শিরোনাম
প্রকাশ : ৩০ মার্চ, ২০২০ ১৩:১৭
আপডেট : ৩০ মার্চ, ২০২০ ১৭:১৩

করোনাভাইরাস: লকডাউনে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ

অনলাইন ডেস্ক

করোনাভাইরাস: লকডাউনে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ

বিশ্বব্যাপী মহামারী আকার ধারণ করেছে করোনাভাইরাস। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস দ্রুততম সময়ে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ ও অঞ্চলে।

এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউনে আছে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ। করোনার সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন আঙ্গিকে লকডাউন পালন করছে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে অন্তত ৭০টি দেশ ও অঞ্চলের তিনশ কোটির বেশি মানুষ এখন লকডাউনে। বিশ্বের সর্বোচ্চ বিধিনিষেধ মেনে কোয়ারেন্টিনে আছে ভারত, চীন, ফ্রান্স, ইতালি, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য।
 
চীন প্রথমে উহান শহর কোয়ারেন্টিন করলেও পরে তা আরো ১৫টি শহরে বাড়ায়। তবে ৮ই এপ্রিল লকডাউন উঠে যাবে করোনার উৎপত্তিস্থল উহান থেকে। 

করোনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারানো ইতালিতে ১০ই মার্চ থেকে লকডাউন। ইতালির পরই স্পেন, কোয়ারেন্টিন করে। শুরুতে স্পেনে দুই সপ্তাহ লকডাউন করলেও পরে তা ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ১৭ মার্চ থেকে দুই সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করে ফ্রান্স। পরে দেশটি ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বাড়ায়। 

সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের ২৪ মার্চ থেকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পরে তা ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২৩ মার্চ তিন সপ্তাহের লকডাউন দেয় যুক্তরাজ্য। 

ডেনমার্কও ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের সময় বাড়িয়েছে। জার্মানিতে লকডাউন অমান্য করলে কারফিউ জারি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে ২০শে এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা শিথিল হবে না বলে জানায় জার্মান সরকার। বেলজিয়াম ১৭ই মার্চ লকডাউন ঘোষণা করে। ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এই মেয়াদ।

রাশিয়ায় এক সপ্তাহ ঘরে থাকার পরও বেতন  দেবে বলে জানিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা শুরু হয়েছে ২১ দিনের লকডাউন। নিউজিল্যান্ডও সম্পূর্ণ লকডাউনে আছে। ২৫ মে মার্চ থেকে তিন সপ্তাহের লকডাউনে গেছে ভারত। 

শনিবার থেকে জর্ডানেও লকডাউন শুরু হয়েছে। বাইরে বের হলে দেশটিতে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। ১৯ মার্চ থেকে ইসরায়েলে আংশিক লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তবে বুধবার থেকে দেশটিতে বিধিনিষেধ জোরদার করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য