শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩৫, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

অফিসে বসে ঘুমের দেশে

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
অফিসে বসে ঘুমের দেশে

দশ তলায় থাকি। ওপরতলার বাসিন্দা হওয়ায় নিচের তিন দিকে যা ঘটে দেখতে পাই; শুনতে পাই প্রভাতি পাখির কিচিরমিচির আর মানুষের বক্তৃতা-ভাষণের বিচিত্র সব আওয়াজ। এক শুক্রবার দুপুরে শুনি ‘মসজিদের টাংকি মেরামত চলছে। পানি সরবরাহ স্থগিত আছে। মুসল্লি ভাইয়েরা যার যার বাড়িতে অজু করে জুমার নামাজে আসুন।’ মাইকে এই পরামর্শ দেওয়ার সাত/আট মিনিট পর বলা হয়- ‘একটি সুখ সংবাদ। দরাজ আলীর ভাতিজা ফরাজ আলী ইন্তেকাল হয়েছেন। জুমার পরে তাঁর জানাজা হবে।’

ঘোষকের উচ্চারণদোষে ‘শোক’ হয়ে গেছে ‘সুখ’। রাজধানীর শাহজাহানপুর এলাকায় ১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত যে ভবনে থেকেছি তার বাঁদিকের ফ্ল্যাটে আমার পড়শি রাইসুল বারিক। তিনি ঘোরতর সরকারবিরোধী নাগরিক। এক সন্ধ্যায় তিনি বলেন, ‘বাই কবর পাইছেননি? মওদুদের হাতয় ফাওয়ার ছাড়ি দিয়া ব্যাডায় নাকি সৌদিতে ফলানোর ইস্খিম খরতেছে।’

বাই মানে ‘ভাই’। কবর মানে ‘খবর’। রাইসুল বারিকের কানে গুজব ঢুকেছে, উপরাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমদের হাতে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে এইচ এম এরশাদ পালিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার ইস্খিম (ফন্দি) করছেন। আমার এই পড়শিটি ন্যায়নিষ্ঠ, পরোপকারী এবং নিদ্রাবিদ্বেষী। তিনি বলতেন, চারদিকে যেসব অনাচার দিন দিন বেড়ে চলছে তার জন্য দায়ী বাঙালির নিদ্রামোহ। তাকে জাগিয়ে তুলতে হবে। জেগে ওঠা মানুষের অদম্য অভিযানে চুরমার হয়ে যাবে চণ্ড শক্তির দুর্গ।

বারিকের ভঙ্গিতেই এক বক্তা সেদিন মাইকে বক্তৃতা করছিলেন, চোখ বুজে আর চোখ খোলা রেখে আমরা নেতারা ঘুমাই আর ঘুমাই। নেতা মদন মজুমদারের কথাই ধরা যাক। লিডার মদন সকাল দশটায় বিছানা ছাড়েন, এগারোটায় নাশতা সারেন আর বারোটায় পাজামা-পাঞ্জাবি-কোটিতে সাজুগুজু হয়ে সমাবেশে বক্তৃতা দেন : জেগে ওঠো ভাই সকল। সব এলাকায় একজন দুজন মদন আছেন। মদনদের কাজ কী?

বক্তা নিজেই জবাব দেন। মদনদের কাজ হলো, নিজে যা করেন না বা করছেন না, তা করবার জন্য জনগণকে প্ররোচিত করা। তাঁরা বলেন, দুস্থজনকে অন্নদাও বস্ত্র দাও গৃহ দাও অর্থ দাও। দাও দাও দাও উচ্চারণে বড়ই মজা। দিব দিব দিব বলতে গেলে তাঁদের কলিজা ফুটো হয়ে রক্ত ঝরে। মদনদের কাছে আমাদের জিজ্ঞাসা, নয়বার কাতুকুতু দিয়ে আঠারোবার ঠ্যালা গুঁতো দেওয়া ছাড়া আপনারা ঘুম থেকে জেগে উঠতে অপারগ, অন্যকে জেগে উঠতে বলেন কোন্ আক্কেলে?

২.

কম সম্পদ, কম ঘুম, কম ঋণ, কম রোষ। এগুলো নাকি স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। হতেও পারে। তবে নিজের বেলায় করা নিরীক্ষণ বলছে, প্রথমটি কম থাকলে সমস্যা বেশি। স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য বাঙালির নিদ্রামোহপ্রয়োজনীয় প্রোটিনযুক্ত খাদ্য সংগ্রহ করতে গেলে টাকার পরিমাণ যথাযথ হওয়া চাই। ‘কম’ মানে কি যথাযথ?

প্রয়োজনীয় টাকা/সম্পদ কেমন করে অর্জন করি, এই ভাবনার ছোবল মাপা আট ঘণ্টাও ঘুমোতে দেয় না। কমপক্ষে ছয় থেকে আট ঘণ্টা না ঘুমোলে রক্তের ঊর্ধ্বচাপ ঘটে, মেজাজ হয় খিঁচখিচে এবং বেড়ে যায় ডায়াবেটিসে কবলিত হওয়ার ঝুঁকি। ঘুমের রয়েছে বেশ কিছু ইতিবাচক দিক। যেমন- দেহ ঝরঝরে হওয়া, স্মৃতি ধারণের শক্তি বৃদ্ধি এবং বিষময় উপাদানগুলো দেহ থেকে বের করে নেওয়ার সহায়ক হরমন তেজোদীপ্তকরণ।

মাত্রাধিক নির্ঘুমের মতোই ক্ষতিকর মাত্রাধিক ঘুম। জেলখানার অভিজ্ঞ এক কর্মকর্তার মুখে শুনেছি, মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া কয়েদির আধাপাকা চুল রায় ঘোষণার দিন সাতেকের মধ্যে পুরোপুরি পেকে যায়। মৃত্যুর গ্রাস এগিয়ে আসছে, এই চিন্তা তার ঘুম কেড়ে নেয়। নিদ্রাহীনতার প্রতিক্রিয়ায় শরীরের সেসব রসায়নকে অচল করে দেয়, যেসব রসায়ন চুলের স্বাভাবিকতা অটুট রাখার সহায়ক।

মজার ঘুমের জন্য নিরুদ্বেগ হওয়া অত্যাবশ্যক। দেখা যায়, কর্মব্যস্ত নগরের ব্যস্ততম সড়কের মাঝখানে থাকা আইল্যান্ডে ছিন্নমূল মানুষ ঘুমোচ্ছে। দুপাশ দিয়ে ছুটে যাচ্ছে কত গাড়ি। গাড়ির শব্দ, ভেঁপুর শব্দ হচ্ছে। তবু ঘটছে না নিদ্রাসংহার। ছিন্নমূলের উদ্বেগ নেই বলে? না, তা নয়। অবশ্যই উদ্বেগ আছে। খুবই সীমিত সেটা। আজ তো খেলাম, কাল খাওয়ার পয়সা জোগাড়ে কোথায় মজুর হই, ব্যবস্থা একটা করে দাও হে মাবুদ। স্রষ্টার কাছে এই আবেদন জানাতে জানাতে সুখের নিদ্রায় নিজেকে সঁপে দেয় তারা।

সুখনিদ্রার এক সাধক ১৯৭৪ সালে আমার হৃদযন্ত্রের কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করছিলেন প্রায়। সাধকের নাম গাজী লোকমান হোসেন। মেসবাড়িতে আমার রুমমেট নূরুল ইসলামের ‘লকু মামা’ তিনি। কুমিল্লার গ্রাম থেকে রাতে রওনা দিয়ে প্রত্যুষে রাজধানীতে তাঁর পদার্পণ। মেসবাড়িতে মানে চারতলা বাড়ির তেতলার একটি ফ্ল্যাট; এখানে আমরা পাঁচ বন্ধু বাস করি। চার বন্ধুর সকাল ন’টায় অফিসযাত্রা। আমার অফিস রাতের বেলায়। তাই দিনভর ঘরে থাকি। ভুট্টোর মা নামধেয় রাঁধুনি রোজ সকালে আমাদের জন্য রুটি-তরকারি বানিয়ে চলে যায় এবং ন’টার পর এসে ভাত-মাছ-ডাল পাকায়।

কেন জানি না সেদিন রুটি দিয়ে নাশতা না করে, মন চায় পরোটা-গোশত খেতে। মেসবাড়ির অদূরে বাজারের লাগোয়া রেলগেটের পাশে নামকরা রেস্তোরাঁয় ঢুকে গেলাম। ওদিকে রওনা দেওয়ার সময় দেখি, লকু মামা তাঁর ভাগনের খাটে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নাশতা সেরে ফিরে এসে দেখি মেসবাড়ির দোরগোড়ায় দশ-বারোজন লোক। তাদের সঙ্গে ভুট্টোর মা। সে জানায় বহুক্ষণ কড়ায় খটখটানো সত্ত্বেও   সাড়া দিচ্ছেন না নূরুলের মামু। কৌতূহল মেটাতে জড়ো হওয়াদের একজন বলল, খাইছে! আপ্তহইত্তা দিছে না তো? আরেকজন বলেন, পুলিশে ফোন দেওন দরকার।

আত্মহত্যা করেছেন? হৃদযন্ত্রটা টন করে উঠল। শাবল দিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকল সবাই। কলরব করতে করতে জনতা ঢুকে পড়ে কামরায়। দেখা যায় বিছানায় ডান কাত হয়ে ঘুমের গভীর ভিতরে শায়িত গাজী লোকমান হোসেন। বহিরাগতদের মধ্যে থাকা ষণ্ডা চেহারার ব্যক্তিটি গাজীর কাঁধে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি দিয়ে বলে, মইরছেননি মিয়া? ধড়মড়িয়ে জেগে ওঠে বসে পড়েন লকু মামা। একবার মাত্র চোখ মেলে বলেন, ‘য়্যাঁ? কি অইছে- কি অইছে?’ ফের নিজের মাথাটা বালিশে এলিয়ে দিয়ে ঘুমের দেশে তাঁর যাত্রা হলো শুরু।

৩.

‘মনোযোগ দিয়ে ঘুমানো এক শিল্পকর্ম।’ বলেছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক জয়নাল আবেদিন (বছর খানেক আগে প্রয়াত)। জনু ভাই বলতেন, উপরঅলার ইশারা ছাড়া রহমতসদৃশ ঘুম অসম্ভব। এ প্রসঙ্গে তিনি পবিত্র কোরআনে বর্ণিত ‘আসহাবে কাহ্ফ’ (গুহাবাসী সাথি) কাহিনি তুলে ধরেন। একেশ্বরবাদী সাত যুবককে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ধাওয়া করছিল নিপীড়ক রোমান সম্রাট দেসিয়াসের লেলিয়ে দেওয়া সৈন্যরা। ছুটতে ছুটতে সাত সাথি ঢুকে পড়ে একটি গুহায়। তাদের সঙ্গে ছিল কিতমির নামের এক কুকুর। ক্লান্তদেহী যুবকরা দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ে। তাদের পাহারা দেয় কিতমির।

ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর তাদের খুব খিদে পায়। এক যুবক স্থানীয় বাজারে গেল কিছু খাবার কিনে আনতে। কেনাকাটার পর মূল্য বাবদ যে মুদ্রা দেয়, দোকানি তা দেখে বলে, এটা সম্রাট দেসিয়াস আমলের মুদ্রা! এত পুরোনো মুদ্রা তুমি কোথায় পেলে? এ মুদ্রা তো অচল। হিসাব কষে দেখা যায় যে দেসিয়াস মারা যাওয়ার ৩০৯ বছর পর সাত যুবকের ঘুম ভেঙেছিল। খ্রিস্টধর্মের ইতিহাসেও এক আল্লায় গভীরভাবে বিশ্বাসী সাত যুবকের গুহায় আশ্রয় নেওয়ার বর্ণনা রয়েছে। ওই গুহা বর্তমান তুরস্কে ইফেসাস এলাকার সেলচুক নামক জায়গায় অবস্থিত। ঐতিহাসিক গুহা দেখার জন্য প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক পর্যটক ভিড় করে।

চোখ বুঁজে অফিসের চেয়ারে বসে ঘুমিয়ে পড়েন যারা- ধরা পড়লে তারা বলেন, সবই শুনতে পেয়েছি। চোখ বন্ধ রাখলেও কান খাড়া ছিল। অফিসে আসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্পের চোখ বোজা অবস্থায় যে ছবি ৭ নভেম্বর পত্রিকায় এসেছে, তা দেখে দুষ্টজনরা বলছেন, এনার তো হয়ে গেছে! একে দিয়ে কাজের কাজ কিস্সু হবার নয়। তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র টেইলার রজার্স বলেন, প্রেসিডেন্ট ঘুমোচ্ছিলেন না।

ট্রাম্পের মতো ‘সৌভাগ্য’ রিগানের ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রীদের বাতচিৎ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়তেন। তাঁর অফিসে বসে ঘুমের দেশে চলে যাওয়ার সমালোচনা করে পত্রিকায় লেখা হয়, ‘আমেরিকা এক জাগ্রত দেশ। তার ভাগ্যে জুটেছে এক ঘুমন্ত প্রেসিডেন্ট। ঈশ্বর দয়া কর। তাঁর নেতৃত্বে আমেরিকাকে ঘুমের জগতে নিয়ে যেও না প্রভু।’

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন তাঁর ফুফা হায়ন ইয়ং চোলকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিযুক্ত করেছিলেন। সুযোগ পেলেই চোল বলতেন, উন একটা গর্দভ। তাঁর উপদেষ্টারাও গর্দভ। গোয়েন্দারা ব্যাপারটি প্রেসিডেন্টকে জানায়। ফাজিল ফুফার দফারফার সুযোগ খুঁজতে থাকেন উন। সামরিক বাহিনীর এক অনুষ্ঠানে উনের উপস্থিতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী চোল হালকা ঘুম দিচ্ছিলেন। এজন্য তাঁকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল প্রকাশ্যে বিমানবিধ্বংসী কামানের গোলায় হায়ন ইয়ং চোলের দেহ গুঁড়ো গুঁড়ো করে দেওয়া হয়েছিল। বড় বড় অফিসে বড় বড় স্যারদের হালকাপাতলা ঘুমের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা থাকে। মাঝারি সাইজের স্যারদেরও তো অফিসে ঘুমানোর সাধ জাগে। যাদের জাগে তাদের ভাগ্য যেন বান্নার মতো না হয়।

পাড়াতুতো বড় ভাই বান্না। তাঁর অফিসে এলেন পাড়াতুতো ছোট ভাই পান্না। তিনি বলেন, খুব বিরক্ত দেখাচ্ছে আপনাকে। শরীর খারাপ বান্না ভাই?

‘না রে সেটা নয়’ বলেন বান্না, ‘অফিসটা এক্কেরে মাছের বাজার হয়া গেছে রে পান্না। কোনো পরিবেশ নাই।’ পান্না বলেন, কিসের পরিবেশ নাই।

বান্নার উত্তর : ঘুমের।

 

লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
স্বাস্থ্য শিক্ষা সুরক্ষায় কাটছাঁট
হাদির ওপর হামলা
হাদির ওপর হামলা
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
বিপন্ন বঙ্গোপসাগরের মাছ
বিপন্ন বঙ্গোপসাগরের মাছ
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই
নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই
হাদির পর কে টার্গেট?
হাদির পর কে টার্গেট?
অমর বাণী
অমর বাণী
সর্বশেষ খবর
অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক হামলা, নিহত বেড়ে ১৬
অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক হামলা, নিহত বেড়ে ১৬

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে একাধিক পরিবর্তন
নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে একাধিক পরিবর্তন

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান
আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ
প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি
আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী
মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’
‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান
ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান

২ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু
ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর
বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড
পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন
বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত
দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের
শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল
ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি
হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?
তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩
নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ
তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা
সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

১২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী
মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই
বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)
কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা
আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা

দেশগ্রাম

কোনো ছাড় দেওয়া হবে না
কোনো ছাড় দেওয়া হবে না

মাঠে ময়দানে

শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট
শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট

দেশগ্রাম

ছাত্রদল কর্মী হত্যার বিচার দাবি
ছাত্রদল কর্মী হত্যার বিচার দাবি

দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ
বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ

মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন

সম্পাদকীয়

বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা
বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা

দেশগ্রাম