বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা

ঢাকা চেম্বারের সেমিনারে বক্তারা

নিরাপদ খাদ্য সরবরাহে কৃষি খাতের বাণিজ্যিকীকরণ অপরিহার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহে কৃষি খাতের বাণিজ্যিকীকরণ অপরিহার্য বলে ঢাকা চেম্বারের আলোচনায় মত দিয়েছেন বক্তারা। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) গতকাল আয়োজিত ‘মহামারীকালীন সময়ে খাদ্য সরবরাহ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব মতামত তুলে ধরেন। এতে বলা হয়, দক্ষ সাপ্লাইচেইন ব্যবস্থাপনা, কৃষি পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রয় প্রক্রিয়ায় কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণ, সহায়ক নীতিমালা ও দক্ষ মানব সম্পদের উন্নয়নসহ প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফরমের ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক ও খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বক্তব্য দেন।

 স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, করোনা মহামারীর কারণে খাদ্য নিরাপত্তা ও সাপ্লাই চেইন ব্যাহত হয়েছে।

ফলে গত জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৪ বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্যাপ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান, কৃষিভিত্তিক ব্যবসার প্রসারে পণ্যমান উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং অনলাইন প্ল্যাটফরম ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর জোর দেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি।   

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সরকারের কয়েকটি সংস্থা নিয়োজিত থাকলেও ২০১৫ সালে নিরাপদ খাদ্য আইন প্রণয়ন ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠনের পর থেকে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি এখন এ অধিদফতর পর্যালোচনা করছে। যদিও লোকবলের অভাবে তাদের কার্যক্রমে এখনো সাফল্য আসেনি।

খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, কৃষি পণ্যের সাপ্লাইচেইনে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা নিরসনে সরকার সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকার এবং বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, জাইকার সহায়তায় খাদ্য অধিদফতর একটি রেফারেন্স ল্যাবরেটরি স্থাপন প্রকল্পের কাজ করছে এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অধীনে দেশের ৮টি বিভাগে ‘মর্ডান ফুড ফেসিলিটি’ প্রকল্পের আওতায় আটটি ল্যাব স্থাপিত হচ্ছে। নির্ধারিত আলোচনায় কারন্যাল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. মো. সালেহ আহমেদ, ফুডপান্ডার এমডি আমব্রিন রেজা, বিশ্বব্যাংকের উপদেষ্টা ড. মাহবুবুল আলম, মান সংস্থা বিএসটিআই-এর মহাপরিচালক ড. মো. নজরুল আনোয়ার, বেঙ্গল মিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফ এম আসিফ প্রমুখ অংশ নেন।