শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ মে, ২০২১ ২৩:৪৮

টু ক রো খ ব র

জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ১৮ মে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

সমালোচনার মুখে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়ার ফরমের মূল্যবৃদ্ধি ও দুই ধাপের বাছাই প্রক্রিয়া থেকে সরে আসছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রশাসন। তবে কোন প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। করোনা পরিস্থিতি ‘পুনর্বিবেচনা’ করে আগামী ১৮ মে পরবর্তী কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ। উল্লেখ্য, জাবির ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ পয়লা জুন শুরু হয়ে চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, গত ২৯ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষা কমিটির পঞ্চম সভায় দুই ধাপে আবেদনপত্র নিয়ে জিপিএর ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক পরীক্ষার্থী বাছাইয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া পাঁচটি অনুষদের (এ, বি, সি, ডি ও ই) ইউনিটের ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ১০০ টাকা এবং বাকি অনুষদ ও ইনস্টিটিউটগুলোতে ৭০০ টাকা।

গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হলে সমালোচনা ও প্রতিবাদ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আরেকটি জরুরি বৈঠক ডাকেন। আগের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। এবং করোনা পরিস্থিতি ‘পুনর্বিবেচনা’ করে আগামী ১৮ মে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান। এ ছাড়াও, ওই বৈঠকে সভায় পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে না বলেও আলোচনা হয়েছে বলে জানা যায়।

জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজনা ইসলাম বলেন, ‘করোনা মহামারীর কারণে সব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত নিতে বেগ পেতে হচ্ছে। আগামী ৫ ও ৬ মে উপাচার্য পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির মিটিংও আছে ঈদের পর। তখন আমরা হয়তো একটি ভালো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব।’

ভর্তি পরীক্ষার ফি অনধিক ৩০০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার ফলাফলকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা হিসেবে গণ্য না করার দাবি জানিয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদ ও জাবি শাখা ছাত্রফ্রন্ট। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ‘অযৌক্তিক’ সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

এই বিভাগের আরও খবর