শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩০, সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

আন্ডার সঙ্গে ডান্ডার বন্ধন, সর্বনাশের সাত লক্ষণ

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
আন্ডার সঙ্গে ডান্ডার বন্ধন, সর্বনাশের সাত লক্ষণ

আওয়ামী লীগ জমানাতে হঠাৎ করেই কীভাবে যেন আন্ডা অর্থাৎ ডিম হররোজ সংবাদ শিরোনাম হতে থাকল। জনৈক ব্যক্তির সঙ্গে খানবাহাদুর রায়বাহাদুর ইত্যাদি রাজকীয় উপাধির মতো আন্ডা শব্দটি শোভা পেতে থাকল এবং আন্ডার দাপটে বালুমহাল থেকে গরুর বাজার, ফেনসিডিল থেকে টেকনাফ সীমান্তের ইয়াবা কিংবা কক্সবাজারের ফাইভ স্টার হোটেল ব্যবসা থেকে শুরু করে ঢাকা-দুবাই স্বর্ণ চোরাচালান রীতিমতো শিল্পে পরিণত হলো। আন্ডার এত্ত সব বিজয় এবং সফলতার মূলে ছিল বিরাট এক ডান্ডা অর্থাৎ লাঠি। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বাহিনী প্রধান যখন আন্ডা মিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু-সাথি বা আশ্রয়দাতা এবং ব্যবসায়িক অংশীদার হলো তখন তাদের জন্য অর্থাৎ আন্ডার ডান্ডার জন্য একের পর এক খুলে যা হেম ছেমের মতো অর্থবিত্ত ভোগবিলাস, কামনাবাসনা, লোভলালসার পাহাড় রচিত হতে থাকল এবং আওয়ামী সরকারের পতনের রাস্তা প্রশস্ত হতে থাকল।

উল্লিখিত ঘটনা যখন ঘটছিল তখন আমি অবাক বিস্ময়ে ভাবছিলাম মানুষের নৈতিক ভ্রষ্টতা, অর্থলোভ এবং রুচিহীনতার স্তর কতটা নিম্ন পর্যায়ে পৌঁছলে একজন অসৎ ধড়িবাজ ফুটপাতের ডিম বিক্রেতার সঙ্গে রাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ বড়কর্তার সঙ্গম বা মিলন হতে পারে এবং আওয়ামী লীগের মতো একটি প্রাচীন রাজনৈতিক দল আন্ডা ডান্ডার মিলিত স্রোতে অকূলে হারিয়ে যেতে পারে! বাংলার ইতিহাসে আন্ডা ডান্ডার বন্ধনের মতো অতীতে চাকু মহিউদ্দিন, মুরগি মিলন, বাস্টার্ড সেলিম, টোকাই সাগর, কালা জাহাঙ্গীর, টুন্ডা বাবু ইত্যাদি লোকজনের সঙ্গে রাজনীতির হর্তাকর্তাদের দহরমমরহম যেমন মানুষের রুচি ও বিবেকে ঘা তৈরি করেছিল তা আওয়ামী লীগ জমানায় আন্ডা ডান্ডার বন্ধুত্বের মাধ্যমে দুর্গন্ধযুক্ত রক্তাক্ত পুঁজে পরিণত হয়ে যে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল তা এখন কতটা মহামারি আকার ধারণ করেছে তা নিয়ে আলোচনা করব। একই সঙ্গে এত্ত সব মহামারির মধ্যে আমাদের দেশ-জাতির জন্য যেসব সর্বনাশ অনিবার্য হয়ে পড়েছে, সেসব বিষয়ের সাতটি লক্ষণ সংক্ষেপে বর্ণনা করব। তার আগে আন্ডা ডান্ডা নিয়ে আরও কিছু কথা বলা আবশ্যক!

