শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:৩০

রংপুরে এসইজেড স্থাপনে মিলল ২৫৪ একর জমি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুরে এসইজেড স্থাপনে মিলল ২৫৪ একর জমি

রংপুর জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) স্থাপনের জন্য উপযুক্ত জমি পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসন গঙ্গাচড়া উপজেলায় প্রায় ২৫৪ দশমিক ২৩ একর খাস জমি চিহ্নিত করেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) ব্যবস্থাপক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) বরাবরে তথ্যও পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, জমিটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত। তাই অধিগ্রহণের প্রয়োজন নেই। এ ছাড়া শ্রমিকের সহজলভ্যতা থাকায় প্রস্তাবিত এলাকায় শ্রমঘন শিল্প কারখানা স্থাপনের সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এসইজেড স্থাপনের জন্য প্রস্তাবিত জমিটি হচ্ছে আর এস ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত (বাস্তবে দোলা ও ডাঙ্গা)। এটি গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের ইচলি মৌজায়। দাগ নম্বর ৬৬৮। প্রস্তাবিত স্থানটি তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত শেখ হাসিনা সড়ক সেতুর উত্তর প্রান্তের লাগোয়া এবং কাকিনা (লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলা) রংপুর সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। এ স্থান হতে সড়ক, রেল ও নৌ মিলিয়ে তিন পথেই যোগাযোগ স্থাপন সহজ। এটি রংপুর হতে ১০ কিলোমিটার এবং লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার কাকিনা রেলস্টেশন হতে ৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। পাশাপাশি নৌপথে এ স্থান হতে সহজেই নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং রংপুর জেলার কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব। এ ছাড়াও প্রস্তাবিত স্থান থেকে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরের সঙ্গে সড়ক ও রেলপথে যোগাযোগও সম্ভব। ফলে কম খরচে বুড়িমারী স্থলবন্দরের মাধ্যমে ভারত, নেপাল ও ভুটানে সড়ক ও রেলপথে পণ্য পরিবহন করা সহজ। এমনকি তিস্তা নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌ চ্যানেল বিস্তৃত করে ভারতে পণ্য পরিবহন সম্ভব।

প্রস্তাবিত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। এ ছাড়া প্রস্তাবিত জমির লাগোয়া পূর্ব পাশে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এবং ইন্ট্রাকো সোলার পাওয়ার লিমিটেড নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সোলার পাওয়ার প্লান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। প্রয়োজনে উৎপাদিত সৌরশক্তি এ অর্থনৈতিক জোনে স্থাপিত শিল্পে ব্যবহার করা যাবে। তবে জমিটি বন্যামুক্ত উচ্চতায় নিতে হলে ১৫ ফিট মাটি ভরাটের প্রয়োজন হতে পারে।

অবশ্য তিস্তা নদীর নৌ চ্যানেল চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে খুব সহজে জমি ভরাট করা সম্ভব। প্রস্তাবিত জমিটি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং জনপ্রতিনিধিদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। সরেজমিন গত মঙ্গলবার সকালে গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ইচলি মৌজার ৬৬৮ নম্বর দাগে খাস জমিতে চলছে পুরোদমে আবাদ। কিছু লোকজন কাঁচা এবং টিনশেড বাড়ি করে বসবাস করছেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর