শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট, ২০২০ ১৪:২৬

খালেদা জিয়াকে মুক্ত বলা হলেও কার্যত তিনি মুক্ত নন : রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

খালেদা জিয়াকে মুক্ত বলা হলেও কার্যত তিনি মুক্ত নন : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, আমরা অত্যন্ত দুঃসময়ে বসবাস করছি। যে সময়টাতে কথা বলতে ভয়, কোন বাকস্বাধীনতা নেই। কথা বললেই হামলা-মামলা, গুম, খুন হত্যা ও জেল। এই হলো আমাদের বর্তমান অবস্থা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলকভাবে সাজা দেয়া হয়েছে। তাকে এখন মুক্ত বলা হলেও কার্যত তিনি মুক্ত না। কে বা কখন এই সরকারের নির্যাতনের শিকার হবে তার কোন ইয়ত্তা নাই।

শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু এবং সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের বলেছেন বিএনপি দুর্নীতির পৃষ্টিপোষক। তাহলে পদ্মা সেতুর কেলেঙ্কারি কি বিএনপির সময় হয়েছে? রিজেন্ট হাসপাতালে দুর্নীতি কি বিএনপির সময় হয়েছে? জেকেজির ভুয়া করোনা টেস্ট কি বিএনপির সময় হয়েছে? আপনারা বড় বড় কথা বলছেন? আয়নার সামনে দাঁড়ান। নিজেদের চেহারাটা দেখুন। আপনাদের দুর্নীতি নিয়ে যদি নাটক বানানো হয় সে নাটক হবে মহানাটক। কীভাবে একটা সরকার ১২ বছর জোর করে ক্ষমতায় থেকে কীভাবে জনগনের টাকা লুট করেছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মানেই ক্যাসিনোর সাথে সম্পর্ক, আওয়ামী লীগ মানেই জেকেজি, রিজেন্ট এর দুর্নীতি। লজ্জা হয় না আপনাদের? আসলে লজ্জা শরমের বালাই যাদের নেই তারাতো অনেক কিছুই বলতে পারে।

রিজভী বলেন, দীর্ঘ দুই বছর আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বেগম জিয়াকে অন্যায়ভাবে জেলে রাখা হলেও তিনি আপোষ করেনি। তিনি যেকোন সঙ্কটে জনগণকে ছেড়ে যাননি। আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুস সালাম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর