শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

টিভি নাটক হারাচ্ছে পারিবারিক গল্প

প্রিন্ট ভার্সন
টিভি নাটক হারাচ্ছে পারিবারিক গল্প

একটা সময় ছিল, সন্ধ্যা নামলেই পরিবারের সবাই মিলে টেলিভিশনের সামনে বসতাম। বাবা চায়ের কাপ হাতে, মা রান্নাঘরের কাজ শেষ করে এসে পাশে বসছেন, ভাইবোনেরা পাটি বিছিয়ে, পর্দায় তখন এই সব দিন রাত্রি, অয়োময়, কোথাও কেউ নেই, ঢাকায় থাকি বা বহুব্রীহি। সেই সময় নাটক মানেই ছিল পরিবার, সম্পর্ক, টানাপোড়েন আর ভালোবাসার গল্প। আজ সেই দৃশ্য কল্পনাতেও আনা কঠিন। টিভি নাটকের পর্দা এখন ভরে আছে শুধুই নায়ক-নায়িকার রোমান্টিক গল্পে। বাবা-মা, ভাইবোন, প্রতিবেশী, আত্মীয়, এ চরিত্রগুলো হারিয়ে গেছে যেন। একটা সময় ছিল যখন পারিবারিক নাটক মানেই সমাজের প্রতিচ্ছবি; এখনকার নাটক যেন নিছক বিনোদনের পণ্য। লিখেছেন- পান্থ আফজাল

 

বিটিভির সোনালি যুগ : যখন নাটক মানেই পরিবার

বিটিভির যুগে পরিবারই ছিল টেলিভিশন নাটকের কেন্দ্রবিন্দু। তখনকার নাটকগুলো আমাদের জীবনের গল্প বলত, যেমন হাসি-কান্না, ভালোবাসা, ভুল বোঝাবুঝি, কিংবা জীবনের ছোট ছোট সাফল্য। ‘এই সব দিন রাত্রি’-তে আমরা দেখেছি শহরের চাকরিজীবী এক পরিবারের সংগ্রাম, ‘অয়োময়’ দেখিয়েছে প্রজন্মের সংঘাত, ‘ঢাকায় থাকি’ দেখিয়েছে নগরজীবনের বাস্তবতা, আর ‘কোথাও কেউ নেই’ বা ‘বহুব্রীহি’ প্রমাণ করেছে নাটক কেবল কল্পনা নয়, মানুষের আবেগকে নাড়িয়ে দিতে পারে। স্মরণ কর ‘কোথাও কেউ নেই’-এর বাকের ভাইকে। নাটকের শেষে তার ফাঁসির রায় ঘোষণার পর দর্শক রাস্তায় নেমেছিল প্রতিবাদে। স্লোগান উঠেছিল- ‘বাকের ভাইয়ের কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে।’ সেই সময়ে কুত্তাওয়ালী চরিত্রে অভিনয় করা শিল্পীর নিরাপত্তার জন্য পুলিশ প্রহরার ব্যবস্থা করতে হয়েছিল। এমন উন্মাদনা কোনো সিনেমাতেও দেখা যায়নি। অন্যদিকে ‘ঢাকায় থাকি’ ধারাবাহিকে টুনী নামের এক শিশুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার কাহিনি গোটা জাতিকে কাঁদিয়েছিল। দর্শক টুনীর আরোগ্যের জন্য বাস্তবে দোয়া করেছিলেন। পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় ও আফরোজা বানুর অভিনয় এত বাস্তব ছিল যে, মানুষ তাঁদের বাস্তব জীবনের দম্পতি ভেবে ফেলেছিল। এই পারিবারিক আবেগই তখনকার নাটকের প্রাণ ছিল।

 

এখনকার নাটক : আমি, তুমি আর সে

আজকের টিভি নাটকের চিত্র একেবারেই আলাদা। এখন গল্পে থাকে দুই-তিনটি চরিত্র-নায়ক, নায়িকা আর এক-দুজন পার্শ্বচরিত্র, যারা মূলত কৌতুকের দায়িত্বে। তারা বিকৃত অঙ্গভঙ্গি করে, হাস্যকর সংলাপ বলে, দর্শককে হাসানোর চেষ্টা করে, যেন ‘হাসানোই’ এখন প্রধান উদ্দেশ্য। একজন অভিজ্ঞ নাট্যকারের ভাষায়, ‘নির্মাতারা এখন বেশি চরিত্রের নাটক বানাতে চান না। চরিত্র যত বাড়ে, বাজেট তত ফুলে ওঠে। আবার শুটিং ব্যবস্থাপনাতেও ঝামেলা বাড়ে। তাই এখন নাটকের গল্প ঘোরে ‘আমি, তুমি, সে’-এর ভিতরেই। একজন প্রযোজক যোগ করলেন, ‘সব জিনিসের দাম বেড়েছে-শিল্পীর পারিশ্রমিক, লোকেশন ভাড়া, যাতায়াত খরচ। কিন্তু নাটকের বাজেট সেই আগের জায়গাতেই। ফলে চাইলে বাবা-মা, ভাই-বোন, চাচা-খালাকে গল্পে আনতে পারি না। বাজেটই দেয় না।’ ফলে পারিবারিক সম্পর্কের জায়গায় এসেছে প্রেমের ত্রিভুজ, প্রতারণা, থ্রিলার কিংবা চটকদার সংলাপ। পারিবারিক উষ্ণতার জায়গায় এসেছে ইউটিউব ভিউ আর ক্লিকবেইট শিরোনাম।

 

বাজেট নাকি অজুহাত?

এখানেই মূল প্রশ্ন-সত্যিই কি বাজেটই একমাত্র সমস্যা, নাকি আমরা অজুহাতের আড়ালে নিজেদের দায় এড়াচ্ছি? হ্যাঁ, সত্যি বাজেট কম। কিন্তু অনুভূতির বাজেট তো খরচে বাড়ে না। সম্পর্কের গল্প বলতে হলে বড় লোকেশন লাগে না; লাগে ভালো লেখা, মনের গভীরতা আর নির্মাতার ইচ্ছা। ‘বড় ছেলে’ নাটকটি তার প্রমাণ-একেবারে সীমিত লোকেশনে, ছোট বাজেটে নির্মিত সেই নাটক দর্শকের হৃদয়ে ঝড় তুলেছিল। একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্পই হয়ে উঠেছিল অসাধারণ।

 

হাসির নাটক, না কি কৃত্রিম কৌতুক?

আজকাল প্রচুর নাটক প্রচার হয় ‘হাসির নাটক’ নামে। কিন্তু সেই হাসি কি সত্যিকারের? অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, চরিত্রগুলো অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি করছে, অশালীন সংলাপ বলছে, কৃত্রিম ভঙ্গিতে ‘হাসানোর’ চেষ্টা করছে। দর্শক হাসছে হয়তো, কিন্তু কোথাও একটা বীতশ্রদ্ধতাও তৈরি হচ্ছে। এক সময় বলা হতো, নাটক দেখার বিষয়, এখন অনেকেই মজা করে বলেন, নাটক খাওয়ার বিষয় হয়ে গেছে। অর্থাৎ, তাৎক্ষণিক ভোগের জন্য বানানো কনটেন্ট, যা দর্শকের মনে থেকে যায় না।

 

দর্শক কিন্তু এখনো চায় পারিবারিক গল্প

অদ্ভুত হলেও সত্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরনো বিটিভি নাটকের ক্লিপগুলো আজও ভাইরাল হয়। ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘ঢাকায় থাকি’, ‘অয়োময়’, ‘বহুবীহি’, ‘বন্ধন’, ‘সকাল সন্ধ্যা’, ‘আজ রবিবার’, ‘নক্ষত্রের রাত’-সব দৃশ্যের নিচে দর্শক মন্তব্য করে, ‘এমন নাটক এখন আর হয় না।’ এর মানে, দর্শক এখনো পারিবারিক কাহিনি ভালোবাসে। মানুষ এখনো সম্পর্কের গল্পে ডুবে যেতে চায়, হাসতে-কাঁদতে চায়। কিন্তু নির্মাতারা হয়তো ভুলে গেছেন, ভিউয়ের চেয়ে দর্শকের ভালোবাসা অনেক বড়।

 

নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা ও চ্যালেঞ্জ

বর্তমান প্রজন্মের নির্মাতারা প্রযুক্তিতে দক্ষ, গল্পে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে জানেন। কিন্তু তাদের অনেকেই মনে করেন পারিবারিক গল্প ‘পুরনো ফরম্যাট।’ অথচ পরিবার নামের সেই চিরন্তন বিষয়টি কখনো পুরনো হয় না। ‘একান্নবর্তী’ নাটক, ‘বড় ছেলে’- দেখিয়েছে এখনো মানুষ পারিবারিক গল্পে আবেগ খুঁজে পায়। যদি আন্তরিকতা থাকে, পরিবারকেন্দ্রিক গল্প আজও দর্শক টানে।

 

ভাষা ও সংলাপের অবক্ষয়

বর্তমান নাটকের আরেক সমস্যা ভাষা। সংলাপে অনেক সময় এমন শব্দ ব্যবহৃত হচ্ছে, যা প্রকাশ বা প্রচার- কোনোটারই উপযোগী নয়। অনেক নাট্যকার মনে করেন, ‘সংলাপে গালাগালি থাকলে সেটাই নাকি বাস্তব।’ অথচ এই বাস্তবতার নামে চলছে এক ধরনের অসংযম। যে নাটক এক সময় পরিবার মিলে বসে দেখা যেত, এখন অনেক ক্ষেত্রেই তা দেখা যায় না বাবা-মায়ের সামনে। এই পরিবর্তনই সবচেয়ে ভয়ংকর।

 

ফিরে দেখা, ফিরে পাওয়া

বিটিভি যুগের নাটকগুলো আজও সময়ের সীমা পেরিয়ে জনপ্রিয়। এর মানে, গল্পগুলো সময়কে ছাড়িয়ে গেছে। সেসব নাটকে দেখা যেত সমাজ, নীতি, মানবিকতা, সম্পর্কের উষ্ণতা-যা এখন খুব কমই দেখা যায়। আমরা যদি সত্যিই দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করতে চাই, তাহলে হয়তো আমাদের ফিরতে হবে সেই পরিবারকেন্দ্রিক গল্পে। বাজেট বাড়ানো না গেলে, ভালো গল্প অন্তত ফিরিয়ে আনা যায়। নাটক ও সিনেমা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়- সমাজের প্রতিচ্ছবি। পরিবারকেন্দ্রিক গল্প হারিয়ে গেলে, সমাজও একা হয়ে যায়। আমরা সম্পর্কের উষ্ণতা হারাই, আবেগ হারাই। বাজেটের অজুহাতে যদি আমরা সেই গল্পগুলো বন্ধ করে দিই, তবে হারাবো আমাদের সাংস্কৃতিক শিকড়। সময় এসেছে আবার পরিবারকে গল্পের কেন্দ্রে ফেরানোর। দর্শক প্রস্তুত; দরকার কেবল একজন নির্মাতার সাহসী সিদ্ধান্ত। হয়তো সেই দিন খুব দূরে নয়, যেদিন আবার টেলিভিশনের পর্দায় ফিরবে পরিবার, ফিরে আসবে পারস্পরিক ভালোবাসা, আর আমরা আবারও একসঙ্গে বসে বলব, ‘আজকের নাটকটা সত্যিই আমাদের গল্পের মতো লাগল।’

এই বিভাগের আরও খবর
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে সম্মানিত ধীরে বহে মেঘনা
ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে সম্মানিত ধীরে বহে মেঘনা
সত্যজিৎকে কেন কেয়ার করতেন না সুচিত্রা
সত্যজিৎকে কেন কেয়ার করতেন না সুচিত্রা
মিমি ও জয়ার পর এলেন মিলি
মিমি ও জয়ার পর এলেন মিলি
চলচ্চিত্রের দক্ষ কারিগর আমজাদ হোসেন
চলচ্চিত্রের দক্ষ কারিগর আমজাদ হোসেন
লাস্ট সিকোয়েন্স
লাস্ট সিকোয়েন্স
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
দেব-সুরাইয়ার প্রেমকাহিনি
সেই দিনগুলোর কথা মনে হলে এখনো শিউরে উঠি
সেই দিনগুলোর কথা মনে হলে এখনো শিউরে উঠি
মফিজ-মালার সুখের সংসারে ‘দাগ’
মফিজ-মালার সুখের সংসারে ‘দাগ’
সর্বশেষ খবর
অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক হামলা, নিহত বেড়ে ১৬
অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক হামলা, নিহত বেড়ে ১৬

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে একাধিক পরিবর্তন
নিউজিল্যান্ড টেস্ট দলে একাধিক পরিবর্তন

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
অডিটোরিয়ামের ওয়াশরুম থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও হারল দুবাই

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান
আসন্ন নির্বাচনে পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ
প্রবল বৃষ্টিতে স্থগিত লা লিগার ম্যাচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি
আমিরাতে ৪১ বাংলাদেশি পেলেন সিআইপি স্বীকৃতি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ নিরাপত্তা জারি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী
মুন্সীগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’
‘জলবায়ু নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আশাহত করেছে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান
ইঞ্জিনে ত্রুটি, মাঝপথেই ফিরল মার্কিন বিমান

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু
ওমরাহ ও হজ যাত্রীদের শিশুর নিরাপত্তায় ব্রেসলেট চালু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
খুলনায় কাপড় ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর
বিগ ব্যাশে অভিষেকেই ব্যর্থ বাবর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড
পেস অলরাউন্ডার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হার্দিক পান্ডিয়ার রেকর্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন
বাড্ডায় ফের যাত্রীবাহী বাসে আগুন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
ডুসানের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত
দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে এগিয়ে গেল ভারত

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের
শিক্ষকদের প্রতি প্রকৃত বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালনের আহ্বান এনইউবি উপাচার্যের

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল
ফুটবল আর ক্রিকেট 'দেবতা'র দেখায় যা যা ঘটল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি
হালান্ডের জোড়া গোলে প্যালেসকে উড়িয়ে দিল সিটি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির রেড এলার্ট

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?
তরুণ নেতৃত্বের পথে হাঁটছে বিজেপি?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩
নওগাঁয় ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে খুনের ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী গ্রেপ্তার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ
তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে জয় পেল শারজাহ

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল মালিক আটক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা
সুদানে ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী
মেসির সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তোপের মুখে শুভশ্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই
বল হাতে মুস্তাফিজের বিবর্ণ দিনে জিতল দুবাই

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
শিশু সাজিদের মৃত্যু, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)
কুয়াশায় ভারতে একের পর এক বাস ট্রাক গাড়ির সংঘর্ষ (ভিডিও)

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট
শীতে কাঁপছে লালমনিরহাট

দেশগ্রাম

কোনো ছাড় দেওয়া হবে না
কোনো ছাড় দেওয়া হবে না

মাঠে ময়দানে

আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা
আদিবাসীদের অধিকার শীর্ষক আলোচনা

দেশগ্রাম

বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ
বাংলাদেশ-নেপাল মুখোমুখি আজ

মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘ মিশন
জাতিসংঘ মিশন

সম্পাদকীয়

বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা
বিজয় দিবস ঘিরে অর্ধকোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা

দেশগ্রাম

ছাত্রদল কর্মী হত্যার বিচার দাবি
ছাত্রদল কর্মী হত্যার বিচার দাবি

দেশগ্রাম