শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

এই হীনম্মন্যতা কেন

আবদুল আউয়াল ঠাকুর
প্রিন্ট ভার্সন
এই হীনম্মন্যতা কেন

আবশ্যকীয় পরিত্যাজ্য বদভ্যাসের একটি মাৎসর্য। আভিধানিক অর্থ পরশ্রীকাতরতা, অন্যের ভালো দেখতে না পারা। আরেকটু এগোলে হিংসাবিদ্বেষকে বোঝায়। কথাটার সঙ্গে খানিকটা মিল রয়েছে হাংকিপাংকি শব্দের। শব্দটি খুব প্রচলিত না হলেও যারা জানেন তারা মনে করেন এর অর্থ হচ্ছে ছলচাতুরী। শব্দটির সাধারণ অর্থ করলে পরকীয়াও বলা হয়ে থাকে। গোপনে কিছু করা বা আঁতাতের অর্থে ব্যবহার করলে রাজনৈতিক ভাষায় এর অর্থ দাঁড়ায় তলেতলে খাতির। যাই বোঝাক না কেন এটি রাজনৈতিক নেতার মুখ থেকে নিঃসৃত হওয়ার কারণে এর রাজনৈতিক অর্থ খোঁজাই বেহতের। এটি এমন এক সময় উচ্চারিত হয়েছে যখন দেশ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। বোধ করি গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশ এতটা কঠিন বাস্তবতায় পৌঁছেনি। অভ্যন্তরীণভাবে আমরা যখন ঐকমত্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমঝোতায় উপনীত হতে ঘাম ছুটাচ্ছি তখন সীমান্তের অবস্থা খুবই নাজুক। খুব বড় করে কোথাও বলা না হলেও বাংলাদেশের একটি অংশ এখন প্রতিবেশীর করতলগত। অন্যদিকে প্রকাশ্যে নির্দলীয় সরকার বলা হলেও সরকারের বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাবের বিষয়টি প্রকাশ্যে উঠেছে। অবস্থা যখন এই তখন আমরা ঘি সোজা না বাঁকা আঙুলে তুলব তা নিয়ে সরগরম আলোচনায় ব্যস্ত।

প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়ায় সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন বরিশাল জামায়াতের মনোনীত একজন প্রার্থী। অন্য এক খবরে বলা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবে নিহত মীর মুগ্ধর ভাই স্নিগ্ধ বিএনপিতে যোগদানের পর প্রশ্ন করা হয়েছে এটি কী কোটায় না মেধায়? অরেকটি বিষয় হচ্ছে, একজন ইউটিউবার তার ভেরিফায়েড পেজে ঘোষণা দিয়েছেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর ব্যাপারে কোনো অভিযোগ গেলে আমাকে জানান। দেশে শান্তিশৃঙ্খলা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ফ্যাসিবাদ নির্মূলে যখন আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ ও দৃঢ় হতে বদ্ধপরিকর তখন আমরা নিজেরাই যা করছি বা করতে যাচ্ছি বোধ করি তার কোনো উদাহরণ অতীত থেকে দেওয়া যাবে না। খুব কাছের উদাহরণ ’৭১ সাল থেকে বলি। স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে গোটা জাতি যখন বিভক্ত হয়ে পড়েছিল তখনকার অবস্থা বোঝাতে একটি বাস্তব উদাহরণ দিই। ’৭৪ সালের দিকে ইরি ব্লকের একজন সরকারি পাম্প ড্রাইভারকে আনমনা দেখে লোকজন জানতে চাইল সে ঠিকমতো কাজ করছে না কেন? লোকটি নিঃশঙ্কচিত্তে জবাব দিল মুক্তিযুদ্ধে শান্তি কমিটিতে থাকার কারণে সে নিজ হাতে তার পিতাকে গুলি করে হত্যা করেছে। এখন সে পিতার শোকে পাথর। ভাবছে কেন করেছে। বাবার চিন্তায় তার সবকিছু বিগড়ে গেছে। অনেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শান্তি কমিটি বা অনুরূপ অপকর্মে থাকা নেতাদের সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করেছেন। স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধী ছাড়া সবাইকে সাধারণ ক্ষমা করা হয়েছিল। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীদের ক্ষমতায়িত হওয়ার আগপর্যন্ত দেশে এ অবস্থা বিরাজমান ছিল। সামাজিক সম্পর্কে এসব প্রসঙ্গ অবান্তর ছিল। এমনকি বিগত দুই দুটি স্বৈরাচার মোকাবিলায় বিএনপি-জামায়াত ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করেছে। নির্বাচনও করেছে। গত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে দুই দলে এমন কী ঘটেছে যে যেখানে ইসলামে ত্যাজ্যপুত্রের কোনো বিধান নেই সেই গর্হিত কাজটি করতে হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট ’২৪ পর্যন্ত সারা দেশে ৮৭৫ জন শহীদ হয়েছেন। বিএনপির দাবি অনুযায়ী এর মধ্যে ৫২২ জন তাদের। বলেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির শহীদ হয়েছেন ১ হাজার ৫৫১ জন, গুরুতর আহত হয়েছেন ৪২৩ জন। আসামি হয়েছেন ৬০ লাখ। এই বাস্তবতায় ইউনিভার্সিটি অব প্রফেসনালসের শিক্ষার্থী নিহত মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুব হোসেন স্নিগ্ধ ঢাকার একটি আসনে বিএনপির হয়ে লড়বেন এ কথা শুনেই নানা বিষোদ্গার শুরু হয়েছে কেন? কোন শর্তে এটা বলা আছে যে জুলাই বিপ্লবে অংশ নেওয়াদের কেউ বিএনপি বা অন্য কোনো দল করতে পারবে না। কাজটি কারা করছে? এটা কার অজানা যে সাধারণভাবেই প্রার্থী করার বিবেচনায় জয়ী হওয়াটাকে অগ্রাধিকার বিবেচনায় নেওয়া হয়। তাহলে বিএনপির মনোনয়নের বিষয়টিকে মেধা কোটায় টেনে আনা মূলত প্রতিহিংসার প্রতিচ্ছবি। নির্বাচন করাকে কোটা না মেধা এই প্রশ্নে টেনে আনা হলেও জুলাই ঘোষণা নিয়েও সংগত আলোচনা উঠেছে। কেন ঘোষণা? থাক সে কথা, একজন ইউটিউবার বলেছেন বিএনপি প্রার্থীদের যত দোষ পাওয়া যায় তাকে লিখে জানান। উদ্দেশ্য তিনি বলেননি। বোঝা যায় তিনি সাবজেক্ট খুঁজছেন। রমরমা গল্প বলার। কিন্তু ব্যাপারটি বিএনপিকে নিয়ে কেন। যদি এমন হতো সব প্রার্থী নিয়ে তিনি বলছেন তাহলে অন্য কথা। এর সঙ্গে প্রতিহিংসার সম্পর্কে না মেলানোর কোনো কারণ আছে কি? বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্যের দিকে চোখ ফেরানো যায়। তিনি সংস্কার ও জুলাই সনদ প্রসঙ্গে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন। ইতোমধ্যে নির্দলীয় সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর ভাষণে বিবদমান বিষয়াবলি নিয়ে যে মাপা কথার বক্তব্য প্রদান করেছেন তার বিশ্লেষণ এখনো চলছে।

জুলাই বিপ্লবের পর দেশের রাজনৈতিক আবহে গুণগত পরিবর্তন হয়েছে। আগে ছিল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট। এখন বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট ঠিক থাকলেও নতুন জোট বা জটলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে জামায়াতের নেতৃত্ব। প্রকাশিত খবর ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। জামায়াতও অভিনন্দন জানিয়েছে; তবে যদি ও কিন্তু রয়েছে। এখন তারা কোন পথে এগোবে। তার ওপর নির্ভর করবে তারা কী চায় তার স্বরূপ। বিষয়টি শুধু চলমান রাজনৈতিক বিবেচনায় হয় তাহলে তার প্রকৃতি এক রকম দাঁড়াবে, যদি তা না হয়ে অন্য কিছু হয় তাহলে আন্দোলনের প্রকৃতি ভিন্ন রূপ নিতে বাধ্য। কারণ যারা খোঁজখবর রাখেন তাদের বক্তব্যে নানা দিক রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে গণভোট বনাম জুলাই সনদের বিষয়টি নানাভাবে বিশ্লেষিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। উপদেষ্টার ভাষণ ও প্রেসিডেন্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি ধারা অর্থাৎ চলমান পদ্ধতিই তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথাই বলা হয়েছে। দল ও জোটগুলো এটি মেনে নিয়ে নির্বাচনে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে বিদ্যমান ব্যবস্থাকে সম্মতি দেওয়া। এ ক্ষেত্রে জামায়াত ও তাদের মিত্ররা ঠিক কোন পথ বেছে নেবে সেটি বুঝতে হয়তো আরও একটু সময় নেবে। বিশ্লেষকদের ধারণা, জামায়াত ও মিত্ররা শেষমেশ চলমান ধারাতে প্রচলিত নির্বাচনে ব্যবস্থা মেনে নিয়েই রাজনৈতিক ধারা অব্যাহত রাখবে। যদি সেদিকে যায় তাহলে বলা যাবে নির্বাচনি ট্রেন কার্যতই স্টেশনে পৌঁছেছে। যদিও চরমোনাইয়ের পীর সাহেব মনে করেন পুরোনো বউকে নতুন কাপড়ে আনা হয়েছে। পুরোনো মদের জায়গায় তার নতুন শব্দচয়ন প্রশংসার তবে এ ক্ষেত্রে বউয়ের ব্যবহার যথাযথ কি না, সেটি বিচার্য। এসব বাদ দিয়ে বলা যায় একটি স্বচ্ছ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে থাকা জাতি হয়তো সে প্রত্যাশা পূরণের দিকেই এগোচ্ছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, রাজনীতিবিদদের সদিচ্ছা ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন হিংস না সহিংস হবে সেটি সময় নির্ধারণ করবে। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে যাই বলুক নির্বাচনের মাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো যথেষ্ট শক্ত অবস্থা সরকারের নেই। সে বিবেচনায় রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। রাজনীতি তো দেশের কল্যাণের জন্য। রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশ ও জাতির অগ্রগতি নিশ্চিত করা। অভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায়, ফ্যাসিবাদের কারণে জনগণের উন্নতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। দেশ মূলত পিছিয়ে গিয়েছে। শান্তি প্রতিষ্ঠা বা সৌহার্দ স্থাপনের বিষয়টি একবারেই ভিতরগত বিষয়। এটি ভালোবাসার মতো বিনে সুতার মালা। দেখে বা বলে বোঝানোর কোনো উপায় নেই। আমাদের রাজনৈতিক আবহে পারস্পরিক সুস্পর্কের ইতিহাস খুব একটা নেই। নিজেদের কর্তৃত্ব বহাল রাখতে গত সাড়ে ১৫ বছর দেশে কার্যত কোনো নির্বাচন হয়নি। আসন্ন নির্বাচনে সরকারি সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগ দলগতভাবে নির্বাচন করতে না পারলেও তারা নির্বাচন করবে না, সে কথা বলার কোনো সুযোগ নেই। এ ছাড়াও যারা নির্বাচন করছেন তাদের কথাতেও বারবার আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গ আসছে। মাত্র সেদিন আঙুল বাঁকা করে ঘি তোলার কথা উঠল। এ নিয়ে এখন টিভির উপস্থাপক মোস্তফা কামাল স্বপন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান রিপনকে খুব ছোট করে বললেন, কী বলবেন আপনি এ ব্যাপারে? জনাব রিপন আরও সহজ করে বললেন, আমরা দুজনই একসময় দুটি ছাত্রসংগঠনের প্রধান ছিলাম। আমাকে বলুক ঘি পাঠিয়ে দেব। এটি কথার কথা। ঘির মূল লক্ষ্য যদি ক্ষমতা বা ভিন্ন কোনো বিষয় হয়, তাহলে ক্ষমতা তুলতে আঙুল বাঁকা বলতে যদি সুনির্দিষ্ট কিছু বোঝায় তাহলে সেটি প্রতিহিংসার পর্যায়ভুক্ত হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুত্রের সঙ্গে পিতার আচরণে পরিবর্তন মূলত মাৎসর্য পর্যায়ভুক্ত। স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দলমতনির্বিশেষে দেশের আপামর জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কম বেশি অনেকেরই অংশগ্রহণ রয়েছে। যে যার অবস্থান থেকে অংশ নিয়েছে। একে দলীয়করণ করা বা এ নিয়ে বাগাড়ম্বর সংগত নয় কাঙ্ক্ষিতও নয়। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের দুর্গতি দেখে মরহুম আবুল মনসুর আহমদ মন্তব্য করছেন, বেশি দামে কেনা কম দামে বেচা। আমরা অনেক মূল্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ হটিয়েছি। এখন নিজেদের প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে জেদের ভাত বিশেষ প্রাণীকে খাওয়ানোর কোনো অর্থ হয় না। যখন একটি নির্বাচন দ্বারপ্রান্তে তখন আসুন সব হীনম্মন্যতা পরিহার করে নির্বাচনকে উৎসব মনে করে অংশ নিই। হারজিতকে খেলার অংশ মনে করি। মনে রাখা দরকার এই খেলা খেলতে গিয়ে প্রতিহিংসার কারণে আবারও যদি কারও মায়ের বুক খালি করি, কোনো বোন বিধবা হয়, কোনো সন্তান পিতৃমাতৃহীন হয়, তাদের কান্নার রোল যদি আরশের মালিকের কাছে যায়, সে ক্ষতি কখনোই পূরণ হবে না।

 

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট

এই বিভাগের আরও খবর
এমপিওভুক্তির সুখবর
এমপিওভুক্তির সুখবর
রপ্তানি আয় কমছে
রপ্তানি আয় কমছে
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
ব্যবসায়ীরা সংকটে
ব্যবসায়ীরা সংকটে
নির্বাচনে ঐতিহাসিক দায়িত্ব
নির্বাচনে ঐতিহাসিক দায়িত্ব
‘কমিশন কালচার’ বন্ধে সততার সিল মারুন
‘কমিশন কালচার’ বন্ধে সততার সিল মারুন
নবীজির জীবনে জুহদ
নবীজির জীবনে জুহদ
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
সর্বশেষ খবর
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১
তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ
শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও
আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি
পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?
বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি
লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা
ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬
লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর
রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া
শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩
ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন
টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না
পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার
রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ
অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলা; নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলা; নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে তুলার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন
নরসিংদীতে তুলার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেকপোস্টে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে ২ ফিলিস্তিনি নিহত
নিরাপত্তা চেকপোস্টে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে ২ ফিলিস্তিনি নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাতারের সহায়তায় রাফাহে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু রাখবে রেড ক্রস
কাতারের সহায়তায় রাফাহে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু রাখবে রেড ক্রস

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটার তালিকা থেকে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের নাম বাদ যাচ্ছে
ভোটার তালিকা থেকে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের নাম বাদ যাচ্ছে

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান
ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি
আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি
যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে
পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট
আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই
যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ
স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’
‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড
আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী
তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ
অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে সবচেয়ে বড় পরমাণু স্থাপনা বানাচ্ছে রাশিয়া
ভারতে সবচেয়ে বড় পরমাণু স্থাপনা বানাচ্ছে রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলকে সতর্ক করল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী
ইসরায়েলকে সতর্ক করল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান
এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা
আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল
শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা
বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন
পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু
তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা
‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে নিহত ১৯ বছরের কিশোর
চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে নিহত ১৯ বছরের কিশোর

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ

প্রথম পৃষ্ঠা

জোটের হিসাবে গোলমাল
জোটের হিসাবে গোলমাল

প্রথম পৃষ্ঠা

নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল

প্রথম পৃষ্ঠা

সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?
সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার
পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত
ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ
হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা
৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা

শোবিজ

মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী বিপাশা
আবেগী বিপাশা

শোবিজ

অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র
গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র

মাঠে ময়দানে

সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি
সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি

শোবিজ

দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়
দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

কাজের প্রেমে কনা...
কাজের প্রেমে কনা...

শোবিজ

পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার

প্রথম পৃষ্ঠা

স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া
স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া

মাঠে ময়দানে

ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন

সম্পাদকীয়

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন

পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল

সম্পাদকীয়

কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার
কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার

দেশগ্রাম

যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন

রকমারি

জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

সম্পাদকীয়

কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ
কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ

পূর্ব-পশ্চিম

অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল
অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল

পূর্ব-পশ্চিম