শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৩০, রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২০ আপডেট:

পথপ্রাণির সেবার নামে চাঁদাবাজি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
পথপ্রাণির সেবার নামে চাঁদাবাজি!

পথের কুকুর-বিড়ালের সেবার নামে চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছেন নিজেকে ‌'আদি গুরু' পরিচয় দেওয়া নাঈম ইবনে ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। পথপ্রাণির সেবার নামে দেশ-বিদেশের পশুপ্রেমি সংগঠন ও মানুষের কাছ থেকে অনুদান নিয়ে তা আত্মসাৎ করে গড়ে তুলেছেন বিত্ত-বৈভব। পাশাপাশি সেবার নামে রাস্তা থেকে কুকুর-বিড়াল ধরে নিয়ে আটকে রেখে সেগুলোকে অনাহারে-বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। কিছু সমমনা ব্যক্তির সহযোগিতায় নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় পশুপ্রেমী হিসেবে পরিচিত করে তোলা এই নাঈম ইবনে ইসলামের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে পশুপ্রেমি সংগঠনগুলো। এমনকি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংগঠনগুলো আইনের দ্বারস্থ হয়েছে।

পথপ্রাণিদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও কেয়ার ফর পজ দীর্ঘদিন ধরে নাইম ইবনে ইসলামের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে পেয়েছে অমানবিক চিত্র। সংগঠন দুটি জানায়, নাঈম ইবনে ইসলাম গত তিন বছর ধরে ছদ্মনাম “আদি গুরু” ব্যবহার করে বাংলাদেশের প্রাণিকল্যাণের ক্ষেত্রে বিচরণ করছেন। এই সময় তিনি রাস্তার সুস্থ-অসুস্থ কুকুর-বিড়াল উদ্ধার করার নামে মূলত বাসায় ফেলে রাখছেন। কিন্তু ফেসবুকে বিভিন্ন প্রাণিপ্রেমী গ্রুপে পোস্ট দিয়ে নিজেকে প্রাণি উদ্ধারকারী এবং প্রাণিপ্রেমী হিসেবে পরিচিত করেছেন। ২০১৮ সালে রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় তার বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ করেন ইসরাত জাহান এবং কিছু প্রাণী অধিকারকর্মী। একজন পুলিশ সদস্য তার জিগাতলার ফ্ল্যাটে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। ভবিষ্যতে শুধরাবে এই মর্মে ক্ষমা পেলেও বর্তমানে জিগাতলা থেকে পালিয়ে রায়েরবাজারের বারুইখালি এলাকায় একটি জমি ভাড়া করে তার অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মাঝে প্রায় শতাধিক কুকুর-বিড়াল তুলে নিয়ে মানবেতরভাবে আটকে রাখেন। কিছুদিন পর পর এসব প্রাণির ওষুধ, খাবার, ইত্যাদি লাগবে বলে ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অনুদান সংগ্রহ করছেন। স্বল্প খরচে কোন রকম ছাপড়া ঘর তুলে বিড়াল-কুকুর একসাথে রেখে এটাকে শেল্টার হিসেবে প্রচার করছেন। অসুস্থ-সুস্থ প্রাণিদের পঁচা-বাসি ছত্রাক পড়া রুটি-কেক খেতে দেন। নতুন টিন কেনার জন্য টাকা তুলেও সেগুলো পরিবর্তন করেননি। খাবারের জন্য ফান্ড তুলেও প্রাণিদের খাবার দেওয়া হয় না। সেখানে নেই কোন পশু চিকিৎসক। নিজেকে প্রাণিচিকিৎসক হিসেবে প্রমাণ দিতে নিজেই ভুল চিকিৎসা প্রয়োগ করে পরীক্ষা চালান। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজেকে ভেট/প্যারাভেট নাম দিয়ে প্রাণিদের চিকিৎসা দিয়ে অর্থ আদায় করেন। নীলা হাবিবা নামের একজন প্রাণিপ্রেমীর কাছ থেকে কুকুর-বিড়ালের জন্য প্রতি মাসে অনুদান হিসেবে পাওয়া বিদেশি খাবার প্রাণিগুলোকে না খাইয়ে বাইরে বিক্রি করে দেন। 

তার সঙ্গে নারী স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করতে গেলে তাদেরকে শারীরিকভাবে হয়রানি করারও অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুইজন নারী স্বেচ্ছাসেবী। এছাড়াও একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থী তার শেল্টারে উদ্ধার করা চারটি কুকুর রাখার পর থেকে শুরু হয় মেসেঞ্জারে উত্যক্ত করা ও অশ্লীল ভয়েস রেকর্ড পাঠানো। জায়গার মালিক নাসিমা আক্তার গত ৭ জুন তাকে জায়গা ছাড়ার নোটিশ দিলে ১১ জুন রাতেই তিনি একটি ফেসবুক লাইভ করে নাহার চাকলাদার এবং হাবীব আহমেদ নামে দুই ব্যক্তির কাছে প্রাণীদের ওই শেল্টার ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যান। এরপর থেকে এই দুই ব্যক্তি শতাধিক প্রাণির দায়িত্ব নিতে অপারগ হন এবং প্রাণিকল্যাণ সংগঠনগুলোর সহায়তা চান। মানবেতর অবস্থায় ফেলে যাওয়া কুকুর-বিড়ালকে বাঁচাতে পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এবং কেয়ার ফর পজসহ বেশকিছু প্রাণিপ্রেমী সংগঠন এগিয়ে যায়। গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি কুকুর-বিড়াল মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এদিকে পলাতক নাঈম ইবনে ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকেন। এ সময় তিনি তার কিছু ফেসবুক ফলোয়ার নিয়ে সাইবার জগতে নোংরা খেলায় মেতে ওঠেন। প্রাণিগুলোর সাহায্যে এগিয়ে যাওয়া সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার এবং শেল্টার/ জমি দখলের অভিযোগ তোলেন, যদিও জমির মালিক তিনি নন। এছাড়া শেল্টারে শতাধিক অসুস্থ কুকুর-বিড়াল ছাড়া দখল করার মত কিছুই নেই। এ সময় পলাতক নাঈম ফেসবুকে বিভিন্ন লাইভে প্রচার করতে থাকেন, তিনি সংগঠনগুলোর চাপ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের হুমকি এবং পুলিশের ভয়ে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে অনুনয় বিনয় করে তার অপরাধ ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করতে থাকেন। এরপর গত ৪ জুলাই তিনি আবার অবৈধ শেল্টারে ফিরে আসেন।

সংগঠন দুটি'র পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আদি গুরু নামধারী নাঈম ইবনে ইসলামের এসব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের প্রচলিত বিভিন্ন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রাণিদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ প্রাণিকল্যাণ আইন-২০১৯ মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই সাথে নিবন্ধিত ভেট না হয়ে অথবা সাধারণ ব্যক্তি হিসেবে ভেটেরিনারি চিকিৎসা প্রদান করা বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন-২০১৯ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সাধারণ মানুষের অনুভূতির সুযোগ নিয়ে নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে প্রতারণা করে অর্থ সংগ্রহ করা বাংলাদেশ দণ্ডবিধি-১৮৬০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়াও জঘন্য অপরাধ হচ্ছে নারীদের সাথে অশালীন ও যৌন হয়রানিমূলক আচরণ করা। নাঈম ইবনে ইসলামের এসব অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে সমাজের কয়েকজন সচেতন নাগরিক তার বিরুদ্ধে গত ১১ জুন হাজারীবাগ থানা এবং ১৫ জুন রমনা মডেল থানায় দুইটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এছাড়াও নিয়ম অনুযায়ী উক্ত এলাকার থানা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করা হলে তিনি সরেজমিনে অবৈধ শেল্টার পরিদর্শন করেন।  হাজারীবাগ থানায় প্রাণির প্রতি নিষ্ঠুরতাসহ নারী স্বেচ্ছাসেবীকে যৌন হয়রানি এবং রমনা মডেল থানায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন নারী স্বেচ্ছাসেবীকে অশ্লীল ভয়েস রেকর্ড পাঠানো হয়েছে এই মর্মে সাধারণ ডায়েরি লেখা হয়। 

তবে এ ব্যাপারে জানতে নাঈম ইবনে ইসলামকে ফোন দিলে তিনি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যারা অভিযোগ করেছেন, তারা মূলত আমার শেল্টার হোমটি দখলের চেষ্টা করছেন অনেক দিন ধরে। আমি কয়েকদিনের জন্য বিশ্রামে গিয়েছিলাম। এই সুযোগে তারা এসে এটার দখল নেয়। এরপর চারিদিক এলোমেলো করে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। আমি যাবার সময় কুকুর-বিড়ালগুলোর চেহারা এমন রুগ্ন ছিল না। 

শেল্টার ছেড়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে বলেন, এটারও কারণ আছে। আপনি এলে আমি সবকিছু দেখাতে পারব। এছাড়া রমনা থানায় আমার নামে যে নারী অভিযোগ করেছেন, তার সঙ্গে মেসেঞ্জারে আমার চ্যাট হিস্ট্রি দেখাতে পারব। তাতেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। যারা আমার এই শেল্টারটি দখল করতে চেয়েছিল আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি যাওয়ার পর এখান থেকে ৫৬টি বিড়াল ও ৪৫টি কুকুর উধাও হয়ে গেছে। ওই পোষ্যগুলো যারা এখানে রেখেছিল তারা মামলা করবে।

এ ব্যাপারে পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্থপতি রাকিবুল হক এমিল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এদেশে প্রাণিকল্যাণের প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা একেবারেই নবীন পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিবেশী প্রাণিকূল নিয়ে কাজের ক্ষেত্র এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে ধরে রাখতে হলে যে কোন ধরণের অবৈধ ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম বন্ধ করতে সবাইকে সতর্ক ভূমিকা নিতে হবে। একই সাথে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে নতুন প্রাণিকল্যাণ আইন-২০১৯  প্রয়োগের ক্ষেত্রে সুদৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। এই ধরণের অবৈধ কার্যক্রমকে প্রশ্রয় না দিয়ে মানসম্মতভাবে প্রাণিকল্যাণ কাজকে এগিয়ে নিতে সচেতন প্রাণিপ্রেমীদের ভূমিকাও অনস্বীকার্য।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

এই বিভাগের আরও খবর
স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে সোনালী লাইফের অগ্রযাত্রা
স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে সোনালী লাইফের অগ্রযাত্রা
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ১৪৪৫ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, ১৪৪৫ মামলা
সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা
বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ
ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
শিক্ষাবিদ মাহমুদ উল্লাহ’র মৃত্যুতে বিএসপিপি’র গভীর শোক
শিক্ষাবিদ মাহমুদ উল্লাহ’র মৃত্যুতে বিএসপিপি’র গভীর শোক
জেডআরএফ’র পরিচালক শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর বাবার মৃত্যুতে শোক
জেডআরএফ’র পরিচালক শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর বাবার মৃত্যুতে শোক
লাইভ চলাকালে আঘাতে আহত বাংলাদেশ প্রতিদিনের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার দুর্জয়
লাইভ চলাকালে আঘাতে আহত বাংলাদেশ প্রতিদিনের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার দুর্জয়
রংপুরে প্রাথমিকে শিক্ষক সংকট কাটছে না
রংপুরে প্রাথমিকে শিক্ষক সংকট কাটছে না
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
সর্বশেষ খবর
মির্জাপুরে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু
মির্জাপুরে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ
বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

আবারও শীর্ষে ফিরবে বাবর, ওয়াসিম আকরামের বিশ্বাস
আবারও শীর্ষে ফিরবে বাবর, ওয়াসিম আকরামের বিশ্বাস

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফাহমিদার কণ্ঠে বৃষ্টির গান ‘মেঘলা আকাশ’
ফাহমিদার কণ্ঠে বৃষ্টির গান ‘মেঘলা আকাশ’

২১ মিনিট আগে | শোবিজ

রাকসু নির্বাচন : কেন্দ্রীয় সংসদে ৩১৮, সিনেটে ৬৯ পদপ্রার্থী
রাকসু নির্বাচন : কেন্দ্রীয় সংসদে ৩১৮, সিনেটে ৬৯ পদপ্রার্থী

২৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সংস্কার একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি
সংস্কার একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে : প্রধান বিচারপতি

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

এআই-চালিত স্টেথোস্কোপের বিস্ময়কর ক্ষমতা
এআই-চালিত স্টেথোস্কোপের বিস্ময়কর ক্ষমতা

২৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের গল্প ‘সহযাত্রী’
দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের গল্প ‘সহযাত্রী’

৩৮ মিনিট আগে | শোবিজ

নিজের আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘সাইয়ারা’র নায়ক
নিজের আসল নাম প্রকাশ করলেন ‘সাইয়ারা’র নায়ক

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

হাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সেলিং শীর্ষক সেমিনার
হাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সেলিং শীর্ষক সেমিনার

৪১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন কীর্তি পোলার্ডের
ঝলমলে ক্যারিয়ারে নতুন কীর্তি পোলার্ডের

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সিগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু
মুন্সিগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ
ফরিদপুর পৌরসভায় বেহাল সড়ক, ভোগান্তিতে মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ
একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ভিসিসহ ২২৭ শিক্ষক অবরুদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই
টেইলর সুইফটের বাগদানের হীরার আংটি নিয়ে হইচই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস
গেইল-পোলার্ডের পর ইতিহাস গড়লেন হেলস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে যমুনায় বিএনপি নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ
গাইবান্ধায় গাছের চারা বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
সোনারগাঁয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
রংপুরে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা
লক্ষ্মীপুরে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা বিষয়ক প্রস্তুতিমূলক সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম
দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে : ফারুক-ই-আজম

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বগুড়ায় চার দিনের কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি
সাদাপাথরকাণ্ডে এবার ওসি বদলি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব
ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু
দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন