শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৪৯, সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ১৪:৩১, সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলা

ট্রাইব্যুনালে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়া চলছে

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ট্রাইব্যুনালে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়া চলছে

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে।

সোমবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার রায় পড়া শুরু করেন। তিনি বলেছেন, এই রায় ৪৫৩ পৃষ্ঠার এবং ছয় ভাগে রায় ঘোষণা হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

প্রথম পর্যায়ে শুরুতে বিচারক ট্রাইব্যুনালের জুরিসডিকশন, আসামিদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ এবং রোম স্ট্যাটিউট অনুযায়ী সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির গ্রাউন্ড আদালতে পড়ে শোনান।  

আন্দোলন দমন করার জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলির ‘নির্দেশে’ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল এবং সাবেক মেয়ার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন কথোপকথন তুলে ধরেন তিনি।

একই সময়ে হেলিকপ্টার থেকে ‘ছত্রী সেনা নামানোর’ বিষয় শেখ হাসিনা এবং সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কথোপকথন তুলে ধরা হয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং পরবর্তীতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বিচারকাজ চলার সময় অডিও, ভিডিওসহ যেসব তথ্যউপাত্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে সেসবও বর্ণনা করেন বিচারক।

ঘটনার শিকার ও সাক্ষীরা কী বলেছে তার বর্ণনা দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন ভিডিওতে পাওয়া শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য–প্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।

এছাড়া ঢাকার যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার, আশুলিয়া, রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে যেভাবে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের হত্যা করা হয়েছে, সেগুলোর ভিডিও ও তথ্যপ্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।

এর আগে আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত রিপোর্টের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনায় ট্রাইব্যুনাল।

গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন জনের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোনে কথোপকথনগুলো শোনানো হয়। এর মধ্যে ছিল ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামালের সাথে ফোনালাপ।

আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হয়। এ রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমও সরাসরি সম্প্রচার করছে। 

গত ২৩ অক্টোবর প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনি যুক্তিতর্ক শেষ হলে এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ জানানোর জন্য ১৩ নভেম্বর দিন রাখেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য আজকের এই দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

দেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো সাবেক সরকারপ্রধানের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম রায় হতে যাচ্ছে। এ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে আইনে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানে আন্দোলনরত ১৪০০ মানুষকে হত্যা ও ২৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় করা এ মামলায় আনা অভিযোগ প্রমাণ হলে শেখ হাসিনা এবং তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড হবে নাকি অন্য কোনো সাজা দেওয়া হবে? এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে সবার দৃষ্টি আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দিকে।

শেখ হাসিনা ছাড়া তার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও তার সময়ের সর্বশেষ পুলিশপ্রধান (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এ মামলায় আসামি। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক। গণ অভ্যুত্থানে পতনের পর তারা পালিয়ে গিয়ে ভারতে অবস্থান করছেন। আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বর্তমানে কারাগারে। তিনি দোষ স্বীকার করে হয়েছেন রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার)। রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যও দিয়েছেন সাবেক এই আইজিপি।

আজকের এ রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে প্রথম কোনো মামলার বিচারকাজ শেষ হতে যাচ্ছে। রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চাওয়ার পাশাপাশি ট্রাইব্যুনালের কাছে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ চাওয়া হয়েছে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে। আর এ দুই আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন তাদের বেকসুর খালাস চেয়েছেন।

মামলার বিবরণ : গত বছরের ৫ আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২৫ মে থেকে ৮ অক্টোবরের মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে যেসব মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, তার মধ্যে জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলা আটটি। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারাধীন পাঁচটি মামলার মধ্যে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে এ মামলাটি ট্রাইব্যুনালের দ্বিতীয় মামলা।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ   
 

এই বিভাগের আরও খবর
ইলেকশন হবে ইনশাআল্লাহ, কোনো শঙ্কা নেই: সিইসি
ইলেকশন হবে ইনশাআল্লাহ, কোনো শঙ্কা নেই: সিইসি
প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল
প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল
সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট
সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট
আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত
আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত
সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আর নেই
সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আর নেই
হাবিবুরসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আজ শুরু হচ্ছে যুক্তিতর্ক
হাবিবুরসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আজ শুরু হচ্ছে যুক্তিতর্ক
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার অটুট থাকবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার অটুট থাকবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ইসির চিঠি
নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ইসির চিঠি
নিরাপত্তাহীনতায় শুধু ভোটার নয়, রাজনীতিবিদরাও
নিরাপত্তাহীনতায় শুধু ভোটার নয়, রাজনীতিবিদরাও
হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা
হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৫ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৫ ডিসেম্বর)
সর্বশেষ খবর
যেসব খাবার খেলে কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি
যেসব খাবার খেলে কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি

৩ মিনিট আগে | জীবন ধারা

ইলেকশন হবে ইনশাআল্লাহ, কোনো শঙ্কা নেই: সিইসি
ইলেকশন হবে ইনশাআল্লাহ, কোনো শঙ্কা নেই: সিইসি

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

সিডনিতে প্রাণঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের
সিডনিতে প্রাণঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা যুক্তরাষ্ট্রের

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মুন্সীগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক ১
মুন্সীগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক ১

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘এটি ছিল এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা’
‘এটি ছিল এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা’

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় নিহত ৩২৫
বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় নিহত ৩২৫

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উন্নত জীবনের আশা: শীতে মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্তে ৯ অভিবাসীর মৃত্যু
উন্নত জীবনের আশা: শীতে মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্তে ৯ অভিবাসীর মৃত্যু

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবীণদের মাঝে কম্বল বিতরণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবীণদের মাঝে কম্বল বিতরণ

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর
পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর

৪২ মিনিট আগে | শোবিজ

প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল
প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৪৮ মিনিট আগে | শোবিজ

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট
সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২
দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ত্রিবেনী চিত্র প্রদর্শনী ও জনস্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন
মুন্সীগঞ্জে ত্রিবেনী চিত্র প্রদর্শনী ও জনস্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্শদীপ
মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্শদীপ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আলাভেসকে হারিয়ে আপাতত রক্ষা আলোনসোর চাকরি
আলাভেসকে হারিয়ে আপাতত রক্ষা আলোনসোর চাকরি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শততম উইকেট নিয়ে অনন্য কীর্তি ভারতীয় অলরাউন্ডারের
শততম উইকেট নিয়ে অনন্য কীর্তি ভারতীয় অলরাউন্ডারের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত
আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় জিমি লাই দোষী সাব্যস্ত
হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় জিমি লাই দোষী সাব্যস্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ডানপন্থি কাস্ত
চিলির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ডানপন্থি কাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পঞ্চগড়ে সকালের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে
পঞ্চগড়ে সকালের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পিসিএল শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ
পিসিএল শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রিয়ালের স্বস্তির জয়
রিয়ালের স্বস্তির জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জকসু নির্বাচনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন ৮ প্রার্থী
জকসু নির্বাচনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন ৮ প্রার্থী

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় রায়েদ সাদসহ নিহত ৩৮৬
যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় রায়েদ সাদসহ নিহত ৩৮৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

১৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চুপিসারে বাগদান সারলেন অর্জুন
চুপিসারে বাগদান সারলেন অর্জুন

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

টি    স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে