শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৩০

মাদানীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেক মামলা

গাজীপুর প্রতিনিধি

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে গাজীপুরে আরও একটি মামলা হয়েছে। মামলায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার মতো অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। গতকাল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টেকনাগপাড়া এলাকার কফিল উদ্দিনের ছেলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতে কিছু বিপথগামী ধর্মীয় লেবাসধারী লোক দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি বিনষ্ট করার লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর। আসামি রফিকুল ইসলাম মাদানী গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নলজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মারকাজুন নূর আল ইসলামিয়া মাদরাসায় বসে দেশদ্রোহী ও নাশকতার কার্যকলাপ চালান। একই সঙ্গে নাশকতার পরিকল্পনা করেন। কিছু বক্তা ওয়াজ মাহফিলের নামে ধর্মীয় বক্তব্যের আড়ালে রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য প্রদান করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম রফিকুল ইসলাম মাদানী ওরফে শিশুবক্তা। রফিকুল তার বক্তব্যের মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ঘটে যাওয়া সহিংসতার পেছনে অন্যতম ক্রীড়ানক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ২৫ জানুয়ারি থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সময় বক্তব্যের মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে অপমানসূচক, হেয়প্রতিপন্নমূলক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। এ ছাড়া দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে অপমানজনক বক্তব্য দিয়ে ফেসবুক, ইন্টারনেট ও ইউটিউবে তা আপলোড করে দেশে বিরাজমান সহিংসতা ও অস্থিরতার মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছেন। তার এসব বক্তব্যের ভিডিও ইউটিউবে ‘ইসলামিক জীবন’ নামের ফেসবুক পেইজ থেকে আপলোড করা হয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ফারুক জানান, রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গতকাল একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি।

উল্লেখ্য, ৭ এপ্রিল ভোরে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে নিজ গ্রাম নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা থেকে আটক করেন র‌্যাব সদস্যরা। পরদিন র‌্যাব-১-এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এই বিভাগের আরও খবর