আমার কর্মজীবনে দেশের অনেক বাহিনীপ্রধান, সচিবালয়ের বড়কর্তা এমপি, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, ধর্মীয় নেতা, কবি-দার্শনিকের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। যারা সফল হয়েছেন এবং সুনামধারী ছিলেন তাদের রুচি আভিজাত্যবোধ এবং শিক্ষাদীক্ষা পদপদবির সঙ্গে বন্ধুবান্ধবদের একটি সামঞ্জস্য ছিল। কিন্তু যারা উঁচু পদে থেকে ফুটপাতের হকারদের প্রেমে পড়েছেন এবং নিজেদের জৈবিক চাহিদা মেটানোর জন্য রাস্তার ভ্রাম্যমাণ পথবধূদের পায়ে প্রণতি দিয়েছেন তাদের নির্মম পরিণতি পক্ষাঘাতগ্রস্ত নেড়ি সারমেয়দের মতোই হয়েছে। কেবল অর্থলোভ এবং যৌনলিপ্সার জন্য যারা মনুষ্যবিষ্ঠার অতলান্তে ডুব দিতে দ্বিধা করেননি তাদের শেষ পরিণতি কতটা নির্মম-নিষ্ঠুর এবং অবমাননাকর হতে পারে তা যদি কেউ দেখতে চান তবে আলোচিত আন্ডা নির্মম-নিষ্ঠুরমানব এবং ডান্ডা হুজুরের হালহকিকত দেখে আসতে পারেন।

প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী আকাশের রাজা ইগল, বনের রাজা বাঘ-সিংহ এবং মানুষের রাজা রাজনৈতিক নেতৃত্বের চূড়ান্ত যোগ্যতাসম্পন্ন রাষ্ট্রক্ষমতাপ্রাপ্ত নরনারী। প্রকৃতির রাজা-রানিরা অতীতে কোনো দিন তাদের চরিত্র এবং আভিজাত্য মরে গেলেও পরিবর্তন করেননি আর কেয়ামত পর্যন্ত করবেন না। কিন্তু মানুষের রাজা-রানিরা ক্ষণে ক্ষণে যেভাবে পায়ের জুতোকে মাথার মুকুট বানিয়ে উজির-নাজির, পাইক-পেয়াদার আরদালিদের বাধ্য করে জুতোর কাছে মাথা নত করে আত্মসমর্পণ করতে। তাতে করে কেয়ামতের মহাপ্রলয়ের আগেই রাজনৈতিক দল-মত-গোষ্ঠী, দেশ-জাতির ভাগ্যে যে দুর্ভোগ-দুর্দশা নেমে আসে তা মহাপ্রলয়ের চেয়ে কম নাকি বেশি তা কেবল ভুক্তভোগীরাই বলতে পারেন।

বাংলাদেশের রাজনীতির মহামারি যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় সংক্রমিত হয় তখন রাষ্ট্রযন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। অযোগ্যরা যোগ্যদের মাথার ওপর চেপে বসে এবং শর্তহীন আনুগত্য দাবি করে থাকে। কোনো অযোগ্য যদি বুঝতে পারে যে তার আশপাশে যোগ্য লোক রয়েছে, তবে সর্বশক্তি নিয়োগ করে যোগ্যকে অযোগ্য-অপদার্থ অকর্মণ্য বানানোর জন্য। শুরু করে তাপ-চাপ এবং শক্তিপ্রয়োগ। এ ক্ষেত্রে অযোগ্যরা বিন্দুমাত্র ছাড় দেয় না। রাজনীতির বিষবাষ্প যখন রাষ্ট্রশক্তিকে গ্রাস করে তখন দুর্নীতিবাজদের মধ্যে শুরু হয় তুমুল প্রতিযোগিতা। বস্তা বস্তা অর্থ মণকে মণ স্বর্ণ সংগ্রহ করে তার একটি ভাগ রাজনীতির পালের গোদাদের গোডাউনে জমা দেওয়ার জন্য যে ইঁদুর দৌড় শুরু হয় তা থামানোর জন্য কখনো কখনো কোনো দেশকাল জাতিকে শত বছর অবধি অপেক্ষা করতে হয়।

আমাদের দেশে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি শুরু হয়েছিল এরশাদ জমানায়। দুর্নীতির সঙ্গে সুরা সাকি খুনখারাবি দখলবাণিজ্য, জেলজুলুম ইত্যাদি উপসর্গ যুক্ত হয়ে রাজনীতির যে কালো অধ্যায় রচিত হয়েছিল তা পরবর্তীকালে থেমে থাকেনি। বরং প্রতিটি জমানায় অভিনব কৌশল যেভাবে আমজনতার ওপর রাষ্ট্রশক্তির দুর্নীতিপরায়ণ এবং দুর্বৃত্ত প্রকৃতির লোকজনের সিন্ডিকেট জুলুম অত্যাচার চালিয়েছে তা হালআমলে দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড, সামাজিক বন্ধন, পারিবারিক মূল্যবোধ, জাতীয় সত্তা এবং নীতিনৈতিকতার স্তরগুলোকে চুরমার করে দিয়েছে।

আজকের সমাজে ডিসি নিয়োগ বিশ কোটি, সচিব নিয়োগ ওপেন টেন্ডার, বিভিন্ন লোভনীয় পদপদবিতে নিয়োগের জন্য শত শত কোটি টাকার খবর যেভাবে চাউর হচ্ছে তাতে করে সাবেক জমানার দুর্নীতিবাজরা নিজেদের ইদানীং ফেরেশতা ভাবতে শুরু করেছেন এবং দেশ-জাতিকে নব্য দুর্নীতিবাজদের কবল থেকে উদ্ধারের জন্য রীতিমতো জিহাদ শুরু করে দিয়েছেন। আমাদের দেশের শত বছরের ইতিহাসে কেন অতীতের ভালো কর্ম বর্তমানে অনুসরণ করা হয় না এবং কেন অতীতের কুকর্ম জ্যামিতিক হারে বেড়ে আমাদের সর্বনাশের চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যায়, তার সাতটি কারণ বর্ণনা করে আজকের নিবন্ধ শেষ করব-

এক. আমাদের দেশের আমজনতা কর্মী হওয়ার চেয়ে দর্শক হতে পছন্দ করে। কাজ করার চেয়ে অলসতা তাদের পছন্দ। পরিশ্রম করে অর্জন করার পরিবর্তে ছলে বলে কৌশলে উত্তরাধিকারসূত্রে, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে অথবা হঠাৎ কোনো অলৌকিক সুযোগে সম্পদ লাভের আশায় ইতিউতি করে।

দুই. আমাদের দেশের মানুষের স্মৃতিশক্তি দুর্বল। সহজে ভুলে যায়- সহজে উত্তেজিত হয়, সহজে ভয় পেয়ে যায় এবং মাঝপথে উল্টো দৌড় দেয়।

তিন. আমরা কোনো কাজে ধারাবাহিকতা রাখতে পারি না। আমাদের ইচ্ছাশক্তি দুর্বল। চিন্তা ও পরিশ্রম করার চেষ্টা আমাদের দেশে কঠিনতর বিষয়। জ্ঞান অর্জন, দক্ষতা অর্জন এবং আনুগত্য প্রদর্শন আমাদের ধাতে সয় না।

চার. আমাদের রয়েছে ভয়াবহ আবেগ, আবেগজনিত কারণে আমরা হররোজ একের পর এক সর্বনাশ ঘটিয়ে যাচ্ছি। আমরা দিনের চেয়ে রাত- আলোর চেয়ে অন্ধকার, জ্ঞানের চেয়ে নির্বুদ্ধিতা পছন্দ করি। কাজের পরিবর্তে অকাজ এবং সফল মানুষদের নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা গল্পগুজব পছন্দ করি। দেশের সবচেয়ে দরিদ্র-অলস এবং কর্মবিমুখ মানুষটিও দেশের সবচেয়ে ধনী মানুষটিকে উদ্দেশ করে বলবে- শালা! এত টাকা কীভাবে কামাল।

পাঁচ. আমরা শক্তের ভক্ত নরমের যম প্রকৃতির হওয়ায় আমাদের গড় সাহস শক্তি অপমানজনকভাবে কম। আমাদের মেরুদণ্ড খুবই দুর্বল এবং আমাদের পাকস্থলী-রেচনতন্ত্র-ফুসফুস হৃৎপিণ্ড জন্ম থেকেই নড়বড়ে। ফলে বদহজম, হাঁপিয়ে ওঠা এবং ভয় পাওয়া আমাদের জাতীয় রোগে পরিণত হয়েছে।

ছয়. আমরা প্রচণ্ড অদৃষ্টবাদী। নিজেদের সব ব্যর্থতা ভাগ্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে আমরা কপাল চাপড়াতে থাকি। অকৃতজ্ঞতা-দাম্ভিকতা আমাদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। অবাধ্য হওয়া এবং পালিয়ে যাওয়া আমাদের কাছে গর্বের বিষয়।

সাত. আমরা অসম্ভব স্বপ্নবিলাসী- ভোগবাদী তত্ত্বে বিশ্বাসী। শত্রুকে মিত্র মনে করা এবং মিত্রকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে দূরদূর তাড়িয়ে দেওয়া আমাদের সাধারণ অভ্যাস। কোনো মূল্যবোধ-নীতিনৈতিকতা বা ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারকবাহক হওয়াকে আমরা দাসত্ব মনে করি। আমরা সর্বদা আকাশকুসুম কল্পনা করি এবং অন্য মানুষের সর্বনাশের চিন্তায় বিভোর হয়ে নিজেদের স্বপ্নবাসর তৈরি করি।

 

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
জনশক্তি রপ্তানি
জনশক্তি রপ্তানি
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী
আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম
আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম
নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়
নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়
উন্নয়নে গতি নেই
উন্নয়নে গতি নেই
বরেন্দ্রে পানিসংকট
বরেন্দ্রে পানিসংকট
খলিফা আবু বকর (রা.)
খলিফা আবু বকর (রা.)
মানবাধিকার অপরিহার্য
মানবাধিকার অপরিহার্য
স্বনির্ভরতার বাস্তব সংজ্ঞা
স্বনির্ভরতার বাস্তব সংজ্ঞা
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনা
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বিমান হাইজ্যাকের সেই ঘটনা
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সর্বশেষ খবর
চিডোর ক্ষত না শুকাতেই বর্ষা শুরু হওয়ায় বিপাকে মায়োত বাসিন্দারা
চিডোর ক্ষত না শুকাতেই বর্ষা শুরু হওয়ায় বিপাকে মায়োত বাসিন্দারা

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসন্ন নির্বাচনে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক ভোট হবে: শামা ওবায়েদ
আসন্ন নির্বাচনে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক ভোট হবে: শামা ওবায়েদ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১১ ডিসেম্বর)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আমি চাই অবসরের পরও মিয়ামিতেই থাকুক মেসি’
‘আমি চাই অবসরের পরও মিয়ামিতেই থাকুক মেসি’

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম
আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

৩০ ফুট গভীরে ক্যামেরা পাঠিয়েও শিশুটিকে দেখতে পায়নি ফায়ার সার্ভিস
৩০ ফুট গভীরে ক্যামেরা পাঠিয়েও শিশুটিকে দেখতে পায়নি ফায়ার সার্ভিস

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামিক ফ্রন্ট প্রার্থী ওয়াহেদ মুরাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
ইসলামিক ফ্রন্ট প্রার্থী ওয়াহেদ মুরাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শিল্পকলা একাডেমি কর্মচারি ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শিল্পকলা একাডেমি কর্মচারি ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রেস সেক্রেটারি লেভিটকে প্রশংসায় ভাসালেন ট্রাম্প
প্রেস সেক্রেটারি লেভিটকে প্রশংসায় ভাসালেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সত‍্যি বলতে আমিও চমকে গেছি’
‘সত‍্যি বলতে আমিও চমকে গেছি’

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘৫ আগস্ট হাসিনার রাজনীতির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে’
‘৫ আগস্ট হাসিনার রাজনীতির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে’

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আমদানি করা এলএনজি একটি আর্থিক ফাঁদ : একশনএইড বাংলাদেশ
আমদানি করা এলএনজি একটি আর্থিক ফাঁদ : একশনএইড বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামিদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত
গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামিদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
কুষ্টিয়ায় যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘লিজেন্ডারি খেলোয়াড়’ সম্মাননা পেলেন পেসার মারুফা
‘লিজেন্ডারি খেলোয়াড়’ সম্মাননা পেলেন পেসার মারুফা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাকসু নির্বাচন ২১ জানুয়ারি
ব্রাকসু নির্বাচন ২১ জানুয়ারি

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

২৪-এর বিপ্লবের ফসল ঘরে তুলেই আমাদের সংগ্রাম শেষ হবে : ​মামুনুল হক
২৪-এর বিপ্লবের ফসল ঘরে তুলেই আমাদের সংগ্রাম শেষ হবে : ​মামুনুল হক

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হ্যাঁ, পা পুড়েছিল, এখন ভালো আছি : আরিফিন শুভ
হ্যাঁ, পা পুড়েছিল, এখন ভালো আছি : আরিফিন শুভ

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মেসি জ্বরে কাঁপছে কলকাতা
মেসি জ্বরে কাঁপছে কলকাতা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের নদী থেকে বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার
ভারতের নদী থেকে বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী সভা
গোপালগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী সভা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাজারো প্রদীপে আলোকিত ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির
হাজারো প্রদীপে আলোকিত ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দির

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দোয়া মাহফিল
ফরিদপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দোয়া মাহফিল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১৬ বছর ধরে অধিকার আদায়ের লড়াই করেছে বিএনপি: অনিন্দ্য ইসলাম
১৬ বছর ধরে অধিকার আদায়ের লড়াই করেছে বিএনপি: অনিন্দ্য ইসলাম

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গভীর সমুদ্রে নৌবাহিনীর অভিযানে ১৫০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ২২
গভীর সমুদ্রে নৌবাহিনীর অভিযানে ১৫০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ২২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে কাভার্ডভ্যান চাপায় নিহত ২
মাদারীপুরে কাভার্ডভ্যান চাপায় নিহত ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চীনের অগ্নিকাণ্ডে ১২ জনের মৃত্যু
চীনের অগ্নিকাণ্ডে ১২ জনের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীপাবলি শুধু একটি উৎসব নয়, জীবন্ত ঐতিহ্য : প্রণয় ভার্মা
দীপাবলি শুধু একটি উৎসব নয়, জীবন্ত ঐতিহ্য : প্রণয় ভার্মা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানবাধিকার দিবসে ‌‘মানবিক আন্দোলন বাংলাদেশ’র শোভাযাত্রা
মানবাধিকার দিবসে ‌‘মানবিক আন্দোলন বাংলাদেশ’র শোভাযাত্রা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দেশের রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
দেশের রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীতে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার
রাজধানীতে মা-মেয়ে হত্যার ঘটনায় সেই গৃহকর্মী গ্রেফতার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্বামীর দেওয়া তথ্যেই গ্রেফতার আয়েশা, জানা গেল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য
স্বামীর দেওয়া তথ্যেই গ্রেফতার আয়েশা, জানা গেল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলো এনসিপি
১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলো এনসিপি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সচিবালয়ে অবরুদ্ধ অর্থ উপদেষ্টা
সচিবালয়ে অবরুদ্ধ অর্থ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে মেথি ভেজানো পানি পানের উপকারিতা
সকালে মেথি ভেজানো পানি পানের উপকারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ঢাকায় বিএনপির যে প্রার্থীর বিপক্ষে লড়বেন নাহিদ ইসলাম
ঢাকায় বিএনপির যে প্রার্থীর বিপক্ষে লড়বেন নাহিদ ইসলাম

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শিগগিরই নরসিংদীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনী নামবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
শিগগিরই নরসিংদীর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনী নামবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দুই ধাপের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দুই ধাপের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিকের ছুটি বাতিল করে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ
প্রাথমিকের ছুটি বাতিল করে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগকে নিয়ে জরিপ চালানোয় প্রশ্ন তুললেন প্রেস সচিব
আওয়ামী লীগকে নিয়ে জরিপ চালানোয় প্রশ্ন তুললেন প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার তিন আসনে তাসনিম জারা-নাহিদ-পাটওয়ারী
ঢাকার তিন আসনে তাসনিম জারা-নাহিদ-পাটওয়ারী

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সুখবর পেলেন প্রাথমিকের ৬৫৫০২ প্রধান শিক্ষক
সুখবর পেলেন প্রাথমিকের ৬৫৫০২ প্রধান শিক্ষক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদত্যাগপত্র জমা দিলেন উপদেষ্টা আসিফ ও মাহফুজ
পদত্যাগপত্র জমা দিলেন উপদেষ্টা আসিফ ও মাহফুজ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে ফিরতে চান অভি
দেশে ফিরতে চান অভি

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন বিধিমালার নতুন গেজেট প্রকাশ
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন বিধিমালার নতুন গেজেট প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ১০ আমল
আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ১০ আমল

২০ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঢাকা-৮ আসনে প্রার্থী দেয়নি এনসিপি, অপেক্ষায় সেই সুজন
ঢাকা-৮ আসনে প্রার্থী দেয়নি এনসিপি, অপেক্ষায় সেই সুজন

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘নির্বাচন করব, কোন দল থেকে করব পরে জানানো হবে’
‘নির্বাচন করব, কোন দল থেকে করব পরে জানানো হবে’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তফসিল ঘোষণা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায়
তফসিল ঘোষণা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায়

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত হাসিনাকে ফেরত না দিলে কিছুই করার নেই : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ভারত হাসিনাকে ফেরত না দিলে কিছুই করার নেই : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদত্যাগ প্রশ্নে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
পদত্যাগ প্রশ্নে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আনঅফিশিয়াল ফোন নিবন্ধনে মার্চ পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় সুবিধা
আনঅফিশিয়াল ফোন নিবন্ধনে মার্চ পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় সুবিধা

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, যে আসন থেকে লড়বেন সারজিস
এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, যে আসন থেকে লড়বেন সারজিস

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

স্কুল ভর্তির লটারি বৃহস্পতিবার, ফল জানবেন যেভাবে
স্কুল ভর্তির লটারি বৃহস্পতিবার, ফল জানবেন যেভাবে

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৩৫ ফুট গভীর নলকূপে পড়ে গেছে দুই বছরের শিশু, জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা
৩৫ ফুট গভীর নলকূপে পড়ে গেছে দুই বছরের শিশু, জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্যাকসিনের খোঁজে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটেও বাঁচানো গেল না শিশুকে
ভ্যাকসিনের খোঁজে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটেও বাঁচানো গেল না শিশুকে

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এনসিপির প্রার্থী তালিকায় নেই সামান্তা শারমিন ও নুসরাত
এনসিপির প্রার্থী তালিকায় নেই সামান্তা শারমিন ও নুসরাত

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালেদা জিয়া চিকিৎসায় রেসপন্স করছেন: ডা. জাহিদ
খালেদা জিয়া চিকিৎসায় রেসপন্স করছেন: ডা. জাহিদ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমন খাবার দেওয়া হতো, যা পশুপাখিকেও দেওয়া হয় না
এমন খাবার দেওয়া হতো, যা পশুপাখিকেও দেওয়া হয় না

পেছনের পৃষ্ঠা

চুরি ধরতে চাওয়ায় মা-মেয়ে খুন
চুরি ধরতে চাওয়ায় মা-মেয়ে খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

সবার নজর ইসির দিকে
সবার নজর ইসির দিকে

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্দোলনের সঙ্গী হচ্ছে প্রতিপক্ষ
আন্দোলনের সঙ্গী হচ্ছে প্রতিপক্ষ

প্রথম পৃষ্ঠা

পুলিশি পাহারায় সচিবালয় ছাড়েন অর্থ উপদেষ্টা
পুলিশি পাহারায় সচিবালয় ছাড়েন অর্থ উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন ভিসায় আসছে নয়া বিধি
মার্কিন ভিসায় আসছে নয়া বিধি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়
নির্বাচনি ট্রেনের গন্তব্য যেন ফেব্রুয়ারিই হয়

সম্পাদকীয়

প্রতি মাসে নিখোঁজ ১৫ নারী-শিশু
প্রতি মাসে নিখোঁজ ১৫ নারী-শিশু

প্রথম পৃষ্ঠা

নড়াইলে হাড্ডাহাড্ডি বিএনপি জামায়াত
নড়াইলে হাড্ডাহাড্ডি বিএনপি জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

এখনই মাঠে নেমে পড়ুন নইলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে
এখনই মাঠে নেমে পড়ুন নইলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শত শত নিরীহ ও মুক্তিকামী মানুষকে জেলখানায় হত্যা
শত শত নিরীহ ও মুক্তিকামী মানুষকে জেলখানায় হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যথাসাধ্য চেষ্টা
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যথাসাধ্য চেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

আগামী নির্বাচন স্মরণীয় করে রাখতে হবে
আগামী নির্বাচন স্মরণীয় করে রাখতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢাকা ও চট্টগ্রামে পতাকামিছিল
ঢাকা ও চট্টগ্রামে পতাকামিছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিন্নমত ও নারীদের হেনস্তার প্রবণতা উদ্বেগজনক
ভিন্নমত ও নারীদের হেনস্তার প্রবণতা উদ্বেগজনক

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের আগে শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার গণতন্ত্রের ওপর কুঠারাঘাত
নির্বাচনের আগে শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার গণতন্ত্রের ওপর কুঠারাঘাত

নগর জীবন

দৃশ্যমান সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়
দৃশ্যমান সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে তা নিয়ে শঙ্কা
নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে তা নিয়ে শঙ্কা

প্রথম পৃষ্ঠা

তেজগাঁও কলেজে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীর মৃত্যু
তেজগাঁও কলেজে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীর মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা

আইজিপি বাহারুল আলমকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার চেয়ে হাই কোর্টে রিট
আইজিপি বাহারুল আলমকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার চেয়ে হাই কোর্টে রিট

নগর জীবন

সিলেটে আইফোনের জন্য যুবক খুন
সিলেটে আইফোনের জন্য যুবক খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান সেনাপ্রধানের
পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান সেনাপ্রধানের

প্রথম পৃষ্ঠা

চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা একজনকে
চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা একজনকে

পেছনের পৃষ্ঠা

জয়কে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ
জয়কে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনি প্রচার
নির্বাচনি প্রচার

নগর জীবন

দিনভর মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, অবরোধ
দিনভর মুঠোফোন ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, অবরোধ

পেছনের পৃষ্ঠা

১৯ বেসরকারি ডিপো রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত এক মাসের জন্য স্থগিত
১৯ বেসরকারি ডিপো রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত এক মাসের জন্য স্থগিত

নগর জীবন

রায়পুরায় সন্ত্রাসী দমনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে
রায়পুরায় সন্ত্রাসী দমনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে

নগর জীবন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেটে বন্দি
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেটে বন্দি

প্রথম পৃষ্ঠা