শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ জুন, ২০২১ ১৯:০৩
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে পলিথিন বন্ধে ওয়ার্ডভিত্তিক কারখানা চিহ্নিত করবে চসিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রামে পলিথিন বন্ধে ওয়ার্ডভিত্তিক কারখানা চিহ্নিত করবে চসিক
Google News

পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষা ও নগরীর জলবদ্ধতা নিরসনে কারখানার ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করা হবে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ স্ব স্ব ওয়ার্ডে কোন পলিথিন কারখানা থাকলে তা চিহ্নিত করে তালিকা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।    

বুধবার সকালে নগরীর টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সম্মেলন কক্ষে ‘পলিথিন মুক্ত চট্টগ্রাম’ বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এ সব কথা বলেন।  

পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমনের সভাপতিত্বে ও চসিক সচিব খালেদ মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহীদুল আলম, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরীর পরিচালক মো. নুরুল্লাহ নুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার এস.এম মোস্তাইন হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) আ.স.ম জামসেদ খোন্দকার, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক লে. কর্নেল মো. শাহ আলী, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. মোবারক আলী প্রমুখ। চসিক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, পলিথিন আমাদের জন্য অভিশাপ। তাই নগরবাসী ও ব্যবসায়ীদের পলিথিন ব্যবহারে নিরুৎসাহিত  করতে হবে। প্রয়োজনে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হবে। পলিথিন বন্ধের মূল উদ্দেশ্য হলো নগরীকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করা। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজন পাহাড় কাটা বন্ধ, পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের পাইলিং এর মাটি নালা-খালে ফেলা বন্ধ করতে হবে। এসব ব্যাপারে সবগুলো সেবা সংস্থাকে একযোগে সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর পরিচালক মো. নুরুল্লাহ নুরী বলেন, আমরা সাধারণত ৫ ধরণের পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাই। মোটা পলিথিন ব্যবহার করা গেলেও নাগরিকদের যত্রতত্র পলিথিন না ফেলার জন্য সচেতন করতে হবে এবং পলিথিন ডাম্পিং করা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, চসিক আবাসিক গৃহ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সবুজ ও লাল রংয়ের বিন সরবরাহ করতে পারে। এতে করে আবর্জনার পাশাপাশি পলিথিনও আলাদা করা যাবে। অন্যদিকে, পাহাড় কাটা বন্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। তবে নগরীর কিছু প্রভাবশালী মহল রাতের অন্ধকারে লুকিয়ে পাহাড় কাটার ফলে পলিথিনের মত পাহাড়ের বালিও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে।

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল মো. শাহ আলী নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে পলিথিন বন্ধের পক্ষে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে বলেন। প্রয়োজনে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রত্যেক সেবাসংস্থাকে নিয়ে একদিন পলিথিন মুক্ত ও আবর্জনা পরিস্কারের কর্মসূচী গ্রহণ এবং পলিথিন বন্ধে জরিমানা ব্যবস্থা চালু করার প্রস্তাব করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক, উপ সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, নির্বাহী প্রকৌশলী মির্জা ফজলুল কাদের, চসিকের প্রোগ্রামার মো. ইকবাল হাসান, উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী, স্থপতি আব্দুল্লাহ ওমর প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

এই বিভাগের আরও খবর