শিরোনাম
প্রকাশ : ২ আগস্ট, ২০২০ ১৭:৪৩
আপডেট : ২ আগস্ট, ২০২০ ১৭:৪৫

রাতারাতি রাজশাহী নগরীর কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাতারাতি রাজশাহী নগরীর কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ

ঘোষণা অনুযায়ী রাতারাতি রাজশাহী মহানগরীর কোরবানির পশুর সব বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। গত বছরের মতো এবারও ঈদের দিন রাতের মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপাসারণে  রেকর্ড গড়লো রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। ঈদের পরদিন নগরীর কোথাও কোরবানির বর্জ্য দেখা যায়নি।

ঈদের দিন শনিবার দুপুর ১২টা থেকে নগরীতে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু হয়। রাত ২টার মধ্যেই নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের বর্জ্য অপসারণ করা হয়। কোরবানির বর্জ্য অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে সহযোগিতা করায় নগরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

শনিবার দুপুর থেকে বর্জ্য বিভিন্ন রাস্তা এবং পাড়া-মহল্লার গলি থেকে সংগ্রহ করে প্রতিটি ওয়ার্ডের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার  স্টেশনে রাখা হচ্ছিল। সন্ধ্যা ৬টায় সেখান থেকে বর্জ্য ভাগাড়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়। নগরীর কাদিরগঞ্জ  সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন।

এ সময় রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি সরিফুল ইসলাম বাবু, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর  তৌহিদুল হক সুমন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন ডলার, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মনিটরিং সাজ্জাদ হোসেন, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মনিটরিং তাসনীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনকালে মেয়র বলেছিলেন, ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর রক্ত, মলমূত্র ও সকল বর্জ্য রাত ২টার মধ্যেই অপসারণ করা হবে। এর আগে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন সময় একই ঘোষণা দিয়েছিলেন মেয়র। মেয়রের ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন করেছে রাসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ।

প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন বলেন, ঘোষণা অনুযায়ী ঈদের দিন রাতের মধ্যেই আমরা কোরবানির সকল বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি। বর্জ্য অপসারণ করে  কোরবানির স্থান পানি দিয়ে ধুঁয়ে পরিস্কার ও পর্যাপ্ত পরিমাণে জীবাণুনাশক ছিটানো হয়েছে। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন শহর পেয়েছে মহানগরবাসী।

তিনি বলেন, ঈদুল-আজহা উপলক্ষ্যে পরিচ্ছন্ন বিভাগের ১ হাজার ৪০০ পরিচ্ছন্নকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছিল। তারা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে এই কাজ সম্পন্ন করেছে। সাধারণত ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনও কিছু ব্যক্তি পশু  কোরবানি করে থাকেন। সেই কোরবানির বর্জ্যও দ্রুত সময়ের মধ্যেই অপসারণ করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর