শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

রাজনীতির দাপুটে দুই মাওলানা

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
রাজনীতির দাপুটে দুই মাওলানা

অ্যাডভোকেট আবদুল জব্বার ছিলেন পাকিস্তান আমলে খুলনার বাম রাজনীতির প্রাণপুরুষ। মওলানা ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি। হুজুর ভাসানীর বিশ্বস্ত ও প্রিয় পাত্র হিসেবে বিবেচিত হতেন তিনি। ব্রিটিশ আমলে অ্যাডভোকেট জব্বার কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা মাওলানা আবুল কালাম আজাদেরও খুবই কাছের লোক ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শহীদ হন এই প্রথিতযশা আইনজীবী।

অ্যাডভোকেট আবদুল জব্বারের একনিষ্ঠ শাগরেদ ছিলেন আমার এক মামা। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকবার ন্যাপের ওই শীর্ষনেতার বাসভবনে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। জব্বার সাহেব বলতেন, তিনি রাজনৈতিক গুরু হিসেবে দুই মাওলানাকে পেয়েছেন। এদের একজন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। অন্যজন হুজুর ভাসানী। মাওলানা আজাদ ছিলেন হুজুর ভাসানীরও নেতা। অবিভক্ত ভারতবর্ষের শীর্ষ আলেমদের একজন। কংগ্রেসের সভাপতি পদেও অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন তিনি। মওলানা ভাসানীর পরিচিতি ছিল পীর হিসেবে। ধর্মীয় নেতা হিসেবে পরিচিতি গড়ে উঠলেও তারা দুজনই ছিলেন আক্ষরিক অর্থেই অসাম্প্রদায়িক। ধর্ম ও রাজনীতিকে তারা কখনো এক ঝুলিতে ভরেননি। অ্যাডভোকেট আবদুল জব্বার দুঃখ করে বলতেন, কংগ্রেসের অন্য নেতারা মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মতো অসাম্প্রদায়িক হলে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে ভারত ভাগের প্রয়োজন হতো না।

মুক্তিযুদ্ধে আমাদের এক সহযোদ্ধা আবদুল্লাহ ছিলেন মাদ্রাসার ছাত্র। তাঁর বাবা ছিলেন নোয়াখালীর এক মসজিদের ইমাম। মাওলানা আজাদের ভাবশিষ্য। ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সদস্য। পাকিস্তান আমলে মুফতি মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কর্মী। তিনি বলতেন, কোরআনের ভাষা আরবি। জান্নাতের ভাষাও আরবি। আরবি ভাষায় পাকিস্তান উচ্চারণ করা যায় না। কারণ সে ভাষায় ‘প’ জাতীয় কোনো অক্ষর নেই। মুফতি মাহমুদের দল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বেশ জনপ্রিয়। ১৯৭২ সালে তিনি ওই প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের যেসব দল শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পক্ষে ছিল জামিয়াতে উলামায়ে ইসলাম তাদের অন্যতম। ভুট্টোর হুমকি অগ্রাহ্য করে ১৯৭১ সালের মার্চে মুফতি মাহমুদ ঢাকা সফর করেন। কৌশলগত কারণে জামিয়াতে উলামায়ে ইসলামের পাকিস্তানি শাখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে নীরব থাকতে বাধ্য হয়। তবে ওই দলের বাংলাদেশি আলেমদের কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। যাঁদের অন্যতম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

পাকিস্তানে এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় ইসলামি দল জামিয়াতে উলামায়ে ইসলাম। যার নেতৃত্বে মুফতি মাহমুদের পুত্র মাওলানা মুফতি ফজলুর রহমান। যিনি বাংলাদেশ সফরে আসেন ১৪ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত খতমে নবুয়ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে।

জব্বার সাহেব বলতেন, তিনি রাজনৈতিক গুরু হিসেবে দুই মাওলানাকে পেয়েছেন। এদের একজন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। অন্যজন হুজুর ভাসানী। মাওলানা আজাদ ছিলেন হুজুর ভাসানীরও নেতা। অবিভক্ত ভারতবর্ষের শীর্ষ আলেমদের একজন। কংগ্রেসের সভাপতি পদেও অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন তিনি। মওলানা ভাসানীর পরিচিতি ছিল পীর হিসেবে

রাজনীতির দাপুটে দুই মাওলানাবলছিলাম মাওলানা আজাদের কথা। তাঁর পুরো নাম আবুল কালাম মহিউদ্দিন আহমেদ। আজাদ ডাকনাম। তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের শীর্ষস্থানীয় স্বাধীনতাসংগ্রামী। স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী। দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ নামেই তিনি বেশি পরিচিত। তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের অন্যতম সেরা আলেম। তাঁর পূর্বপুরুষরা ছিলেন আফগানিস্তানের হেরাতের অধিবাসী। ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের আমলে তাঁরা ভারতে আসেন। প্রথমে আগ্রায় ও পরবর্তীকালে দিল্লিতে থিতু হন। মোগল দরবারের শীর্ষ আলেম ছিলেন আজাদের পূর্বপুরুষরা।

১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর ভারতবর্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে মোগল শাসনের অবসান ঘটে। শেষ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে বার্মার রেঙ্গুনে নির্বাসন দেওয়া হয়। মাওলানা আজাদের বাবা খায়েরউদ্দিন সে প্রতিকূল অবস্থায় ভারত ছেড়ে মক্কায় চলে যান। সেখানেই বসবাস করেন তিনি। মক্কার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করেন। ১৮৮৮ সালের ১১ নভেম্বর পবিত্র মক্কা নগরীতে মাওলানা আজাদের জন্ম। পুত্রসন্তানের বাবা হওয়ার দুই বছর পর ১৮৯০ সালে খায়েরউদ্দিন সপরিবার কলকাতায় চলে আসেন। আজাদের পরিবার কলকাতাতেই স্থায়ী হয়। খায়েরউদ্দিন নিজে ছিলেন সুশিক্ষিত। সে সময়ে কলকাতা বা ভারতবর্ষের প্রচলিত স্কুল কিংবা মাদ্রাসা শিক্ষায় আজাদের বাবার তেমন আস্থা ছিল না। তাই তিনি বাড়িতেই আজাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করেন। বাড়িতে তিনি মাতৃভাষা আরবিতে গণিত, জ্যামিতি, দর্শন সম্পর্কে শিক্ষা নেন।

তরুণ বয়সে মাওলানা আজাদ ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্য বিপ্লবী চিন্তাধারার দিকে ঝুঁকে পড়েন। অরবিন্দ ঘোষ এবং শ্যামসুন্দর চক্রবর্তীর মতো বিপ্লবী নেতাদের সংস্পর্শে বিপ্লবী রাজনীতিতে দীক্ষা নেন। ভাবেন সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমেই কেবল দেশের স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব।

দেশবাসীকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করতে ‘আল হিলাল’ নামের একটি উর্দু পত্রিকা প্রকাশ করেন মাওলানা আজাদ। এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশবিরোধী মনোভাব মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেন। অল্প দিনেই পত্রিকাটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মাওলানা আজাদ সম্পাদিত ‘আল হিলাল’-এর জনপ্রিয়তা দেখে ব্রিটিশ সরকার তড়িঘড়ি করে পত্রিকাটি বাজেয়াপ্ত করে। তত দিনে সাংবাদিকতায় মাওলানা আজাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। তিনি ‘আল বালাঘ’ নামে আরও একটি পত্রিকা চালু করেন। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার সেটিও বাজেয়াপ্ত করে। মাওলানা আজাদ ১৯২০ সালে খিলাফত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। এ আন্দোলনের সূত্র ধরে তিনি মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে পরিচিত হন এবং তাঁর অসহযোগ আন্দোলনেও জড়িয়ে পড়েন। অচিরেই মাওলানা আজাদ শীর্ষ পর্যায়ের কংগ্রেস নেতাদের একজন হয়ে ওঠেন। ১৯২৩ সালে মাত্র ৩৫ বছর রয়সে তিনি ভারতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৩৯ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। জাপানি বাহিনী ভারত সীমান্তে বার্মা পর্যন্ত চলে আসে। যুদ্ধে সরকারকে সমর্থন দানের প্রশ্নে কংগ্রেস দ্বিধান্বিত হয়ে পড়ে। কঠিন সময়ে মাওলানা আজাদ আবার কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৪০ থেকে ’৪৬ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

অহিংসবাদী মহাত্মা গান্ধী দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ব্রিটিশদের সহায়তা করার বিরুদ্ধে ছিলেন। শুনতে বেশ ভালো লাগলেও তা বাস্তবসম্মত ছিল না। মাওলানা আজাদের তত্ত্ব ছিল ‘যদি ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষের স্বাধীনতা দেয়, তবে কংগ্রেসের উচিত যুদ্ধে ব্রিটিশদের পক্ষে যোগ দেওয়া।’ তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘দেশের ভিতরের স্বাধীনতা সংগ্রাম আর বাইরের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই, এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে। ...এই দুটি বিষয়কে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।’

মাওলানা আজাদ মনেপ্রাণে ছিলেন দেশভাগের বিরোধী। অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন ভারতবর্ষ অর্জনে তিনি নিরলস চেষ্টা চালান। নেহরু, প্যাটেলসহ কংগ্রেস নেতাদের সংকীর্ণ মনোভাবে তিনি আহত হন। ১৯৩৬ সালে বোম্বাইয়ে পার্শি সম্প্রদায়ের নারিমান ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় নেতা। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা হবে এমনটিই ভাবা হতো। সরদার প্যাটেল ও তাঁর সহযোগীরা মুখ্যমন্ত্রী করেন একজন হিন্দু নেতাকে। বিহারে কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় নেতা ছিলেন ডা. সৈয়দ মাহমুদ। তিনি সর্বভারতীয় কংগ্রেসেরও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু তাঁকে বঞ্চিত রাখা হয় তিনি মুসলমান এই অপরাধে। অখণ্ড স্বাধীন ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার পক্ষপাতী ছিলেন মাওলানা আজাদ। যে ব্যবস্থায় পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকত। প্রদেশগুলো পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের অধিকারী হতো। এ প্রস্তাবে গান্ধীরও সমর্থন ছিল। ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ সরকারের পাঠানো কেবিনেট মিশনের প্রস্তাবে ভারতের তিনটি প্রধান অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসন রেখে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার গঠনের কথা বলা হয়। মুসলিম লীগ এ প্রস্তাবের পক্ষে ছিল। কিন্তু কংগ্রেস নেতারা উদার হতে পারেননি।

ভারতভাগের প্রস্তুতি নিয়ে লর্ড মাউন্টব্যাটেন যখন ভারতবর্ষে আসেন, তখনও মাওলানা আজাদ তা ঠেকাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু নেহরু ও প্যাটেলের মতো কংগ্রেস নেতারা তখন ভারতভাগের জন্য ছিলেন উন্মুখ। তাঁদের সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলেছেন ভারত ভঙ্গের পরিণাম নিয়ে। তত দিনে গান্ধীও চলে গেছেন নেহরু-প্যাটেলদের দলে। মাওলানা আজাদের পক্ষে মনঃকষ্টে ভুগতে হয়েছে সে সময়। ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ বিভক্ত হয় দুই দেশে। মাওলানা আজাদ ভারতের শিক্ষামন্ত্রী হন। তিনি পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের তত্ত্ব তুলে ধরেন। বলেন, তাতেই দুই দেশের মঙ্গল।

দুই.

১৭ নভেম্বর ছিল মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। হুজুরের খুব কাছের একজনের উদ্ধৃতি দিয়ে লেখাটি শেষ করতে চাই- ‘মওলানা হুজুর হঠাৎ দেখতে পেলেন, প্ল্যাটফরমে স্টেশনমাস্টার ছাড়া আর একটি লোক আছে। তাকে জোরেশোরে ডাকলেন কাছে আসতে। লোকটি বয়সে তরুণ। স্বাস্থ্য একেবারে লিকলিকে। তাকে কাছে ডেকে বললেন, তুমি গোয়েন্দা বিভাগের লোক, তাই না? লোকটি হ্যাঁ বলল না, তবে কাচুমাচু করতে লাগল। বললেন, আরে বাবা, তোমার ডিউটি তুমি করে যাও। আমাকে দেখিয়ে বললেন, এ হলো আমার সেক্রেটারি। খবরাখবর আমি গোপন রাখি না। অযথাই তোমরা হয়রান হবে কেন? যা জিজ্ঞেস করার আমাকে বা সেক্রেটারিকে করো। আমরা সহযোগিতা করব। মিথ্যা কথা লিখবা না। সত্য লিখবা। লিখবা, এই সম্মেলন জঙ্গি মেজাজের হবে কমিউনিস্টদের সব গ্রুপ আসবে না। লোকটাকে মওলানা ঘাবড়ে দিলেন একটি কথা বলে। বললেন, সম্মেলনের লোকজনকে খিচুড়ি খাওয়ানো হবে। সেজন্য সরকারকে লিখেছি, সুন্দরবনের নিলাম ডাকের ব্যবহারের অযোগ্য লাকড়ি আমাকে দিতে। আমি কিনে নেব। মালবাহী ট্রেনে ২/৪ দিন পর পাঁচবিবি পৌঁছাবে। ইয়াহিয়া খানের সরকার যদি মার্শাল ল’র দোহাই দিয়ে সম্মেলন পণ্ড করতে চায় তাহলে ওই লাকড়িই হয়ে যাবে হাতের লাঠি। পুলিশ ঠেকাতে পারবে না। জঙ্গি মিছিল পুলিশকে আক্রমণ করবে। তাই বলি জানাও, আমাদের শান্তিপূর্ণভাবে সম্মেলন করতে দেওয়া হোক। আমরা আক্রমণাত্মক হব না। আমরা আক্রমণাত্মক হব জুন মাসে। ঘুষ লালনপালনের আখড়াগুলো আক্রমণ করব। সাবরেজিস্ট্রারের অফিস, থানা অফিস, সিও রেভিনিউর অফিস কৃষককে শুধুই হয়রানি করে। সমাজের চরিত্র বদলাতে হবে। তাই এসবের খোলনলচে পাল্টাতে হবে। বুঝেছ কি বলতে চেয়েছি? তুমি কী বুঝবা? তোমার হাইর‌্যাঙ্কের অফিসারদের বোঝাতে পারি না। লোকটির প্রতি মায়াই হলো। হয়তো মাত্র কয়েক মাস হলো চাকরি হয়েছে, সে মওলানাকে কীভাবে চিত্রিত করবে। তার হয়তো ডিউটি ছিল, মওলানা ভাসানী পৌঁছেছেন কিনা, তা রিপোর্ট করা। সে এখন আটকে গেল জাতীয় রাজনীতিতে। কারণ দেশে মার্শাল ল’। এহেন সম্মেলন করার অনুমতি দেওয়া যায় না। কে শুনবে কার কথা। মওলানা তখন প্রশ্ন ওঠাবেন, তাহলে শাহপুরে যে মাস ছয়েক আগে সম্মেলন করলাম, তার চরিত্র তো একই ছিল। ঢাকাতে পারনি। মহিপুর একই। ঠেকাতে পারবা না। আমি করবই। গোয়েন্দা লোকটি এখন সটকাতে পারলে বাঁচে। এই ফাঁকে আমি একটু সেক্রেটারিগিরি করলাম। বললাম, যান, চলে যান। পরবর্তী সময়েও আমাদের পাবেন। ঠিক তখনই মওলানা হুজুর বললেন, বারী যাও তুমি চা-বিস্কুট খেয়ে আসো। আমার জন্যও নিয়ে এসো। স্টেশনমাস্টার বললেন, হুজুর আমার রুমে চলেন। সব আনাচ্ছি। গোয়েন্দাও বলল, হুজুর আমি চা নিয়ে আসি। মওলানা বললেন, বাইরে বসাতে আরাম পাচ্ছি। সকালের ঝিরঝির বাতাস। গোয়েন্দাকে বললেন, তুমি আনতে পারো কিন্তু পয়সা দিবা না। বারী পয়সা দেবে। তাই হয়েছিল। গোয়েন্দাটি দূরে গেলে মওলানা বললেন, এদের স্বল্প বেতন। এদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য কর না। সে খুব ঘাবড়ে গেছে। সহজ করতে চা আনতে বললাম। মাস্টার, তোমার রুমে আমি বিশ্রাম নিলে উপরস্থ অফিসার তোমাকে শোকজ করে না? স্টেশনমাস্টার বললেন, না হুজুর, তারা বরং বলেন, মওলানা সাহেবকে সেবা দেবেন। ওনার চোটপাটে পশ্চিমা অফিসাররা একটু হলেও থেমে থাকে।’ মওলানা ভাসানীকে কাছে থেকে দেখা : সৈয়দ ইরফানুল বারী)।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগ
মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস
বই ও নারী
বই ও নারী
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
সর্বশেষ খবর
সাবমেরিনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা নিয়ে যা বলল রাশিয়া
সাবমেরিনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা নিয়ে যা বলল রাশিয়া

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে আগ্রাসনবিরোধী যাত্রা করবে এনসিপি
বিজয় দিবসে আগ্রাসনবিরোধী যাত্রা করবে এনসিপি

৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি বিজিবি মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি বিজিবি মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

৫ উইকেট নিয়েও দলে জায়গা হারালেন নিসার
৫ উইকেট নিয়েও দলে জায়গা হারালেন নিসার

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে মহান বিজয় দিবস পালিত
পঞ্চগড়ে মহান বিজয় দিবস পালিত

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের শ্রদ্ধা

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান
আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান

২১ মিনিট আগে | রাজনীতি

মহান বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা
মহান বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী
কানাডায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

চাঁদপুরে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন
চাঁদপুরে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ফুলের শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ
সিরাজগঞ্জে ফুলের শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পিরোজপুরে নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালন
পিরোজপুরে নানা আয়োজনে বিজয় দিবস পালন

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষের জন্য আজ শ্রেষ্ঠতম একটা দিন: ড. আসিফ নজরুল
দেশের মানুষের জন্য আজ শ্রেষ্ঠতম একটা দিন: ড. আসিফ নজরুল

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

যথাযোগ্য মর্যাদায় জামালপুরে মহান বিজয় দিবস পালন
যথাযোগ্য মর্যাদায় জামালপুরে মহান বিজয় দিবস পালন

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর
দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম, আজ থেকে কার্যকর

৩৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের ফুলেল শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের ফুলেল শ্রদ্ধা

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৬ ডিসেম্বরের প্রত্যয় থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান : আসিফ নজরুল
১৬ ডিসেম্বরের প্রত্যয় থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান : আসিফ নজরুল

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

রাশিয়ার সাবমেরিনে ড্রোন হামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ইউক্রেন
রাশিয়ার সাবমেরিনে ড্রোন হামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ইউক্রেন

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবস উপলক্ষে সিডনিতে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ
বিজয় দিবস উপলক্ষে সিডনিতে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

যথাযথ মর্যাদায় মানিকগঞ্জে মহান বিজয় দিবস পালিত
যথাযথ মর্যাদায় মানিকগঞ্জে মহান বিজয় দিবস পালিত

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা
বিজয় দিবসে মুন্সীগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

৪৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

পরমাণু বিজ্ঞানে নতুন তিনটি সাফল্য পেল ইরান
পরমাণু বিজ্ঞানে নতুন তিনটি সাফল্য পেল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

নিরাপত্তার স্বার্থে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল
নিরাপত্তার স্বার্থে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৬ ডিসেম্বর)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭১’ এর স্বপ্ন রাষ্ট্র পূরণ করতে পারেনি: উপদেষ্টা রিজওয়ানা
৭১’ এর স্বপ্ন রাষ্ট্র পূরণ করতে পারেনি: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাধারণ মানুষের ঢল
মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাধারণ মানুষের ঢল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?
কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?

২৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার
ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন
ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?
সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন
হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?
অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ
বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম
আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে
হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর
আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিদেশে হাদির চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশে হাদির চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এভারকেয়ার ছাড়লেন ওসমান হাদি
সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে এভারকেয়ার ছাড়লেন ওসমান হাদি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন
হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা

১৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পৃথিবীতে ইহুদি বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: যুক্তরাষ্ট্র
পৃথিবীতে ইহুদি বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই: যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা
'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম
১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মঙ্গলবার ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল
মঙ্গলবার ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’

প্রথম পৃষ্ঠা

আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের
আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের

প্রথম পৃষ্ঠা

সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ
সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে
আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

মহান বিজয় দিবস আজ
মহান বিজয় দিবস আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ
হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ
হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে
সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি
জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ

সম্পাদকীয়

জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান
জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান

নগর জীবন

স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে
স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে

নগর জীবন

হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল

প্রথম পৃষ্ঠা

মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস

সম্পাদকীয়

নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে
বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার
গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার

খবর

আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে

সম্পাদকীয়

বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম
বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম

মাঠে ময়দানে

‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন
‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন

নগর জীবন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

নগর জীবন

সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার
সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার

খবর

যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ
যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল
আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল

নগর জীবন

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর

খবর

বই ও নারী
বই ও নারী

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস
বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

খবর

১০ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় হবে ১ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা
১০ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন, ব্যয় হবে ১ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা

নগর জীবন