শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৩৮

বসুন্ধরায় সাত শতাধিক প্লটের লোকেশন পেলেন ক্রেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পের কিউ ব্লকে ৩, ৪ ও ৫ কাঠা আয়তনের সাত শতাধিক প্লটের বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে বসুন্ধরায় আস্থা রাখা ক্রেতারা বুঝে পেলেন বুকিং দেওয়া প্লটের লোকেশন। গতকাল রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত প্লট বাছাই অনুষ্ঠানে লটারির কুপন তুলে ক্রেতারা নিজেই নিজেদের প্লটের লোকেশন বাছাই করেন। যেসব ক্রেতা উপস্থিত হতে পারেননি, শিশুদের দিয়ে তাদের লটারির কুপনটি তুলে প্লটের লোকেশন বরাদ্দ দেওয়া হয়। গতকাল শুধু একটি ও দুটি প্লট বুকিং দেওয়া ক্রেতাদের জন্য এ বাছাই প্রক্রিয়ার আয়োজন করা হয়। ‘বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্প ফেজ ফোর, ব্লক কিউ-এর প্লট বাছাই পর্ব ২০২০’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাওহীদুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবুল কালাম শামীম, বসুন্ধরা গ্রুপের গণমাধ্যম উপদেষ্টা মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক (ভূমি) লিয়াকত হোসেন ও নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) তৌহিদুল ইসলাম।

এদিকে যেসব ক্রেতা দুটি প্লট বুকিং দিয়ে পাশাপাশি বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছিলেন, তাদেরও লটারির    মাধ্যমে পাশাপাশি প্লট লোকেশন বুঝিয়ে দেওয়া হয়। নিজের প্লটের লোকেশন নম্বর পেয়ে ক্রেতারা তৎক্ষণাৎ অনুষ্ঠানস্থলে রাখা ম্যাপে নিজের প্লটের অবস্থান দেখতে ছুটে যান। ৩ কাঠা প্লটের লোকেশন বরাদ্দ পাওয়া রাজধানীর আফতাবনগরের বাসিন্দা মো. শাহাদাত হোসেন (ফাইল নম্বর ২৬৩৪) বলেন, ‘বসুন্ধরার ওপর আস্থার কারণে লোকেশন ছাড়াই গত ডিসেম্বরে পাঁচ বছরের কিস্তিতে প্লটটি বুকিং দিয়েছিলাম। আজ লটারিতে ২২২৬ নম্বর প্লটের লোকেশন পেয়েছি। বসুন্ধরায় প্লট নেওয়া ছিল অনেক দিনের স্বপ্ন। তা পূরণ হতে যাচ্ছে।’ অনুষ্ঠানে ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম শামীম বলেন, ‘বসুন্ধরার প্রত্যেক ক্রেতাকে গ্রুপের চেয়ারম্যান বসুন্ধরা পরিবারের সদস্য মনে করেন। প্লট বাছাই কার্যক্রমে একটু দেরি হয়েছে। এর অন্তর্নিহিত কারণ আছে। হস্তান্তরের পরে আপনারা যাতে আকাক্সক্ষা অনুযায়ী একটি প্লট পান, আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি। আবাসন খাতে জমি কেনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যে আমরা জমি কিনে ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করেছি এবং অনেকটা এগিয়ে গেছি। পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রেখে ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান ও পরিবেশের সব নির্দেশনা মেনে এ প্রকল্প প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর পাশেই আর্মি কর্মকর্তাদের অত্যাধুনিক হাউজিং প্রকল্প জলসিঁড়ি। এ ছাড়া কিউ ব্লকের এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বালু নদ, অন্য পাশে তুরাগ। এতে শুধু সুন্দর আবহাওয়াই নয়, প্রকল্পের পানিনিষ্কাশনব্যবস্থাও অনেক সহজ হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পের কাছে বসুন্ধরা গ্রুপ ২৫০ বিঘা জমির ওপরে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্পোর্টস কমপ্লেক্স তৈরি করছে। ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এখানে একাধিক ফুটবল মাঠ, ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সুইমিং পুলসহ খেলাধুলার সব ব্যবস্থা থাকবে। প্রকল্পে যাওয়ার জন্য ১০০ ফুট মাদানি এভিনিউ ছয় লেন হচ্ছে। বারিধারা থেকে পাঁচ মিনিটে যাওয়া যাবে প্রকল্পে। এ ছাড়া মাদানি এভিনিউর পাশেই ১০০ বিঘা জমির ওপর দুটি আন্তর্জাতিক মানের স্কুল করতে যাচ্ছি আমরা। ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘প্লট বাছাই একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ামাত্র। সুযোগ-সুবিধাগুলো আমরা এমনভাবে করেছি, আপনি যেখানেই প্লট পান না কেন, সেখানেই মূল্যবান।’ জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক প্লট বাছাইয়ে একটু দেরি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘১৯৮৮ সালে এ প্রকল্পের শুরু। বসুন্ধরা গ্রুপ চেয়ারম্যান সবকিছু বড় করে করতে চান। তাই আজ এ প্রকল্পটি দেশের অন্যতম পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পে পরিণত হয়েছে। আবাসন সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার চারপাশে স্যাটেলাইট সিটি করার ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সেই উদ্যোগে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর