শিরোনাম
প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৯:০৩

দৃশ্যমান হচ্ছে পোর্ট কানেক্টিং রোডের কাজ

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

দৃশ্যমান হচ্ছে পোর্ট কানেক্টিং রোডের কাজ

দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড খ্যাত চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম সড়ক ছয় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে পোর্ট কানেক্টিং রোড। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার পণ্যবাহী যানবাহন এ সড়কটি ব্যবহার করেই সারা দেশে যায়। এটি দিয়ে আশপাশের বিভিন্ন জেলায়ও প্রতিদিন যাতায়াত করে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ। দীর্ঘদিন ধরেই বন্দর এবং হালিশহর ও আশপাশের এলাকার দুঃখ হয়ে আছে সড়কটি। জরুরি এ সড়কটি দুঃখ হয়ে আছে ব্যবসায়ী ও এ এলাকার মানুষের।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি উন্নয়ন ও সংস্কারের উদ্যোগ নিলেও কাজটি শেষ করেনি। ফলে প্রকল্প হাতে নিলেও মিলেনি সুফল। তবে গত এক মাস ধরে সড়কটির সংস্কার কাজে গতি ফিরে আসায় দৃশ্যমান হচ্ছে উন্নয়নকাজ। আগামী নভেম্বরের মধ্যে সড়কটির কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন বর্তমান প্রশাসক।

চসিক সূত্রে জানা যায়, সিটি গভর্ন্যান্স প্রজেক্টের আওতায় জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকার অর্থায়নে পোর্ট কানেক্টিং সড়ক সংস্কার ও সম্প্রসারণে কাজ করছে চসিক। ২০১৭ সালে ২০ নভেম্বর এই কাজের উদ্বোধন হয়। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিমতলা থেকে অলঙ্কার পর্যন্ত ৫ দশমিক ৭ কিলোমিটার এই সড়কটির সংস্কারকাজ করা হচ্ছে। ছয় লেনবিশিষ্ট এই সড়কটির প্রস্থ ১২০ ফুট। দুই পাশে প্রশস্ত আরসিসি ড্রে ও ফুটপাথ। মাঝে রাখা হচ্ছে চওড়া মিডিয়ান ও এলইডি আলোকায়নের ব্যবস্থা। বড়পোল থেকে তাসপিয়ার আগ পর্যন্ত এক পাশে কার্পেটিং করা হয়েছে। তাসপিয়া থেকে অলঙ্কার পর্যন্ত উভয় পাশই খানাখন্দে ভরা।

২০১৯ সালের জুনে এই রাস্তার সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন ২০২০ সালের ডিসেম্বরের আগে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও হয়নি। সমস্যা বেশি ছিল নয়াবাজার থেকে অলঙ্কার পর্যন্ত। তবে এখন এসব কাজ শেষ করা হচ্ছে।

চসিকের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, ‘সড়কটি বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায় দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনবার পরিদর্শন করি। আগামী নভেম্বরের মধ্যে যান চলাচলের উপযোগী করতে চাই। এটি সারা দেশের সড়ক যোগাযোগের পাইপলাইন। তাই সড়কটি স্থায়িত্ব ও ভারী পরিবহন চলাচলের সক্ষমতা বজায় ও গুণগত মান রক্ষা করে কারিগরি বিষয়গুলোর যথাযথ প্রয়োগ করে সড়কটিকে আগের চেহারায় ফিরে আনার চেষ্টা চলছে। গত তিন বছর ধরে সড়কটি নিয়ে স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই দায়িত্ব গ্রহণের পর সড়কটির সংস্কার ও উন্নয়ন কাজটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হচ্ছে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর