শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর, ২০২০ ১২:১৯
আপডেট : ২৭ নভেম্বর, ২০২০ ১২:২৩
প্রিন্ট করুন printer

দুঃসংবাদ, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে বড় ধাক্কা খেল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা

অনলাইন ডেস্ক

দুঃসংবাদ, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে বড় ধাক্কা খেল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাওয়ার লড়াইয়ে বড়সড় ধাক্কা খেল অক্সফোর্ড। যে ভ্যাকসিনের দিকে গোটা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ তাকিয়ে ছিলেন সেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল নতুন করে শুরু হতে পারে। এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন সংস্থাটির সিইও।

অ্যাস্ট্রোজেনেকার পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছিল, তাদের টিকা তৈরি এবং ট্রায়ালের পদ্ধতিতে ভুল হয়েছিল। এর জেরে ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা নিয়ে তারা যতটা আশাবাদী ছিলেন, এটি অনেকক্ষেত্রে ততটা কার্যকরী হয়নি।

সম্প্রতি টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলাকালীন তা অত্যন্ত কার্যকরী বলে দাবি করেছিলেন আবিষ্কর্তারা। কিন্তু জনা কয়েক স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় তাদের দাবি প্রশ্নের মুখে পড়ে।

দেখা গেছে, ট্রায়ালে যাদের শরীরে কম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ কার্যকর অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিন। আর যারা পুরোমাত্রায় ডোজ নিয়েছেন, তাদের শরীরে অনেকটাই কম ৬০ থেকে ৬২ শতাংশ কাজ করছে ওই ভ্যাকসিন। এখানেই প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকে। কেন এই হেরফের? এই ভ্যাকসিনের নিয়ম অনুযায়ী, রোগ প্রতিরোধের জন্য দুটি ডোজই কার্যকরী। তাহলে পুরোমাত্রায় ডোজ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে এতটা কম কাজ করল কেন?

প্রশ্নের মুখে পড়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকার সিইও পাস্কাল সরিয়েট নতুন করে এই টিকার ট্রায়ালের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলছেন, “যেহেতু আমাদের গবেষণায় ত্রুটি দেখা দিয়েছে, তাই আমাদের ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা প্রমাণ করতে হবে। আর সেজন্য সম্ভবত আমরা অতিরিক্ত একটি ট্রায়ালের পথে হাঁটব। এটা সম্ভবত আরও একটা আন্তর্জাতিক ট্রায়াল হতে চলেছে। তবে, এবারের ট্রায়ালে অতটা সময় লাগবে না, আর ট্রায়াল হবে কম সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে। কারণ, আমরা জেনে গিয়েছি কীভাবে ডোজ দিলে টিকাটি কার্যকর হচ্ছে।”

সরিয়েটের আশা ইউরোপ বা ব্রিটেনে এই নতুন ট্রায়ালের অনুমতি পেতে সমস্যা হবে না। তবে, আমেরিকায় তা সময়সাপেক্ষ হতে পারে। অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনের নতুন করে ট্রায়াল শুরুর অর্থ হল, ভারতের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হতে চলেছে। কারণ, ভারত সরকার যে ক’টি সংস্থার ওপর বাজি ধরেছে, তাদের মধ্যে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের প্রস্তুতকারক সেরাম ইনস্টিটিউটই সবচেয়ে এগিয়ে ছিল। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন, বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৫৮
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৭
প্রিন্ট করুন printer

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সর্বশেষ তথ্য

অনলাইন ডেস্ক

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সর্বশেষ তথ্য
প্রতীকী ছবি

সর্বশেষ জানানো ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৪১ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬০২ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৪০১ জনে।

সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিন সুস্থ হয়েছেন ৫৬৬ জন। মোট সুস্থ হলেন ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৯৭৯ জন।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৫০
প্রিন্ট করুন printer

সিলেটে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত
প্রতীকী ছবি

সিলেট বিভাগে আরও ১৯ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তবে সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। গত চব্বিশ ঘণ্টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সোমবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া স্বাক্ষরিত কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে আরও ১৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। যাদের মধ্যে সিলেট জেলার ১৬ জন রয়েছেন। এছাড়াও সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ২জন ও মৌলভীবাজারে আরও ১জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

একইদিনে সিলেট বিভাগে আরও ১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যাদের সকলেই সিলেট জেলার বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় অফিস সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনা প্রমাণিত রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৮৯ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় অর্ধেকেরও বেশি ৯ হাজার ৪৫৭ জন। এছাড়া সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৫৩২ জন, হবিগঞ্জে ১ হাজার ৯৭৯ জন ও মৌলভীবাজারে ১ হাজার ৯২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সিলেটের চার জেলায় ৪০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের ৩৫ জন সিলেট জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ও মৌলভীবাজারে ৫ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন বিভাগের ১৫ হাজার ১৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ২৭২ জন।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:০৭
প্রিন্ট করুন printer

লন্ডনে করোনায় বিশ্বনাথের দুই সহোদরের মৃত্যু

সাইফুল ইসলাম বেগ, বিশ্বনাথ (সিলেট):

লন্ডনে করোনায় বিশ্বনাথের দুই সহোদরের মৃত্যু

লন্ডনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই বাংলাদেশি সহোদর মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর ধর্মদা গ্রামে। প্রথমকে আক্রান্ত হন লন্ডন শহরে বাসবাসরত শেখ ময়নুর রহমান বাদশা মিয়া (৬৭)। 

ক’দিন পর তার ছোট ভাই শেখ একবালুর রহমান বাহার মিয়ারও কোভিড-১৯ ধরা পড়ে। তাদের উভয়কেই স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বেশ কিছুদিন চিকিৎসাধীন থেকে গেল ২২ জানুয়ারি শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় হাসপাতালেই শেখ ময়নুর রহমান বাদশা মিয়া ও ২৪ জানুয়ারি রবিবার রাত ৯টায় শেখ একবালুর রহমান বাহার মিয়া মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

তাদের আপন ফুফাতো ভাই শেখ হাবিব উল্লাহ মাস্টার দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা শেখ সাহিদুর রহমান বলেন, পারিবারিক সিদ্ধান্তনুযায়ী লন্ডনেই তাদের সমাহিত করা হবে।    

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:০০
প্রিন্ট করুন printer

করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগে প্রস্তুত রংপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:

করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগে প্রস্তুত রংপুর
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে সরকারের কেনা অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ৫০ লাখ ডোজ আজ দেশে পৌঁছেছে।

সারা দেশে করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হবে। করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রস্ততি গ্রহণ করেছে রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগ। 

রংপুর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভ্যাকসিন সঠিক ভাবে সংরক্ষণ ও প্রযোগের জন্য রংপুরে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রথম কমিটি ঢাকা থেকে আসা ভ্যাকসিন গ্রহণ ও সংরক্ষণ করবেন। অপর কমিটি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবেন। তারা কোথায় কিভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগ হবে এসব বিষয়ে তদারকি করবেন। 

ভ্যাকসিন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ১০ ধরনের ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। যারা প্রথমে ভ্যাকসিন পাবে তাদের তালিকা তৈরীর কাজ প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন। ভ্যাকসিন বিষয়ক কর্মসূচি পরিচালিত হবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মা, শিশু ও কিশোর স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায়। প্রতিটি উপজেলায় ৪ জন স্বাস্থ্য বিভাগের লোক ও ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী ভ্যাকসিন প্রয়োগে কাজ করবে। তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়ার কাজ চলছে। ভ্যাকসিনের গুণগত মান যাতে নষ্ট না হয় এ জন্য সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজিং ব্যবস্থাও প্রস্তুত রয়েছে। সূত্রমতে রংপুর জেলায় প্রায় ৩ লাখ মানুষের করোনার ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা রয়েছে। 

সিভিল সার্জন ডা. হিরন্ব কুমার রায় জানান, করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগে রংপুরের স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ভ্যাকসিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:১৩
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:১৫
প্রিন্ট করুন printer

করোনা নিয়ে ট্রাম্পের ছলচাতুরি ফাঁস করলেন ডা. দেবরা

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি:

করোনা নিয়ে ট্রাম্পের ছলচাতুরি ফাঁস করলেন ডা. দেবরা

করোনা নিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ছলচাতুরির তথ্য ফাঁস করলেন ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজে করোনা সম্পর্কিত ট্রাস্ক ফোর্সের সমন্বয়কারি ডা. দেবরা বার্স। সিবিএস নিউজের সাক্ষাৎকারভিত্তিক ‘ফেস দ্য নেশন’ অনুষ্ঠানে ২৩ জানুয়ারি ডা. বার্স বলেছেন, ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজে কিছু লোক ছিলেন যারা বিশ্বাস করেছিলেন যে, কভিড১৯ একটি তামাশা। এমনকি বাস্তবতার আলোকে তিনি যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন তা প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় পাননি। তার পরিবর্তে ট্রাম্পের ইচ্ছার পরিপূরক চার্ট প্রদর্শন করা হয়েছে। আর এভাবেই করোনার থাবা প্রচন্ড গতিতে বিস্তৃত হয়েছে গোটা আমেরিকায়। 

এই অনুষ্ঠানে করোনা মহামারি মোকাবেলায় কাজ করার সময় যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হয়েছেন তা সবিস্তারে উল্লেখ করেছেন ডা. বার্স। সাংবাদিক মারগারেট ব্রিনেন জানতে চান, ‘হোয়াইট হাউজে এমন কেউ ছিলেন কিনা যারা করোনা মহামারিকে আমলে নিতে চাননি কিংবা এটি যে জনস্বাস্থের জন্যে মারাত্মক তা অনুধাবন করেননি?’ জবাবে বার্স বলেছেন, ‘কিছু লোক ছিলেন, যারা নিশ্চয়ই মনে করেছেন যে, সত্যিকার অর্থেই এটি একটি প্রতারণা।’ 

কেন সত্য গোপন করে মিথ্যা প্রচারে চাপ দেয়া হয়? জবাবে ডা. বার্স বলেছেন, আমি মনে করি শুরুতে তথ্যগুলো বিভ্রান্তিকর ছিল। সঠিক তথ্য আমরা পরিবেশনে সক্ষম হইনি। এ অবস্থায় ট্রাম্পের লোকজন বলেছেন যে, করোনা আক্রান্ত হলেও সকলেই সুস্থ হয়ে উঠছেন। তারপর তারা আমাদের সাথে কথা বলেছিল এই রোগটি কতটা গুরুতর এবং কীভাবে এটি আমেরিকানদের মৃত্যুর মিছিলে রূপ নেবে। বার্স দাবি করেন যে, গত বছরের মার্চে মহামারির ভয়াবহতা অনুধাবন করেছিলেন। সে সময় তিনি (বার্স) অবশ্য ট্রাম্পকে অবহিত করেন যে প্রেসিডেন্টের কাছে এমন কিছু তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে যা তার (বার্স) কাছে থেকে আসেনি, অর্থাৎ ভুয়া তথ্য। 

বার্স বলেন, ‘হোয়াইট হাউজে পৌঁছানোর পর আমি যেসব তথ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ করেছিলাম, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হলো। তার স্থলে হোয়াইট হাউজের উদ্ভট তথ্যগুলো থামিয়ে দেয়ার প্রয়োজন হয়েছিল। কিন্তু তা করা সম্ভব হয়নি। আমি দেখলাম, আমার সামনেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প করোনার গতিবিধি আলোকে যে তথ্য-চিত্র উপস্থাপন করেছেন আমার রেফারেন্সে, প্রকৃত অর্থে সেটি আমার ছিল না। আমার প্রস্তুতকৃত তথ্য-চিত্রে হোয়াইট হাউজের কিছু লোক ঐসব অসত্য-অবাস্তব তথ্য-জুড়ে তা ব্রিফিংকালে প্রদর্শন করেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট।

বার্স বলেন যে, করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশে তাকে বাধা দেয়া হয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে। অথচ তিনি আশা করেছিলেন জনস্বাস্থ্যের কথা ভেবে আরো বেশী তথ্য উপস্থাপন করতে পারবেন। বিশেষ করে করোনা টেস্টিং ইস্যুতে। 

বার্স বলেছেন, ‘সাবেক প্রেসিডেন্টে কথাবার্তা করোনা দমনের কার্যক্রমকে বিভ্রান্ত করেছে, যার পরিণতিতে এতগুলো আমেরিকানের প্রাণ গেছে।’


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর