Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:০৩

ব্যাংকের ২২ লাখ টাকা ডাকাতি জাপা নেতাসহ ১৬ জনের সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

ব্যাংকের ২২ লাখ টাকা ডাকাতি জাপা নেতাসহ ১৬ জনের সাজা

পূবালী ব্যাংকের ২২ লাখ টাকা ডাকাতি মামলায় সিলেট জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও দক্ষিণ সুরমার তেতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উসমান আলী এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা আশিক আহমদসহ ১৬ জনকে ৭ বছর করে সাজা দিয়েছে আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছর করে সশ্রম কারাদে রও আদেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুরে মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মফিজুর রহমান ভূঁইয়া এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলা গ্রামের শহীদুল ইসলাম শহীদ, নগরীর ফাজিলচিশতের জাবেদ, সওদাগরটুলার রুবেল আহমদ, বলকলাপাড়ার কামাল হোসেন, নূরানি সুবিদবাজারের বাসিন্দা ও যুবলীগ নেতা কলিন্স সিংহ, কদমতলীর আবদুল মমিন, ইঙ্গুলাল রোড কুয়ারপাড়ের রহিম আলী, দক্ষিণ সুরমার বানেবিশ্বরপুরের শফিক মিয়া, একই গ্রামের বাসিন্দা ও চেয়ারম্যান উসমান আলীর ভাই আনহার ও আঙ্গুর, আবদুল হক লিটন, শাহান, লিটন ও সিপন আহমদ। এদের মধ্যে জাবেদ, রহিম আলী, শফিক মিয়া, আবদুল হক লিটন ও লিটন পলাতক রয়েছেন। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত আসামি আনোয়ার হোসেনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সিলেটের বিভিন্ন শাখা থেকে টাকা নিয়ে নগরীর লালদিঘীরপাড় প্রধান শাখায় মাইক্রোবাসযোগে আসছিলেন পূবালী ব্যাংকের জুনিয়ার অফিসার (ক্যাশ) জিএম আতাহার হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন গার্ড মোজাম্মেল আলী, আমানত উল্লাহ ও মাইক্রোবাস চালক          মজনু মিয়া। বিকাল সোয়া ৫টার দিকে হুমায়ূন রশীদ চত্ব¡রে আসার পর ১৫-২০ জন লোক মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে হামলা চালিয়ে গাড়িতে থাকা ৮৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকার মধ্যে ২২ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা ১৪ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি স্ট্যান্ডগানও ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ব্যাংকের জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) জিএম আতাহার হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

 মামলার দীর্ঘ শুনানি ও ২৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গতকাল আদালত মামলার ১৬ আসামিকে সাজা এবং একজনকে খালাস দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি মফুর আলী। আসামি পক্ষে ছিলেন- শফিকুল ইসলাম শফিক, শামীম আহমদ, শহীদুল ইসলাম, মঈন উদ্দিন, মো. হাসান, আবদুর রহমান আফজাল, মেসবাউজ্জামান জাকারিয়া খান ও অশেষ কর।

 

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর