শিরোনাম
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:০৬
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে অপহরণকারী চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে অপহরণকারী চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানাধীন আব্দুল লতিফ হাটখোলা মহিলা স্কুল এলাকার লিচু ফ্যাক্টরির গার্ড রুমে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার গভীর রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় অপহরণের শিকার চারজনকে উদ্ধার করা হয়। 

উদ্ধারকৃতরা হলেন মো. বেলাল (৩০), ইয়াছিন (২৪), বশির আহমদ (৪৫) ও মো. ফারুক (২৩)। গ্রেফতারকৃত অপহরণকারীরা হলেন জাহিদুর আলম (২৩), আবু হেলালকে (২৮), মো. সোহাগ (২৪), মো. সাকিল (২৪), ইব্রাহিম (২০), মো. ইমরান (২৬), মো. মুজিব (২৫), শওকত আলী (২৬) ও মো. সাহাব উদ্দিন (১৯)। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় নগদ ৩২ হাজার ৭০০ টাকা। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ৮-৯ জনের সংঘবদ্ধ দল ওই বাসায় ঢুকে ডিবির লোক পরিচয় দিয়ে তাদের মারধর করে। একপর্যায়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাকলিয়ার লিচু ফ্যাক্টরির গার্ড রুমের ভিতর নিয়ে তাদেরকে আটকে রাখে এবং ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। অপহরণকারীরা চারজনের পরিবারের মোবাইলে ফোন করে দুইটি বিকাশ নম্বরে টাকাও পাঠাতে বলে।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘অপহরণের শিকার ব্যক্তিরা গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম শাহ্ আমানত বিমানবন্দর থেকে এয়ার এরাবিয়ায় দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। তারা বাকলিয়ার আব্দুল লতিফ হাটখোলায় মো. সামসুল আলম নামের এক ব্যক্তির বাসায় অবস্থান করার সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অপহৃত হন। পরে এ ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ অভিযানে নামে। বাকলিয়ার ডেপুটি রোড হাফিজ টেলিকম সেন্টারে টাকা নিতে এলে প্রথমে জাহিদ ও আবু হেলালকে আটক করা হয়। এরপর তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে অন্যদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

 

বিডি প্রতিদিন/ তাফসীর আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৪৭
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচন : হেভিওয়েট প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চসিক নির্বাচন : হেভিওয়েট প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী বাবা মায়ের কবর জেয়ারত এবং বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন মা শায়েস্তা খানমকে সালামের পর ভোট কেন্দ্রে যাবেন। বুধবার হেভিওয়েট এ দুই প্রার্থী ভোটাধিকার প্রয়োগের পর নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে পরিদর্শন করবেন।

ভোটের দিনের পরিকল্পনা নিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ভোটের দিন সকালে মাকে সালাম করে দিনের কার্যক্রম শুরু করবো। এরপর ভোটের সার্বিক কার্যক্রমের খোঁজ-খবর নেব। এর মাঝে নগরীর চকবাজার এলাকার বিএড কলেজ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবো। ওই কেন্দ্রে কিছু সময় অতিবাহিত করার পর অন্যান্য কেন্দ্র পরিদর্শন করবো। মূলত ভোটের দিন পুরোটাই নির্বাচনী কার্যক্রম মনিটরিং করবো।’

মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর ঘনিষ্টজন ও সাবেক ছাত্রনেতা মো. ইলিয়াছ উদ্দিন বলেন, বাবা-মা’র কবর জেয়ারতের পর এখলাছুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন রেজাউল করিম। কেন্দ্রে কিছু সময় ব্যয় করার পর নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রধান দুই দলসহ ৭ প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। বুধবার ৪১টি সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে মেয়র পদে সবকটিতে এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯টি ওয়ার্ডে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৭৩৫টি ভোট কেন্দ্রের ৪ হাজার ৮৮৬টি বুথে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ হবে।

মোট ভোটার ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৩ জন এবং মহিলা ভোটার ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৩ জন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:১৬
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:২৬
প্রিন্ট করুন printer

বিএনপির ৫৬ এজেন্টকে গ্রেফতারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

বিএনপির ৫৬ এজেন্টকে গ্রেফতারের অভিযোগ

চসিক নির্বাচনে বিএনপির ৫৬ নির্বাচনী এজেন্টকে গ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এ অভিযোগ করেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

অভিযোগের বিষয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনী বিএনপি জয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে সরকার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করছে। সোমবার রাতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি’র ৫৬ জন এজেন্ট গ্রেফতার করা হয়। নির্বাচনী এজেন্টদের ছাড়িয়ে আনতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছি। তাদের ছাড়িয়ে আনতে না পারলে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরে আসা উচিত তাদের।'

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:২৩
প্রিন্ট করুন printer

চসিক নির্বাচন: ভোটের মাঠে ‘রেড ক্রিসেন্ট’

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

চসিক নির্বাচন: ভোটের মাঠে ‘রেড ক্রিসেন্ট’

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে প্রচারণাকে কেন্দ্র প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারও নির্বাচনে সংঘাতের শঙ্কা প্রকাশ করেছিল। এছাড়া কাউন্সিলর পদে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় শঙ্কাটাও দ্বিগুণ হয়েছে। ফলে চসিক নির্বাচনের ভোটের মাঠে সহিংসতার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।  

তবে সহিংসতার এমন অবস্থায় সংঘাতের সম্ভাবনাটি সামনে চলে আসছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অবস্থান নিয়ে নির্বাচনী সহিংসতায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তত্ত্বাবধানে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম সিটি ইউনিট এই কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে।

রেড ক্রিসেন্টের প্রচার বিভাগের উপ প্রধান মিসবাহ উদ্দিন বলেন, ‘একটি দুর্ঘটনায় আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়ে তিনটি গাড়ি সড়কে সড়কে প্রদক্ষিণ করবে। গাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রশিক্ষিত পাঁচজনের একটা টিম এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ থাকবে।’ 

জানা যায়, রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার সরঞ্জাম নিয়ে নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের এই কর্মসূচি চলবে নির্বাচনের পরদিন ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। নগরে ঘুরছে দুটি মাইক্রোবাস ও একটি অ্যাম্বুলেন্স। গাড়িগুলো সম্ভাব্য নির্বাচনী সংঘাতে আহতদের চিকিৎসা ও আনা-নেওয়ার কাজ করবে। সবক’টি গাড়িতে আছে প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম।

প্রতিটি গাড়িতে থাকছেন ৫ জন করে স্বেচ্ছাসেবক। তারা তিনটি দলে ভাগ হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার কাজটি করছেন। প্রাথমিকভাবে জামালখান, বাকলিয়া, মোগলটুলীর মতো ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলোতে রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা সক্রিয় থাকবেন। 

তবে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডেই তাদের পদচারণা থাকবে। তুলনামূলক কম আহতদের মাইক্রোবাসে এবং অবস্থা গুরুতর হলে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মেডিকেলে পাঠানো হবে।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৫
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:২২
প্রিন্ট করুন printer

আশা করি চসিকে ভালো নির্বাচন দেখবেন: ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

আশা করি চসিকে ভালো নির্বাচন দেখবেন: ইসি সচিব
মো. আলমগীর (ফাইল ছবি)

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচন সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, আশা করি কালকে একটা ভালো নির্বাচন দেখবেন। 

আজ মঙ্গলবার বিকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে চসিক নির্বাচনের সর্বশেষ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন সচিব। 

প্রস্তুতি নিয়ে সচিব বলেন, কমিশন থেকে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে যেহেতু রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সমস্ত দায়িত্ব ন্যাস্ত করা আছে। সেখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোক, আমাদের রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসার এবং যেহেতু ইভিএমে ভোট হচ্ছে, তাই ইভিএমের কারিগরী সহায়তা দেয়ার জন্য সবাই এখন চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। পূর্ণ প্রস্তুতি শেষ। আমরা আশা করি যে, একটা সুষ্ঠু এবং প্রতিযোগিতামূলক শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য যা যা উদ্যোগ নেয়া দরকার তা নেয়া হয়েছে। 

রিটার্নিং অফিসার এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে পরিমাণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সে পরিমাণ অনুমোদন দেয়া হয়েছে এবং তাদের কাছে বাজেটও দেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। কেউ শাস্তিযোগ্য অপরাধ করলে তাকে শাস্তি দিতে প্রতি দুইটি ওয়ার্ডের জন্য একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। আমরা মনে করি যে যত রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন তার সবটুকুই সেখানে নেয়া আছে। 

