Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:০৪
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:১৭

রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচন: প্রতীক পেয়ে প্রচারণায় প্রার্থীরা

রংপুর প্রতিনিধি

রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচন: প্রতীক পেয়ে প্রচারণায় প্রার্থীরা

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন প্রার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দের পর এই প্রচারণা শুরু হয়।

সকাল থেকে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তার সভাকক্ষে একজন স্বতন্ত্রসহ অন্য পাঁচ দলের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। প্রতীক বরাদ্দের পরই নিজ নিজ দলের পক্ষে সাধারণ ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও মাইকিং চলছে সদর-নগর জুড়ে।

মহাজোট সমর্থিত জাতীয় পার্টির প্রার্থী রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদ (লাঙল), বিএনপির রিটা রহমান (ধানের শীষ), এরশাদের ভাতিজা স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ (মোটরগাড়ি- কার) প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধের মাঠে নেমেছেন।

অন্যদিকে, খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডল (দেওয়াল ঘড়ি), এনপিপির শফিউল আলম (আম) এবং গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ (মাছ) দলীয় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। তবে তাদের পক্ষে তেমন প্রচারণা চোখে পড়েনি।

ভোটযুদ্ধের প্রচারণায় হেভিওয়েট প্রার্থী সাদ এরশাদ ও রিটা রহমানের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের অভিমানী ভাতিজা আসিফ স্থানীয় হিসেবে রয়েছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রধান দু’দলের দুই প্রার্থীর সঙ্গে আসিফের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।

অপরদিকে, শতভাগ জয়ের নিশ্চয়তা দিয়ে রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমাদের মহাজোটের প্রার্থী সাদ এরশাদ। তার সঙ্গে শুধু জাতীয় পার্টি নয়, আওয়ামী লীগও আছে। আমরা রংপুরবাসী বারবার লাঙ্গল ও এরশাদকে ভোট দিয়েছি। এবার তার পুত্র সাদ এরশাদকে আমরা বিপুল ভোটে জয়ী করব। আমরা প্রমাণ করব রংপুর মানেই এরশাদ ও লাঙল।’

উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শূন্য ঘোষিত রংপুর-৩ আসনে আগামী ৫ অক্টোবর হবে ভোটগ্রহণ। এতে ১৭৫টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট দিবেন ভোটাররা।
রংপুর সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২১ হাজার ৩১০ জন এবং ২ লাখ ২০ হাজার ৭৬২ জন নারী ভোটার।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে ইভিএমে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেই ভোটে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছিলেন ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট। এবারও ইভিএমে ভোট হবে। এবারো ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হয়েছেন রিটা রহমান।

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য