট মানেই শ্রীমঙ্গল। শ্রীমঙ্গলকে নিয়ে আলাদা কোনো ব্র্যান্ডিং হয়নি। এই ব্র্যান্ডিং হওয়াটা খুবই জরুরি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলী রাজীব মাহমুদ মিঠুন বলেন, শ্রীমঙ্গলে কোনো বন্যা নেই। পর্যটকরা এখানে এসে স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারেবেন। পর্যটকদের নিরাপত্তা জন্য আমাদের উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর