শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০১:৪৩, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

রায়ে ছাত্র-জনতার উল্লাস

দ্রুত কার্যকর চায় শহীদ পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
রায়ে ছাত্র-জনতার উল্লাস

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল করেছেন শহীদ ও আহতদের স্বজন এবং শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা আনন্দে মিষ্টি বিতরণ ও কোলাকুলি করেছেন। রায়ে সন্তুষ্ট হলেও সেটি কার্যকর হলেই মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়েছেন শহীদদের স্বজনরা। গতকাল ট্রাইব্যুনালে রায়ের পর আনন্দ, উল্লাস ও প্রতিক্রিয়া জানান তারা।

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ও আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অনেকেই সুপ্রিম কোর্টের দক্ষিণ ফটকে উপস্থিত হন। রায় প্রদানকালে বিভিন্ন স্লোগানে তারা পুরো এলাকা মুখর করে রাখেন। শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর প্রকাশ হতেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে উপস্থিত জনতা উল্লাসে মেতে ওঠেন। এ সময় ‘এ মুহূর্তে খবর এলো, শেখ হাসিনার ফাঁসি হলো’, ‘দড়ি লাগলে দড়ি নে, শেখ হাসিনার ফাঁসি দে’ স্লোগান দিতে থাকে জনতা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এ সময় সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে আনন্দ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা মিষ্টি বিতরণ করেন। এদিকে রায় ঘোষণার খবর শেখ হাসিনার পৈতৃক বাড়ি রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় পৌঁছানোর পর সেখানে শুরু হয় উল্লাস। শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙতে যাওয়া ছাত্র-জনতা আনন্দ মিছিল বের করেন।

এদিকে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘দুজনের ফাঁসির রায়ে সাময়িক খুশি হলেও সন্তুষ্ট নই। শহীদ পরিবারগুলোর মুখে তখনই হাসি ফুটবে যখন এসব গণহত্যাকারীর ফাঁসিতে ঝুলতে দেখব।’

মোহাম্মদপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত মাহামুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী বলেন, ‘সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সাজায় আমরা সন্তুষ্ট নই। তাকে ন্যূনতম যাবজ্জীবন সাজা দিতে হবে।’ শহীদ মিরাজের বাবা আবদুর রব বলেন, ‘আমরা কোনো ব্যক্তি নয়, পুরো ঘটনার বিচার চাই। জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল সে সময় যেভাবে সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের সমর্থন ছাড়া এত বড় গণহত্যা সম্ভব ছিল না। আমরা চাই তাদেরও বিচার হোক।’    

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘এই রায় যখন পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে তখনই প্রকৃত সন্তোষ প্রকাশ করতে পারব। সরকারের কাছে দাবি জানাই, অবিলম্বে যেন শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হয়।’ তিনি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে জুলাই বিজয় ও শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে। আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের যে রায় হয়েছে তাতে সন্তুষ্ট না।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি বলেন, এই রায় শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, এটি সারা পৃথিবীতে নজির স্থাপন করেছে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষণার পরপরই ‘মঞ্চ ২৪’ নামের ব্যানারে একদল ছাত্র-জনতাকে হাই কোর্টের সামনেই সেজদা ও মোনাজাতের মাধ্যমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করতে দেখা যায়। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিক্রিয়ার খবর পাঠিয়েছেন আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা।

রংপুর : শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের রংপুরে আনন্দ মিছিল, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে নিয়ে এসে দ্রুত বিচারের রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন শহীদ আবু সাঈদের বাবা-মা ও সহপাঠীরা। সেই সঙ্গে গণ অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের মামলাগুলোরও দ্রুত বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন তারা। আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ফাঁসির রায় দেওয়ায় কিছু হলেও আমার অন্তরের কষ্ট প্রশমিত হলো। শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে নিয়ে এসে অতি দ্রুত বাংলার মাটিতে তার ফাঁসি কার্যকর করা হোক। জীবদ্দশায় আমার ছেলের খুনির ফাঁসি যেন দেখে যেতে পারি।’ আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে তো আর ফিরে পাব না। তাই আমি চেয়েছিলাম আমার ছেলের হত্যাকারীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক। আজকে এ রায়ে আমরা অনেক খুশি।’

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে মিষ্টি বিতরণকালে শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, ‘শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলন অন্যরকম রূপ নেয়। ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় আমরা অনেক খুশি। এ রায় একটি নতুন ইতিহাস রচনা করল।’

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শওকাত আলী বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যা মামলা ট্রাইব্যুনাল-২-এ আছে। সেটারও আমরা খুব দ্রুত রায় পাব। আবু সাঈদের রক্তের কাছে ঋণী হয়ে থাকব চিরকাল।’

চট্টগ্রাম : রায়কে স্বাগত জানিয়েছে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের দুই শহীদ পরিবার। শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শফি আলম বলেন, শুধু হাসিনা নয়, যারা হত্যা, হামলা ও নির্দেশনায় জড়িত ছিল, সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। শহীদ ফয়সাল আহমেদ শান্তর মা কহিনূর আক্তার বলেন, হাসিনাকে দেশে এনে যেন ফাঁসি কার্যকর করা হয়। সরকার ও আন্তর্জাতিক মহলের কাছে এই দাবি জানাই।

রাজশাহী : রায়ে রাজশাহীর পুঠিয়ায় আনন্দ মিছিল করেছে বিএনপি। বিকালে উপজেলা সদরে মিছিলটিতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল। নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে মিষ্টি বিতরণ করেছে এনসিপি।

বগুড়া : রায় ঘোষণার পরপরই জুলাই যোদ্ধারা আনন্দ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় পথচারীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এনসিপি নেতা ডা. আবদুল্লাহ আল সানীসহ অন্য নেতারা মিছিলে অংশ নেন।

নোয়াখালী : রায়ে খুশি হয়ে নোয়াখালী জেলা কৃষক দলের উদ্যোগে মাইজদী বাজার এলাকায় আনন্দ মিছিল করেছেন নেতা-কর্মীরা। এতে জেলা কৃষক দলের সভাপতি ভিপি ফজলে এলাহি পলাশ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম কালাসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

গাজীপুর : রায় ঘোষণার পর গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানা বিএনপি আনন্দ মিছিল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছে।

নারায়ণগঞ্জ : এনসিপির উদ্যোগে শহরের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : রায়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও শিবিরের নেতারা মিষ্টি বিতরণ করেছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বাংলাদেশের ক্ষোভ-নিন্দা শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
বাংলাদেশের ক্ষোভ-নিন্দা শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে
সর্বশেষ খবর
অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক হামলা, নিহত বেড়ে ১৬
অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক হামলা, নিহত বেড়ে ১৬

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে একাধিক পরিবর্তন
নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে একাধিক পরিবর্তন

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান
আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ
প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি
আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী
মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’
‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান
ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু
ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর
বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড
পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন
বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত
দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের
শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল
ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি
হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?
তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩
নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ
তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা
সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

১২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী
মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই
বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)
কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা
আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা

দেশগ্রাম

কোনো ছাড় দেওয়া হবে না
কোনো ছাড় দেওয়া হবে না

মাঠে ময়দানে

শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট
শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট

দেশগ্রাম

ছাত্রদল কর্মী হত্যার বিচার দাবি
ছাত্রদল কর্মী হত্যার বিচার দাবি

দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ
বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ

মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন

সম্পাদকীয়

বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা
বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা

দেশগ্রাম