তিনি বলেন, বাইরের লোক যারা ওই এলাকার ভোটার না, ভোটকেন্দ্রে এসে গোণ্ডগোল করতে পারে এরকম কাজ যাতে করতে না পারে এজন্য শহরে প্রবেশ করার যে রাস্তাগুলো আছে সেখানে পুলিশি পাহাড়া থাকবে। যাতে করে ভোটার ছাড়া অন্য কোনো লোকজন ভোটকেন্দ্রে এসে কোনো গণ্ডগোল করতে না পারে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রের বাইরেও যাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে কোনো রকম বাধার সৃষ্টি করতে না পারে। আমরা মনে করি, নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে করার জন্য যা যা করার দরকার তার সব ধরনের ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করেছে। 

সহিংসতার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা প্রথম দিকে হয়েছিল। তারপর সেখানে সবাই খুব সতর্ক হয়ে গেছেন। এরপর আল্লাহর রহমতে আর কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমরা আশা করি ওই ধরনের কোনো ঘটনা আর ঘটবে না। যাতে না ঘটে তার জন্য ওই প্রস্তুতি। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১০ হাজারের উপরে সেখানে নিয়োজিত আছে। ওই ধরনের আর কোনো ঘটনা ঘটবে না বলেই আমরা মনে করি। 

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কতগুলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা তো আপনাদের বলা যাবে না। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কতগুলো এটা তো গোপনীয় জিনিস। 

জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২০ জন এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ৪০ জন নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান সচিব। 

করোনা পরিস্থিতিতে ভোটে নির্দেশনা সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের বলাই আছে স্বাস্থ্যবিধি যা মেনে চলা দরকার তার সব মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া আছে। ভোটার যখন লাইনে দাঁড়াবেন তখন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াবেন। ইভিএমে ভোট দেয়া হবে তাই ভোট দেয়ার আগে এবং পরে হাত হ্যান্ডওয়াস করে নেবেন। আর সবাইকে মাস্ক পড়ে যেতে হবে। মাস্ক ছাড়া কেউ গেলে তাকে ভোট দিতে দেয়া হবে না বা দায়িত্ব-পালন করতে দেয়া হবে না। 

নির্বাচনে সহিংসতা এবং অনিয়মের দায় কমিশন এড়াতে পারে না একজন নির্বাচন কমিশনারের এমন বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা মাননীয় কমিশনারই বলতে পারবেন। আমার কোনো বক্তব্য নেই। 
আপনারা আশা করছেন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই। আশা না করার কোনো কারণ নেই তো। 

বি ডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:০২
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৭
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত পাসপোর্টের পরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত পাসপোর্টের পরিচালক
মো. আবু সাঈদ

এবার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় আঞ্চলিক পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মো. আবু সাঈদ। মঙ্গলবারও তিনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিজ অফিসে কাজ পরিচালনা করেছেন। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে বর্তমানে কিছুটা সুস্থতার দিকে আছেন। এর আগে চট্টগ্রামে পাসপোর্ট অফিসের আরও বেশ কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল।

অফিস ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনি প্রতিদিন অফিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে দিক-নির্দেশনামূলক আলোচনা, নানাবিধ সমস্যা-সমাধের বিষয়ে পাসপোর্ট আবেদনকারিদের সঙ্গে সাক্ষাতসহ ব্যস্ততার মধ্যেই রয়েছেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি চট্টগ্রামের পাসপোর্ট অফিসেও করা হয়েছিল সীমিত পরিসরে উপস্থিতিতি। এসময় সাধারণ মানুষের বা আবেদনকারিদের স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হওয়ায় নোটিশও দেয়া হয়েছিল। অনেকেই এসব বিষয় না মেনে ভেতরে প্রবেশ করেছেন।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় আঞ্চলিক পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মো. আবু সাঈদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মঙ্গলবারও অফিসে ছিলাম। আবেদনকারিদের নানাবিধ সমস্যার বিষয়ে শুনতে হয়। বর্তমানে কিছুটা অফিস করার চেষ্টা করছি। তবে আগের চেয়ে এখন কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে উঠছেন বলে জানান তিনি।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগীয় আঞ্চলিক পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস এবং চান্দঁগাও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে জমে থাকা আবেদনকারিদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, কোতোয়ালী, চকবাজার, বাকলিয়া, কর্ণফুলী থানা, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও লোহাগাড়া উপজেলার বাসিন্দারা।

এসব অফিসে প্রতিদিন শতশত আবেদনকারি উপস্থিত হচ্ছেন। এসব আবেদনকারিদের সঙ্গে নানাবিধ বিষয়ে কথাও বলতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার 

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর