শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩৭

চিকিৎসককে ফাঁসিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে নারী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

মাথা ঘোরার কথা বলে বাসায় ডেকে চিকিৎসককে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ সময় ওই চিকিৎসকের কাছে ২০ লাখ টাকাও দাবি করা হয়। একই সময় ফাঁকা স্ট্যাম্প ও ফাঁকা কাবিননামার ভলিয়মে স্বাক্ষর নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন মাহবুব আলম নামের ওই চিকিৎসক। এসব অভিযোগে নগরীর চন্দ্রিমা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক। বৃহস্পতিবার বিকালে অভিযান চালিয়ে পাপিয়া সুলতানা পলি (৩০) নামের ওই নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা গেছে, মাহবুব আলম চন্দ্রিমা থানা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। আর চন্দ্রিমার বারিন্দ মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করতেন। পড়াশোনাকালীন পাপিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ হয় পাশের ভাড়াটিয়া হওয়ায়। সেই সুবাদে তার মেয়েকে (১৭) প্রাইভেট পড়াতেন মাহবুব। এতে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই সূত্র ধরে মাঝে মধ্যে ফোনে চিকিৎসা বিষয়ে পরামর্শ নিতেন অভিযুক্ত পলি। ঘটনার দিন ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পলি মাহবুবকে ফোনে জানান, তার প্রচুর মাথাব্যথা করছে। তাই বাইরে বের হয়ে ওষুধ কেনা তার পক্ষে সম্ভব নয়। মাহবুবকে ওষুধ কিনে আনতে বলেন পলি। প্রতিবেশী হওয়ায় মাহবুব ওষুধ ও ডাব কিনে নিয়ে যান পলির বাসায়। এর কিছুক্ষণ পরে অজ্ঞাতনামা ৫ থেকে ৬ জন রুমের ভিতরে প্রবেশ করে মাহবুবকে মারপিট শুরু করে। এক পর্যায়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারা মৃত্যুর ভয় দেখায়। এ ছাড়া ১০০ টাকা মূল্যের তিনটি ফাঁকা স্ট্যাম্পসহ কথিত কাজীর একটি ফাঁকা কাবিননামার ভলিয়মে জোর করে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুম মনির বলেন, মামলার পরে অভিযান চালিয়ে পাপিয়া সুলতানা পলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর