শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৯:৪৫

৬৪ জেলায় সমলয়ে চাষাবাদ পদ্ধতি জনপ্রিয় করতে হবে: কৃষি সচিব

গাজীপুর প্রতিনিধি

৬৪ জেলায় সমলয়ে চাষাবাদ পদ্ধতি জনপ্রিয় করতে হবে: কৃষি সচিব

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান বলেছেন মানুষ বাড়ছে, জমি কমছে। বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য যোগান দিতে হলে নতুন জাত, ভালো বীজ এবং উন্নত প্রযুক্তি দ্রুত মাঠে নিয়ে যেতে হবে। ফলন বাড়াতে সমলয়ে চাষাবাদ এখন সময়ের দাবী। এজন্য ৬৪ জেলায় সমলয়ে চাষাবাদ পদ্ধতি জনপ্রিয় করতে হবে। এজন্য যত রকমের সহযোগিতা দরকার সেটি কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে করা হবে।

তিনি বলেন, ব্রি-ডিএই অঞ্চলভিত্তিক কর্মশালাগুলো অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। ব্রির ন্যায় বারি, বিনা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উচিত অন্য ফসল প্রযুক্তি নিয়েও অঞ্চলভিত্তিক কর্মশালা আয়োজন করা। এতে বিএডিসি-কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের লিংকেজ আরও জোরদার হবে।

শনিবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ‘ঢাকা অঞ্চলের বর্তমান রোপা আমন আবাদ পরিস্থিতি এবং আগামী বোরো ও রবি মওসুমের প্রস্তুতি’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান এসব কথা বলেন। 

কৃষি সচিব বলেন, হাইব্রিড জাতের আবাদ বাড়াতে হবে। এখন হাইব্রিড ধানের আবাদ এলাকা মাত্র ১০ লক্ষ হেক্টর। এটিকে ১২ লক্ষ হেক্টরে উন্নীত করা কঠিন কাজ নয়। ভবিষ্যতে এটি আরও বাড়াতে হবে। মাঠ পর্যায়ে বীজের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে কৃষি মন্ত্রণালয়। বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করার জন্য এ অঞ্চলের পতিত জমিগুলো চাষাবাদের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন-ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. তমাল লতা আদিত্য। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো: হাসানুজ্জামান কল্লোল, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (গবেষণা অনুবিভাগ) বলাই কৃষ্ণ হাজরা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) কৃষিবিদ ড. মোঃ আসাদুল্লাহ, ব্রি’র পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. কৃষ্ণ পদ হালদার।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের পক্ষ থেকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রি’র ফলিত গবেষণা বিভাগের প্রধান এবং মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ হুমায়ুন কবীর। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (ঢাকা অঞ্চল) কৃষিবিদ বিভূতি ভূষণ সরকার।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের বিভিন্ন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধানগণ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালকগণ, অতিরিক্ত উপ-পরিচালকগণ, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ও কৃষি তথ্য সার্ভিসের এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ কর্মশালায় অংশ গ্রহণ করেন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর