মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
মহামারীতে জীবন-জীবিকা সংকট

করণীয় ঠিক করতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনাভাইরাসের মহামারীতে সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে করণীয় নির্ধারণে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা আজ বৈঠকে বসছেন। সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্তারা থাকবেন এই বৈঠকে। গতকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক হবে। দুপুর দেড়টায় এই বড় মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।’ চলমান ‘কঠোর লকডাউন’ ৫ আগস্ট পর্যন্ত চালানোর ঘোষণা রয়েছে। সংক্রমণ কমাতে বিশেষজ্ঞরা লকডাউনের পক্ষে বললেও তা আবার মানুষকে জীবিকার সংকটে ফেলছে, সেটাও সরকারকে ভাবতে হচ্ছে। এই দোটানার মধ্যে লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে কি না বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তা মঙ্গলবারের সভায়ই ঠিক হবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সচেতনতার ওপর জোর দিচ্ছেন সচিব আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, হাসপাতালের সিট বাড়িয়ে, ডাক্তার বাড়িয়ে এগুলো (করোনাভাইরাস) নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ইউরোপের দেশগুলো দেখেন, স্পেন, ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে, জার্মানি। জার্মানিতে তো অসহায় হয়ে পড়েছিল। ইন্ডিয়ার অবস্থা দেখেন, কী হয়েছে। একমাত্র মানুষ যদি মাস্ক না পরে, (সামাজিক) দূরত্ব না মানে, ইট উইল বি অলমোস্ট ইমপসিবল। মক্কা-মদিনা দেখেন, মদিনার ভিতরে ৩ ফিটের মধ্যে কাউকে আসতে দেবে না। মক্কাতে আপনি খেয়াল করে দেখেছেন কি না, নামাজ বা তাওয়াফ করে, কী রকম ডিসিপ্লিন মেনে চলছে মানুষ। সেজন্যই সৌদি আরব নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। চলমান বিধি-নিষেধেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গতকালও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। অফিসগুলোর কিছু মেশিন চালু রাখতে হয়। ওই টেকনিক্যাল (কর্মী) যায়-আসে। অনেক জিনিস আছে, সার্ভিসিং করতে হয়, এগুলো তারা করছে। এগুলো আমাদের মোবাইল কোর্ট চেকিং করছে। এর আগে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেছিলেন, সংক্রমণ যে গতিতে ছড়াচ্ছে, তাতে এখন কঠোর বিধি-নিধেষের কোনো বিকল্প নেই।